শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৩ পি.এম
স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মৌজা মূল্যের পরিবর্তে প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণের জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ এবং অপ্রদর্শিত বা কালো টাকা সৃষ্টি রোধের উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের জন্য বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা—এই তিন স্তরে বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী চার মাসের মধ্যে তাদের নিজ নিজ এলাকার জমি, আবাসিক প্লট, ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করতে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে। ইতিমধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সুপারিশ অনুযায়ী বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জমি ও অন্যান্য সম্পদের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে। তবে, এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কমিটির মাধ্যমে সম্পদের বাজারমূল্য নির্ধারণ একটি অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ। পাশাপাশি, দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের সহায়তায় স্থাবর সম্পদের মূল্যায়নের একটি মডেল তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে সম্পদের প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে। এটি একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এজন্য একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে এই উদ্যোগ সম্পন্ন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন আলমগীর লস্কর (৪০) ও বিধান কুমার বিশ্বাস (২৫) নামের দুই যুবক। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু ঘটে।
নিহত আলমগীর লস্কর সব্দালপুর ইউনিয়নের বাকেরবাও গ্রামের আজম লস্করের পুত্র। অপরদিকে, বিধান কুমার বিশ্বাস মালদা গ্রামের বিনয় বিশ্বাসের ছেলে।
স্বজনদের দাবি, বিজয়া দশমীর রাতে উপজেলার জারিয়া গ্রামের সার্বজনীন দুর্গামন্দিরের মেলায় গিয়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে অ্যালকোহলযুক্ত মদ পান করেন। এরপর দুজনেরই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
স্বজনরা জানান, অসুস্থ অবস্থায় আলমগীরকে তার বন্ধুরা বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, বিধানকে রাতেই অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তার মৃত্যু ঘটে।
আলমগীরের বাবা আজম লস্কর জানান, পূজার মেলায় ঘুরতে গিয়ে তার ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কয়েকজন ব্যক্তি তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে মদ্যপানের বিষয়টি জানান। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিধানের কাকিমা সুপ্রিয়া সাহা জানান, বিজয়া দশমীর রাতে বন্ধুদের সঙ্গে মদ পান করার পর বিধান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইমরান হোসেন বলেন, দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলী মিয়া জানান, অতিরিক্ত মদ্যপানে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ দুটি মাগুরা সদর হাসপাতালের অস্থায়ী মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামী ভিন্ন পথে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলার এ.সি. নর্থ কলাগাছিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিদায় সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সংসদ সদস্য।
খোকন তালুকদার বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার সুযোগ জামায়াত ২০২৬ সালের নির্বাচনেই হারিয়ে ফেলেছে। এখন তারা ভিন্ন পথে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে চায়, সে জন্য যেকোনো উপায়ে তাদের ক্ষমতা দরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ কোটি মানুষকে কীভাবে ভালো রাখা যায়, সেই চেষ্টা করছেন। আমি মনে করি, আমাদের ক্ষমতায় থাকা বড় কথা নয়, বাংলাদেশের মানুষকে শান্তিতে রাখা জরুরি। জামায়াত কী করল, সেদিকে গুরুত্ব না দিয়ে মানুষ কীভাবে ভালো থাকবে, সেটিই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ ও বাবু অজয় কৃষ্ণ।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়েছে নুর আলম (৮) নামের এক শিশু। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে।
নিখোঁজ শিশুটি দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শাহাদত মেম্বারের পাড়ার রেজাউল ফকিরের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে নুর আলম তার বন্ধুদের সঙ্গে দৌলতদিয়া ৬ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে নদীর প্রবল স্রোতের কারণে সে ভেসে যায় এবং পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শিশুরা তাকে টেনে ধরার চেষ্টা করলেও তারা তাকে উদ্ধার করতে পারেনি।
পরে যখন তারা চিৎকার শুরু করে, তখন স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন এবং নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এরপর বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস ও ঘাটের নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে জানানো হলে, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয় ডুবুরিরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে শোকের মাতম চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেতা সালমান খান এবং ঐশ্বরিয়া রাইয়ের প্রেমের গল্প নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হাম দিল দে চুকে সানাম সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। সম্প্রতি অভিনেত্রী স্মিতা জয়কর সিনেমাটির শুটিংয়ের একটি ঘটনা সামনে এনেছেন। তার মতে, ঐশ্বরিয়ার হাত ছোঁয়ায় সালমানকে বকা দিয়েছিলেন পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি।
স্মিতা সিনেমাটিতে ঐশ্বরিয়ার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সিদ্ধার্থ কাননের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি শুটিংয়ের সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। স্মিতা জানান, সিনেমার ‘আঁখো কি গুস্তাখিয়া’ গানের দৃশ্যের শুটিং চলছিল। দৃশ্যটিতে সালমানের ঐশ্বরিয়ার কাছে যাওয়ার কথা ছিল টেবিলের চারপাশ দিয়ে ঘুরে। এরপর তার দাঁড়িয়ে ঐশ্বরিয়ার দিকে তাকানোর কথা ছিল। কিন্তু শুটিংয়ের সময় সালমান ঐশ্বরিয়ার হাত ছুঁয়ে দেন, যা দৃশ্যের নির্ধারিত অংশ ছিল না।
স্মিতার বক্তব্য অনুযায়ী, বিষয়টি লক্ষ্য করে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি সালমানকে প্রশ্ন করেন, ‘সালমান, তুমি ওকে ছুঁলে কেন?’ দৃশ্যটিতে সালমানের শুধু দাঁড়িয়ে ঐশ্বরিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকার কথা ছিল। তাই নির্ধারিত অভিনয়ের বাইরে গিয়ে তাকে স্পর্শ করায় আপত্তি জানান পরিচালক।
স্মিতা বলেন, সালমানের ওই আচরণ দৃশ্যের পরিকল্পনার অংশ ছিল না। তার মতে, ঐশ্বরিয়ার প্রতি সালমানের ভালো লাগা থেকেই এমনটি ঘটেছিল। শুটিংয়ের সময় দুজনের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতাও তার চোখে পড়েছিল।
শুটিংয়ে দেরিতে আসতেন সালমান-ঐশ্বরিয়া
সাক্ষাৎকারে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের শুরুর দিকের আরো কিছু স্মৃতি স্মরণ করেন স্মিতা। তিনি বলেন, হাম দিল দে চুকে সানাম সিনেমার শুটিংয়ের সময় দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠছিল। তাদের পর্দার বাইরের ঘনিষ্ঠতা অভিনয়ে প্রভাব ফেলেছিল বলেও মনে করেন তিনি।
স্মিতা জানান, শুটিংয়ের সময় কখনো কখনো সালমান ও ঐশ্বরিয়া একসঙ্গে দেরিতে সেটে পৌঁছাতেন। সকাল ৭টায় শুটিং শুরুর কথা থাকলেও তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হতো অন্য শিল্পী ও কলাকুশলীদের। এ নিয়ে ইউনিটের সদস্যরা অভিযোগও করতেন।
স্মিতা বলেন, অন্যরা অভিযোগ করতেন, সকাল ৭টার শিফট থাকলেও তারা ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন, অথচ সালমান ও ঐশ্বরিয়ার দেখা নেই। কখনো কখনো দুজনকে বেলা ১১টার দিকে একসঙ্গে সেটে আসতে দেখেছেন বলেও জানান তিনি। তবে দুজনের সম্পর্কের কথা ভেবে বিষয়টি নিয়ে তিনি খুব বেশি কিছু বলতেন না।
সালমান-ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের ইতি
সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত হাম দিল দে চুকে সানাম মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালে। সিনেমাটিতে সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেন অজয় দেবগন। ছবিটির গান ও প্রেমের গল্প দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
সিনেমাটিতে একসঙ্গে কাজ করার সময় সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তবে ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।
২০১২ সালে সিমি গারেওয়ালের এক সাক্ষাৎকারে সালমানের সঙ্গে অতীত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাননি ঐশ্বরিয়া। তিনি জানিয়েছিলেন, অতীতের সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে এসেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা করতে চান না। তার মতে, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনদের কথাও বিবেচনায় রাখতে হয়।
২০০৭ সালের এপ্রিলে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। তাদের এক মেয়ে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ