শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
রাঙ্গামাটি, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ‘প্রবারণা পূর্ণিমা’ উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুরু হয়েছে বর্ণিল আনন্দে।
‘প্রবারণা পূর্ণিমা’র মূল অনুষ্ঠান আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে, তবে আজ শুক্রবার থেকে জেলার বিভিন্ন বিহারে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের নানা ধর্মীয় আয়োজন শুরু হয়েছে।
আজ সকালে রাঙ্গামাটি সদরের বালুখালি এলাকার ‘তপোবন অরণ্য কুটিরে’ হাজারো বৌদ্ধ নর-নারীর ঢল নামে। সাদা পোশাকে সমবেত পুণ্যার্থীদের প্রার্থনা আর ‘সাধু সাধু’ ধ্বনিতে পুরো কুটির প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। এ সময় সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান ও বুদ্ধপ্রতিবিম্ব দানসহ নানা পুণ্যকর্ম সম্পাদন করা হয়।
ধর্মীয় এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান।
সংঘপ্রধান হিসেবে উপস্থিত থেকে পুণ্যার্থীদের পঞ্চশীল প্রদান করেন এবং ধর্মদেশনা দেন বনভান্তের শিষ্যসংঘের প্রধান ও রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ভদন্ত প্রজ্ঞালংকার মহাথের।
এ সময় অন্যান্য বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
পাহাড়ের দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজারো পুণ্যার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান শুরুর দিকে দেশের মানুষের মঙ্গল কামনায় সমবেত ভাবনা ও প্রার্থনা করা হয়।
দীর্ঘ তিন মাসের প্রথাগত ‘বর্ষাবাস’ (উপাসনা ও ধ্যান) যাপন শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এখন মানবকল্যাণে ধর্ম প্রচারে বেরিয়ে পড়বেন। ২৫ অক্টোবর উদযাপিত হবে মূল প্রবারণা পূর্ণিমা। আর এ শুভ তিথির পরদিনই শুরু হবে বৌদ্ধদের পরম পবিত্র ও কাঙ্ক্ষিত মাসব্যাপী ‘কঠিন চীবর দান’ উৎসবের।
পাপমোচন, মৈত্রীভাব এবং জগতের সকল প্রাণির সুখ-শান্তি কামনায় পাহাড়ে এখন ছড়িয়ে পড়েছে অপরূপ ধর্মীয় ও উৎসবের আবহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ‘সাদাপাথর’ পর্যটন কেন্দ্রে বর্তমানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা স্বচ্ছ পানির ধারা এবং ধবধবে সাদা পাথরের মিতালি দেখতে দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক এখানে ভিড় জমিয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজার দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে সীমান্তঘেরা এই দৃষ্টিনন্দন এলাকা এখন মুখরিত হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঈদ, পূজা কিংবা যেকোনো লম্বা ছুটিতে সাদাপাথরে পর্যটকদের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এবারের পরিস্থিতিও তার ব্যতিক্রম নয়। গত মঙ্গলবার থেকে সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই এখানে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। সাধারণ সময়ে যেখানে দৈনিক গড়ে পাঁচ হাজার পর্যটক আসতেন, সেখানে পূজার ছুটিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সব বয়সের মানুষ সাদাপাথরের হিমশীতল পানিতে গা ভিজিয়ে ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করছেন। কেউ কেউ ধলাই নদীর তীরে বিছানো চেয়ারে বসে ভারতীয় পাহাড়ের মেঘ-রোদ্দুরের খেলা উপভোগ করছেন। আবার অনেকেই এই চমৎকার মুহূর্তগুলোকে ক্যামেরাবন্দি করে স্মৃতির অ্যালবামে সংরক্ষণ করছেন। পর্যটকদের এই বিপুল সমাগম স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তুলেছে। সাদাপাথর এলাকার খাবারের হোটেল, প্রসাধনসামগ্রীর দোকান, কাপড় রাখার লকার ও বসার চেয়ারের ব্যবসা থেকে শুরু করে ঝালমুড়ি-ফুচকা বিক্রেতা—সবাই এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেনাবেচা ভালো হওয়ায় বিক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে এবং পর্যটকরাও তাদের প্রয়োজনীয় সেবা ও পণ্য পেয়ে আনন্দিত।
ঢাকা থেকে সপরিবারে আসা পর্যটক সুমাইয়া আরেফিন তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘পরিবারের ছয় সদস্য মিলে সাদাপাথরে ঘুরতে এসেছি। এখানকার রূপ আমাদের মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে পাহাড়ের কোলঘেঁষা কাচের মতো স্বচ্ছ পানিতে পাথরের ওপর বসে সময় কাটানো জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। পানিতে নামতেই ভ্রমণের সব ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়ে গেছে।’ সাদাপাথর ট্যুরিস্ট পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আব্দুল কাইয়ুম গাজী জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সহায়তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে। সাদাপাথর নৌকা ঘাটের বুথ থেকে পর্যটকদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া পূজার ছুটি উপলক্ষে পুরো পর্যটন এলাকায় নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দিনের কাজের ক্লান্তি কাটিয়ে বাড়ি ফেরার সময় পাখির কিচিরমিচির শব্দ মনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। দুপুরের পর বিকাল নামতেই ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি উড়ে এসে গাছগুলোতে বসে যায়। পাখির কলকাকলি পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে। লক্ষ্মীপুরের সরকারি অফিসপাড়ায় প্রতিদিন এমন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের ঝুমুর এলাকায় অবস্থিত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা জজকোর্ট, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ আশপাশের গাছগুলোতে পাখিদের বিচরণ দেখা যায়। এ ছাড়া আশপাশের বিদ্যুতের খুঁটি ও অন্যান্য স্থাপনাতেও তারা বিচরণ করছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের এ উপস্থিতিকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। পাখি সংরক্ষণে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগ। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভেতরে বিভিন্ন গাছে শতাধিক পাখির বাসা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বিঘ্নে ঘুমানোর জন্য পর্যায়ক্রমে আরো বাড়ানো হচ্ছে। শহরের অন্যান্য স্থানে যেখানে পাখিদের বিচরণ রয়েছে, সেখানেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসন। স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
পথচারীরা মন্তব্য করেন, বিকালে এ রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে প্রশান্তি অনুভব হয়। হাজার হাজার পাখি উড়ে এসে আশপাশের গাছগুলোতে বসে। এতে এক অন্যরকম পরিবেশ তৈরি হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী বলেন, পাখিদের বিচরণে অসাধারণ মুহূর্ত তৈরি হয়। পাখিদের কিচিরমিচির পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে। বিশেষ করে শীতকালে এসব পাখি আসে।
প্রতিদিন বিকালে হাজার হাজার পাখির কলকাকলি পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে। আমাদের এখানে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি ও তারে এরা বসে। সন্ধ্যার আগে কিচিরমিচি করে এবং সন্ধ্যার পর নিরিবিলি থাকে। এগুলো অতিথি পাখি—সাইবেরিয়া থেকে আসা। আমাদের চাকরির সুবাদে প্রতিদিনই এ পরিবেশ উপভোগ করি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা বলেন, পাখিদের বাসস্থান না থাকায় তারা গাছের ডালে ঘুমায়। পাখি ও প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসক স্যারের উদ্যোগে কিছু বাসা ঝোলানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, বাসাগুলোতে পাখিগুলো ভালোভাবে ঘুমাতে পারবে এবং তাদের জন্য নিরাপদ বাসস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাখি, প্রকৃতি ও পরিবেশকে সংরক্ষণের জন্য আমাদের এ উদ্যোগ। আমরা যদি সবাই এগিয়ে আসি, তাহলে আমাদের প্রকৃতি সংরক্ষিত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার কৃষক তোফাজ্জল হোসেন, যিনি উইপোকা ও ইঁদুরের কারণে তার জীবনের জমানো দুই লাখ টাকা হারিয়েছেন, তার পাশে দাঁড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। মানবিকতার উদাহরণ হিসেবে তারা তাকে সমপরিমাণ অর্থাৎ দুই লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ওয়াসা ভবনে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এই সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়।
তথ্য অনুযায়ী, ৭২ বছর বয়সী কৃষক তোফাজ্জল হোসেনের বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ধুমাইটারি গ্রামে। তিনি একসময় ঢাকায় রিকশা চালাতেন, কিন্তু বয়সের কারণে গ্রামে ফিরে অন্যের দুই বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করছিলেন। সম্প্রতি, তার বহু কষ্টে জমানো দুই লাখ টাকা ইঁদুর ও উইপোকায় নষ্ট হয়ে যায়। কৃষকের আহাজারির দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া পড়ে।
আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘মানবিকতার কোনো সীমারেখা, ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নেই। ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকের জমানো অর্থ নষ্ট হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিরা এগিয়ে এসে যে মানবিকতার নজির স্থাপন করেছেন, তা তাদের দেশপ্রেমেরই জোরালো প্রতিফলন।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার প্রান্তিক ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক সালেহ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘নষ্ট হওয়া দুই লাখ টাকা শুধু অর্থ নয়; এটি ওই কৃষকের ঘাম, স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তার প্রতীক। তবে আমাদের সমাজে নানা ধরনের উইপোকা বাস করে, যারা মানুষের স্বপ্নকে ধ্বংস করতে চায়। এদের দমন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে কৃষক তোফাজ্জল হোসেনের বড় মেয়ে মোসাম্মত মোর্সেদা এবং গাইবান্ধার স্থানীয় সাংবাদিক ইদ্রিসউজ্জামান মোনাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেফাজতে ইসলামের নতুন জোট সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে ঘোষণা করার পর ১১ দলীয় ঐক্যে ভাঙনের গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই গুঞ্জনকে অস্বীকার করে সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেছেন যে, ঐক্যে ভাঙনের কোনো বিষয় নেই।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের মিন্টো রোডের বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হামিদুর রহমান আযাদ জানান, ‘সরকার জনগণের গণরায়কে উপেক্ষার মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর চপেটাঘাত করেছে। সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে।’
তিনি গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেই ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। উল্টো আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক নিয়ে মিথ্যাচার করছে তারা।’
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক অভিযোগ করেন যে, প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে এখন দুর্নীতি হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে যদি ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়, তবে সরকারের পরিণতি খারাপ হবে।’
১১ দলীয় ঐক্যের ভাঙন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘১১ দলীয় ঐক্যের ভাঙনের কোনো বিষয় নেই। এ বিষয়ে যে তথ্য প্রচার হচ্ছে, তা প্রোপাগান্ডা। গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ চলমান আন্দোলন কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ থাকবে সব দল।’
কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সাতটি রাজনৈতিক দলের বৈঠক শেষে গত বৃহস্পতিবার হেফাজতের মহাসচিব নতুন জোটের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন জোটে ঐক্যবদ্ধ হবে দলগুলো। এই ঘোষণার পর আজ বৈঠকে বসে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের তত্ত্বাবধানে গঠিত জোটের দলগুলোর নেতারাও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ