নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
১০:৪৩ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফরাসি ভাষা, বাস্তব কর্ম-অভিজ্ঞতা ও পেশাগত নেটওয়ার্ক তৈরির ওপর বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়েছেন, যাতে তারা ফ্রান্সের প্রতিযোগিতামূলক শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে পারে।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ফ্রান্সে আসা শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দিকনির্দেশনামূলক অনুষ্ঠানে রবিবার প্যারিসের ১০ম অ্যারোন্ডিসমেন্টের একটি রেস্টুরেন্টে পেশাগত নেটওয়ার্কের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
‘বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইন ফ্রান্স’ (বিএসএনএফ) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বক্তারা মন্তব্য করেন যে, শুধু একাডেমিক ডিগ্রি অর্জন করলেই ফ্রান্সের কর্মবাজারে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। বরং এর পাশাপাশি ফরাসি ভাষায় দক্ষতা, ইন্টার্নশিপ, থিসিস, বাস্তব কর্ম-অভিজ্ঞতা এবং শিল্প-একাডেমিক যোগাযোগ গড়ে তোলাও অত্যন্ত জরুরি।
ফ্রান্সের শীর্ষস্থানীয় বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সাফরানে কর্মরত বাংলাদেশি প্রকৌশলী ফরিদ মিয়া দেশটির শিল্প ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, "ফ্রান্সের সুসংগঠিত শিল্প খাতে শিক্ষার্থীদের স্থান করে নিতে ইন্টার্নশিপ, থিসিস এবং চাকরির আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে শুরু থেকেই সঠিক পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন।"
আইটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের পরিবর্তিত চিত্র তুলে ধরে ডেটা সায়েন্টিস্ট ও এআই গবেষক ড. আবুল হাসনাত বলেন, "আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষাজীবন থেকেই নিজেদের বৈশ্বিক মানের পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।" তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি স্থানীয় ভাষায় দক্ষতা অর্জনেরও কোনো বিকল্প নেই।
‘আমি ভয়েজ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানজিম হোসেন শিক্ষার্থীদের ফরাসি ভাষা শেখার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, "ফ্রান্সের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং স্থানীয় পর্যায়ে পেশাগত যোগাযোগ তৈরির ক্ষেত্রে ভাষাগত দক্ষতা অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত।"
সেমিনারে ফ্রান্সে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের মধ্যে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো গেলে উচ্চতর গবেষণা, ইন্টার্নশিপ এবং আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার পথ আরো সুগম হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—প্যারিস-সাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক আব্দুল্লাহ আল মাসুম, বিসিএফ-এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজমুল কবির, গবেষক ও শিক্ষার্থী ইকরামুল কবির সালমান, মোহাম্মদ জাকারিয়া ভূঁইয়া, মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান, জাহিদুল হক, আফিয়া সায়েমা, আব্দুল্লাহ আল হাসান ও ওবায়েদুল হক শাহিনসহ অনেকে।
আলোচনা পর্ব শেষে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএসএনএফের পক্ষ থেকে ফ্রান্সে নতুন আসা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও পেশাগত নেটওয়ার্কিং জোরদারে সংগঠনটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তের জন্য ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ একটি দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) ছাত্রদলের প্যাডে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তদন্তের জন্য ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এ. বি. এম. ইজাজুল কবির রুয়েল এবং মনজুরুল আলম রিয়াদের নেতৃত্বে দুই (২) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ তদন্ত সম্পন্ন করে কেন্দ্রীয় সংসদের কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
এর আগে, রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাবি ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এই হামলায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। হামলার ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে ঘটে।
গুরুতর আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন- আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু।
অন্যদিকে হামলাকারীদের মধ্যে আছেন- বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ছাত্রদলের অন্তত ১০ নেতাকর্মী এই হামলায় অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকায় নেমে এসেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম কমানোর ফলে দেশের বাজারেও সোনার বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৯ হাজার ৬৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম হিসেবে প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১৮ হাজার ৭৬০ টাকা।
১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম সোনার দাম ১৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, ফলে প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকায় পৌঁছেছে।
সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৩ হাজার ১৬০ টাকা। এতে প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা দাঁড়িয়েছে।
তবে, সোনার দাম কমানোর পরও রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অলংকারের নকশার ভিত্তিতে মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রৌপ্য অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এছাড়া, মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সোমবার সকালে (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ