ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চৌদ্দগ্রামে এমপি প্রার্থী কেএম ফরিদ আমিন আটক


চৌদ্দগ্রামে এমপি প্রার্থী কেএম ফরিদ আমিন আটক

গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত (জিওপি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম আসনের এমপি প্রার্থী কেএম ফরিদ আমিনকে আটক করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ। তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুবঅধিকার পরিষদের আহবায়ক। ফরিদ আমিন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) ভোররাতে ফরিদ আমিনকে তার গ্রামের বাড়ি মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই থেকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে ব্যাংকের টাকা চুরির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হিসেবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।

ওসি জানিয়েছেন, ফরিদ আমিন টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার একটি ব্যাংকের টাকা চুরির মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তিনি ওই সময় ব্যাংকের ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ভোররাতে তাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরুরি সতর্কতা: কুতুবদিয়া ও কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জে ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর বিমান বাহিনীর গোলাবর্ষণ প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


জরুরি সতর্কতা: কুতুবদিয়া ও কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জে ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর বিমান বাহিনীর গোলাবর্ষণ প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উদ্যোগে কুতুবদিয়া ও কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জে আগামী ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নিয়মিত বিমান গোলাবর্ষণ (বোম্বিং) ও ফায়ারিং প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লেখিত সময়সীমায় প্রতিদিন নিদিষ্ট সময়ে ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান দ্বারা গোলাবর্ষণ ও ফায়ারিং অনুশীলন চলবে।
তাই যেকোনো ধরনের বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবং জনসাধারণের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত উক্ত ফায়ারিং রেঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকায় সাধারণ জনগণ, জেলে এবং নৌযান চালকদের যাতায়াত বা অবস্থান কঠোরভাবে পরিহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে উক্ত সময়ে উক্ত এলাকাগুলো থেকে দূরে থাকার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে মোদিকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করলেন কেজরিওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে মোদিকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করলেন কেজরিওয়াল

দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জার্মানির নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি অভিযোগ করেন যে, বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে মোদি সরকার সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি মোদিকেও পদত্যাগ করতে হতে পারে।

রোববার (১১ অক্টোবর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে কেজরিওয়ালের এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। এর পূর্ববর্তী দিন শনিবার, দিল্লিতে কক্‌রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে পুলিশ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে। দলটি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর যন্তর মন্তরে সমাবেশের আয়োজন করেছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় কেজরিওয়াল অভিযোগ করেন, শনিবারের অভিযানে তরুণী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদেরও হেনস্তা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের আচরণে দমন-পীড়নের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেজরিওয়াল মন্তব্য করেন যে, শুধু জ্ঞানেশ কুমার নয়, মোদিকেও পদত্যাগ করতে হতে পারে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও পুলিশের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করার সময় কেজরিওয়ালসহ বিরোধী দলের কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়। আটক নেতাদের মধ্যে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। পরে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের কারণে সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল। পরে কক্‌রোচ জনতা পার্টির নেতাদের ছাড়া আটক বিক্ষোভকারীদের মুক্তি দেয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দলটির নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালানোর পরিকল্পনা ছিল। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তাঁদেরও মুক্তি দেওয়া হয় বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি এবং বিক্ষোভ দমনে পুলিশের ভূমিকা ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় অনিয়মের প্রতিবাদ দমনে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। অন্যদিকে, বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার নেই, সংরক্ষিত আসনে পুরুষদের বসার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


ঢাকার ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার নেই, সংরক্ষিত আসনে পুরুষদের বসার অভিযোগ

রাজধানীর লোকাল বাসে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং প্রবীণ যাত্রীদের চলাচল বর্তমানে দুর্ভোগ এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যদিও বাসে তাদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে, তবে তা মানা হচ্ছে না। প্রায় ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার না থাকার কারণে যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে ওঠানামা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে চলন্ত বাস থেকে নামার সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি এবং শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) যৌথ পর্যবেক্ষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) উক্ত দুই সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত এক মাস ধরে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন রুটের অর্ধশতাধিক বাস পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এ সময় যাত্রী, পরিবহন শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলেন পর্যবেক্ষকরা।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে জানান, ঢাকা শহরের লোকাল বাসগুলো নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে চলাচল করছে। তিনি বলেন, "বাসমালিকদের যাত্রীসেবার চেয়ে মুনাফার দিকেই নজর বেশি।" এসব অনিয়ম বন্ধে অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানান তিনি।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রবীণ নাগরিকদের জন্য প্রতিটি বাসে ৯টি আসন সংরক্ষিত রাখার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। কিছু বাসে এ নির্দেশনার কথা লেখা থাকলেও অধিকাংশ বাসে তা উল্লেখ নেই। তবে কোনো বাসেই নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। যাত্রীভর্তি লোকাল বাসে সংরক্ষিত আসনগুলোতে পুরুষ যাত্রীদের বসে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং প্রবীণদের দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে তাদের শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি অস্বস্তি এবং নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়ছে।

লোকাল বাসে হেলপার না থাকাকে যাত্রীদের দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে উক্ত দুই সংগঠন। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ বাসে হেলপার নেই। এসব বাসে চালক মালিকের কাছ থেকে দিনচুক্তিতে বাস ভাড়া নেন। পরে একজন কন্ডাক্টর নিয়ে বাস চালান। দিন শেষে মালিকের পাওনা পরিশোধ করে বাকি অর্থ চালক ও কন্ডাক্টর ভাগ করে নেন। খরচ কমানোর জন্য হেলপার রাখা হয় না বলে পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, হেলপার না থাকায় কন্ডাক্টরকে একদিকে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করতে হয়, অন্যদিকে বিভিন্ন স্টপেজে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো এবং নামানোর কাজও করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্টপেজের বাইরে যত্রতত্র বাস থামিয়ে তাড়াহুড়া করে যাত্রী ওঠানো-নামানো হয়। এতে বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী এবং প্রবীণদের ঝুঁকি নিয়ে বাসে উঠতে এবং নামতে হয়। বাস থেকে নামার সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরো বেশি থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রায় প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে চার দফা সুপারিশ করেছে উক্ত দুই সংগঠন। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—নগর পরিবহনের সব বাসে নারী, শিশু এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ৯টি আসন সংরক্ষণ নিশ্চিত করা; চালক এবং কন্ডাক্টরের পাশাপাশি প্রতিটি বাসে একজন হেলপার নিয়োগ দেওয়া; চালক বা কন্ডাক্টরের কাছে দিনচুক্তিতে বাস ভাড়া দেওয়ার প্রথা বন্ধ করা এবং সিটি করপোরেশন নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া মাঝপথে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো কঠোরভাবে প্রতিহত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা মামলায় ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


মুগ্ধসহ ১১ হত্যা মামলায় ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

রাজধানীর উত্তরায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের সময় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ২৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমান চার্জ) গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলো।

নির্ধারিত সময় রোববার (১১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে বিচারিক প্যানেল এ আদেশ প্রদান করেন।

প্যানেলের অন্যান্য দুই সদস্য হচ্ছেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এর আগে, ২৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করে আদেশ প্রদান করেছিল।

জুলাই আন্দোলনে মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক এমপি হাবিব হাসানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত দিনে অভিযোগ গঠনের আদেশ না দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারিক প্যানেল এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করে। কিন্তু সেদিনও তা পিছিয়ে ১১ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। আজ সেই শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এ সময় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন ও তারেক আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম লিটন আহমেদ। স্টেট ডিফেন্সের পক্ষে ছিলেন আমির হোসেন ও এম হাসান ইমাম। তারা পলাতক আসামির পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। অন্য স্টেট ডিফেন্স শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য আসামির আইনজীবীরাও শুনানি করেন।

এই মামলায় পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ মোট ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে আটজন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন, বাকি ১৮ জন পলাতক রয়েছেন।

গ্রেফতার হওয়া আট আসামির মধ্যে রয়েছেন—ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম এবং তুরাগ থানা এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী ইরফানুল হক গাজী।

পলাতক ১৮ আসামির মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ হাবিব হাসান, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. তোহিদুল ইসলাম, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার সুমন কর, উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক ওসি বিএম ফরমান আলী, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) মাহমুদুল হাসান, সাবেক কনস্টেবল আবু ছায়েম, সাবেক এসআই খালেদ আনোয়ার ও সাবেক এএসআই মো. রোকনুজ্জামান।

পলাতক অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে যুবরাজ, সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ, সাবেক কাউন্সিলর ডিএম শামীম, সাবেক কাউন্সিলর আনিছুর রহমান নাঈম, সাবেক কাউন্সিলর আফছার উদ্দিন খান, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আল সোহেল, উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মুরতাফা বিন ওমর ওরফে সাথিল এবং তুরাগ থানা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন ওরফে মিঠু।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে জুলাই আন্দোলনে আহতদের হাসপাতালে নিতে সাহায্য করার পাশাপাশি ছাত্র-জনতার মধ্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন বিইউপির শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। এ সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে ছাত্র-জনতার কয়েকজন তাকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই উত্তরা এলাকায় মুগ্ধসহ ১১ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৮ জুলাই উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা এবং ছাত্র-জনতার মধ্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণের সময় মুগ্ধ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

একই দিনে উত্তরায় জাহিদুজ্জামান তানভীন, শেখ ফাহমিন জাফর, মো. শাকিল হোসেন, মো. সাব্বির হোসেন এবং সজিব সরকারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া ওই দিন উত্তরায় একটি এপিসির পেছনের চাকায় পিষ্ট করে উবারচালক মোখলেসুর রহমান দুর্জয়কে হত্যার অভিযোগও রয়েছে।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরা এলাকায় রিদোয়ান শরীফ, মো. ছাব্বির ইসলাম, মো. আসাদুল্লাহ এবং নাঈমা সুলতানাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%