প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সারা দিনের কাজের ক্লান্তি কাটিয়ে বাড়ি ফেরার সময় পাখির কিচিরমিচির শব্দ মনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। দুপুরের পর বিকাল নামতেই ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি উড়ে এসে গাছগুলোতে বসে যায়। পাখির কলকাকলি পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে। লক্ষ্মীপুরের সরকারি অফিসপাড়ায় প্রতিদিন এমন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের ঝুমুর এলাকায় অবস্থিত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা জজকোর্ট, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ আশপাশের গাছগুলোতে পাখিদের বিচরণ দেখা যায়। এ ছাড়া আশপাশের বিদ্যুতের খুঁটি ও অন্যান্য স্থাপনাতেও তারা বিচরণ করছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের এ উপস্থিতিকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন। পাখি সংরক্ষণে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগ। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভেতরে বিভিন্ন গাছে শতাধিক পাখির বাসা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বিঘ্নে ঘুমানোর জন্য পর্যায়ক্রমে আরো বাড়ানো হচ্ছে। শহরের অন্যান্য স্থানে যেখানে পাখিদের বিচরণ রয়েছে, সেখানেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসন। স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
পথচারীরা মন্তব্য করেন, বিকালে এ রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে প্রশান্তি অনুভব হয়। হাজার হাজার পাখি উড়ে এসে আশপাশের গাছগুলোতে বসে। এতে এক অন্যরকম পরিবেশ তৈরি হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী বলেন, পাখিদের বিচরণে অসাধারণ মুহূর্ত তৈরি হয়। পাখিদের কিচিরমিচির পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে। বিশেষ করে শীতকালে এসব পাখি আসে।
প্রতিদিন বিকালে হাজার হাজার পাখির কলকাকলি পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে। আমাদের এখানে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি ও তারে এরা বসে। সন্ধ্যার আগে কিচিরমিচি করে এবং সন্ধ্যার পর নিরিবিলি থাকে। এগুলো অতিথি পাখি—সাইবেরিয়া থেকে আসা। আমাদের চাকরির সুবাদে প্রতিদিনই এ পরিবেশ উপভোগ করি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা বলেন, পাখিদের বাসস্থান না থাকায় তারা গাছের ডালে ঘুমায়। পাখি ও প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসক স্যারের উদ্যোগে কিছু বাসা ঝোলানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, বাসাগুলোতে পাখিগুলো ভালোভাবে ঘুমাতে পারবে এবং তাদের জন্য নিরাপদ বাসস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাখি, প্রকৃতি ও পরিবেশকে সংরক্ষণের জন্য আমাদের এ উদ্যোগ। আমরা যদি সবাই এগিয়ে আসি, তাহলে আমাদের প্রকৃতি সংরক্ষিত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন