ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বরবাদ নির্মাতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে দিঘীর মন্তব্য


বরবাদ নির্মাতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে দিঘীর মন্তব্য

ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দিঘী। শিশুশিল্পী হিসেবে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করা এই অভিনেত্রী সময়ের সঙ্গে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নায়িকা হিসেবে। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই আলোচনায় আসেন তিনি। সম্প্রতি ‘বরবাদ’ সিনেমার নির্মাতা হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে গুঞ্জনকে স্বাভাবিকভাবেই দেখার কথা জানিয়েছেন দিঘী।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন অভিনেত্রী। তাকে ঘিরে কী ধরনের আলোচনা হচ্ছে কিংবা সেসবের উৎস কোথায়, তা নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না বলে জানান তিনি।

দিঘীর মতে, শোবিজে কাজ করলে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা কথা ছড়ানো স্বাভাবিক। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি জানিও না কে ছড়ায়, আমি জানিও না কী গুঞ্জন হয়। আমি এসবের খুব বাইরে। গুঞ্জন হবে, এটা খুব স্বাভাবিক। আমাকে নিয়ে গুঞ্জন হয়েও থাকলে, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নিজের মুখে কিছু বলছি না, ততক্ষণ সেটা গুঞ্জনই।’

আরও পড়ুন: শাহরুখ নিজেকে বকতে বলেছিলেন, জানালেন ফারাহ

গুঞ্জন নিয়ে অযথা আলোচনা কিংবা ব্যাখ্যা দেওয়ার পক্ষেও নন এই অভিনেত্রী। বরং বিনোদন অঙ্গনের একজন শিল্পী হিসেবে এসব বিষয় স্বাভাবিকভাবে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। দিঘীর মতে, একজন গণমাধ্যমকর্মী কিংবা শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকতেই পারে। তাই প্রতিটি আলোচনাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, একজন মিডিয়া পারসন হিসেবে, একজন আর্টিস্ট হিসেবে গুঞ্জন থাকবে। এটাকে হালকাভাবে, খুব স্বাভাবিকভাবে নিতে হবে। এটা নিয়ে বেশি কথা বলার কিছু নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউনিয়ায় রতন হত্যা: দুই জেলা থেকে ৩ আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


কাউনিয়ায় রতন হত্যা: দুই জেলা থেকে ৩ আসামি গ্রেপ্তার

রংপুরের কাউনিয়ায় ফখরুল আলম রতন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এসআরবি ও পুলিশ প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার শাঁকতলা বাজার এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে কাউনিয়া উপজেলার শিবু কুটিরপাড় গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে ও মামলার প্রধান আসামি ছাত্রদল নেতা মজনু মিয়া (৩২), একই এলাকার মৃত আবজাল হোসেনের ছেলে লুৎফর রহমান (৪০) এবং মোকছেদ আলীর ছেলে রিপন মিয়া (৩০)।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, নিহত রতনের পরিবারের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে গত ১৯ অক্টোবর, আবদার আলীর চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রতনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ২০ অক্টোবর কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে এসআরবি ও পুলিশ। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে একই মামলায় খলিলুর রহমান নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

কাউনিয়া থানার ওসি বাদল কুমার মন্ডল জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতরা বর্তমানে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের কাউনিয়ায় নিয়ে আসতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের একটি দল সেখানে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Ñএমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাক শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে সাবেক ২ অতিরিক্ত আইজিপি ও আ.লীগ নেতার চক্রান্ত ফাঁস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


পোশাক শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে সাবেক ২ অতিরিক্ত আইজিপি ও আ.লীগ নেতার চক্রান্ত ফাঁস

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের আড়ালে পুরো খাতকে অস্থিতিশীল করার একটি চক্রান্তের তথ্য পেয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাবি, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে আওয়ামী লীগ নেতা এসএম মান্নান কচি, সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লা এবং সাবেক দুই অতিরিক্ত আইজিপি সহ একটি প্রভাবশালী চক্রের অর্থায়ন ও ইন্ধন ছিল।

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে ভয়ংকর এই চক্রান্তের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ৩ নভেম্বর কালশী-পূরবী মোড়ে ‘শিহা ডিজাইন বাংলাদেশ লিমিটেড’ কারখানার সামনে ডিএমপি কনস্টেবল সালমানের ওপর হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ আসামির তথ্যের ভিত্তিতে এই ষড়যন্ত্রের রূপরেখা উদ্ঘাটিত হয়েছে।

ডিবির দাবি, এই সহিংসতা সাধারণ শ্রমিক অসন্তোষ ছিল না; বরং এর পেছনে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা এস এম মান্নান কচি, সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লা এবং সাবেক দুই অতিরিক্ত আইজিপির প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও অভ্যন্তরীণ আঁতাত ছিল। সিসিটিভি ফুটেজ এবং আসামিদের ব্যবহৃত ১৬টি অ্যানক্রিপ্টেড হোয়াটসঅ্যাপ-মেসেঞ্জার গ্রুপের অডিও বার্তা ফরেনসিক বিশ্লেষণ করে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তদন্তে দেখা যায়, কালশীর ‘শিহা ডিজাইন বাংলাদেশ লিমিটেড’ কারখানাটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে এস এম মান্নান কচির মালিকানায় ছিল। পরে তিনি কাগজে-কলমে সরে দাঁড়ালেও কারখানাটির নিয়ন্ত্রণ চলে যায় পাঁচ সদস্যের একটি সিন্ডিকেটের হাতে। এই সিন্ডিকেটে সাবেক দুই অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুল ইসলাম ও আবু হাসান মুহম্মদ তারিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, আওয়ামী লীগ নেতা কচি, সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লা, তার ভাগিনা আলিফ মোল্লা, সাবেক দুই অতিরিক্ত আইজিপি, মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রচার সম্পাদক আক্তার রনি এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলরসহ বেশ কয়েকজন এই আন্দোলনে অর্থায়ন ও নেপথ্যে ইন্ধন জুগিয়েছেন। শ্রমিকদের ঢাল বানিয়ে পুরো তৈরি পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার সুপরিকল্পিত ছক ছিল এটি।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসামিদের মোবাইল ফোন জব্দ করে অন্তত ১৬টি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার গ্রুপের সন্ধান পেয়েছে। ‘চেতনা মুক্তিযুদ্ধ’, ‘শেখ হাসিনা রিজার্ভ ফোর্স’, ‘ঢাকা জেলা গেরিলা ৭১’, ‘হাসু আপার বাংলা’, ‘শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ গেরিলা’-র মতো নানা নামে খোলা এসব গ্রুপে ছদ্মবেশে নাশকতার পরিকল্পনা আদান-প্রদান করা হতো।

তদন্তে জানা যায়, মিছিলে অংশ নেওয়া ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠালে তা দেখে সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লার ভাগিনা আলিফ মোল্লা ও জুয়েল মোল্লা অর্থ পাঠাতেন। ১ নভেম্বর পল্লবীতে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়ে সেই ভিডিও ধারণ করে শীর্ষ নেতাদের কাছে পাঠান কক্সবাজারের যুবলীগ নেতা মুয়াজ্জেম শাহরিয়ার নেওয়াজ।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, পোশাক খাতের স্বাভাবিক দাবি-দাওয়াকে পুঁজি করে পঞ্চগড়, কক্সবাজার ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ক্যাডার এনে ঢাকায় জড়ো করা হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, পঞ্চগড় কলেজ ছাত্রলীগের নেতা নাহিদ হাসানও মাঠে সক্রিয় ছিলেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতা আকতার রনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন যে, গাজীপুরে দুজন পোশাক শ্রমিকের লাশ পাওয়া গেছে। এই ভুয়া খবর ও গুজব দ্রুত ছড়িয়ে দিয়ে হাজার হাজার সাধারণ শ্রমিককে উত্তেজিত করে রাস্তায় নামানো হয়।

৩ নভেম্বর কালশী মোড়ে ডিএমপি কনস্টেবল সালমানকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করা হয়। বিভিন্ন স্থানের ৪-৫টি ভিন্ন অ্যাঙ্গেলের সিসিটিভি ফুটেজ নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করে এই হামলায় সরাসরি জড়িত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। তারা হলেন আশিক জুলহাস, আরাফাত ইসলাম জিসান, মো. রশিদ আলী, সোহেল রানা, মিলন বাবু, আনারুল ইসলাম, মো. রানা ও মনছুর আলী। এর আগে ১ নভেম্বর গ্রেফতার হওয়া আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে ডিবির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা আলিফ মোল্লা ও জুয়েল মোল্লার সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তাদের হোয়াটসঅ্যাপ ঘেঁটে অর্থ লেনদেনের নেটওয়ার্ক পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত নাশকতাকারীরা মাঠপর্যায়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভয়েস মেসেজভিত্তিক অ্যাপস ব্যবহার করত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আসা অডিও বার্তায় দেখা যায়, নাশকতাকারীদের দূর থেকে টেলিফোনে নির্দেশ দিয়ে নির্দিষ্ট পয়েন্টে জড়ো করা হতো। একটি অডিও বার্তায় গ্রেফতার হওয়া নাহিদকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা সবাই ১২ নম্বর ইলিয়াস মোল্লার মার্কেটের সামনে আসেন... এখানে পুলিশ একদিকে চলে গেছে, আমাদের সুযোগ নিতে হবে... আজকের দিনটা করতে পারলে আমাদের নাম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মুসলিম নারী ভিপি নাশরাকে সাদিক কায়েমের অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মুসলিম নারী ভিপি নাশরাকে সাদিক কায়েমের অভিনন্দন

ভারতের ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য বর্তমানে যে ভীতিকর ও কোণঠাসা পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তার মধ্যে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (এএমইউএসইউ) সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে নাশরা নাঈমের জয়কে অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক ও ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি একই সঙ্গে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তরুণদের লড়াইয়ের মতো গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় যেকোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে ভিপি নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন নাশরা নাঈম। ডাকসু ভিপি তার এই অনন্য বিজয়ে এক বার্তায় সংহতি ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বার্তায় সাদিক কায়েম বলেন, ‘যে দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলিমদের প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে বাস করতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং পদে পদে নিজেদের দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে হচ্ছে; সেই বৈরী বাস্তবতার মাঝে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে নাশরা নাঈমের বিজয়ের খবর অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও অনুপ্রেরণাদায়ী।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘ঐতিহাসিক এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে এই পদে আসীন হওয়া নিঃসন্দেহে এক অনন্য ও অসাধারণ অর্জন। অভিনন্দন, নাশরা নাঈম!’

বাংলাদেশে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, ‘বাংলাদেশে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী রেজিমের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে রুখে দাঁড়িয়েছিলাম, ঠিক তেমনিভাবে গোটা দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে মাথাচাড়া দেওয়া সমস্ত ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সাহস ও সংহতির এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেওবন্দের ফতোয়া: এনএফটি ট্রেজার প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ ও কমিশন আয়ের পদ্ধতি শরিয়াহসম্মত নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


দেওবন্দের ফতোয়া: এনএফটি ট্রেজার প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ ও কমিশন আয়ের পদ্ধতি শরিয়াহসম্মত নয়

এনএফটি ট্রেজার (NFT Treasure) একটি ডিজিটালভিত্তিক বিনিয়োগ ও আয় করার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। এই প্ল্যাটফর্মে ডলারের মাধ্যমে অর্থ জমা দিয়ে প্রতিদিন কার্টুনের মতো ডিজিটাল ছবি কেনাবেচার মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের সুযোগ প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে নতুন সদস্য যুক্ত করে একটি নেটওয়ার্ক বা চেইন তৈরি করার প্রক্রিয়াও রয়েছে। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ অ্যাকাউন্টে রাখা এবং নির্ধারিতসংখ্যক সদস্য যুক্ত করার শর্ত পূরণ হলে অধীনস্থ সদস্যদের কার্যক্রম থেকে কমিশন লাভের সুযোগও থাকে।

ভারতের ঐতিহ্যবাহী ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের দারুল ইফতায় এ ধরনের প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ ও কমিশন গ্রহণের শরয়ি বিধান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে, উভয় পদ্ধতিকে নাজায়েজ বলে ফতোয়া প্রদান করা হয়।

দারুল উলুম দেওবন্দের মুফতিরা ফতোয়ায় উল্লেখ করেছেন যে, কার্টুনের ছবি কেনাবেচা ও সদস্য যুক্ত করার মাধ্যমে আয় করার পদ্ধতিতে শরিয়াহর একাধিক আপত্তি বিদ্যমান।

এনএফটি ট্রেজার (NFT Treasure) নামের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ করে অর্থ উপার্জন এবং অন্য সদস্যদের যুক্ত করার মাধ্যমে কমিশন গ্রহণ শরিয়াহসম্মত নয় বলে জানানো হয়েছে।

এক ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটির দারুল ইফতায় প্রশ্ন করেছেন, এনএফটি ট্রেজারে ডলারের মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে হয়। এরপর প্রতিদিন একটি কার্টুনের ছবি দেওয়া হয়, যা কিনে সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি করতে হয়। এভাবে কিছু মুনাফা পাওয়া যায়। এ পদ্ধতিতে অর্থ উপার্জন বৈধ কি না, তা জানতে চেয়েছেন তিনি।

প্রশ্নে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মটিতে সদস্য যুক্ত করার মাধ্যমে একটি চেইন তৈরি করতে হয়। নিজের অধীনে পাঁচ থেকে আটজন সদস্য যুক্ত করার পাশাপাশি অ্যাকাউন্টে ৫০০ ডলার থাকতে হয়। এ শর্ত পূরণ হলে অধীনস্থ সদস্যদের কার্যক্রম থেকে কমিশন পাওয়া যায়। কমিশন গ্রহণ বৈধ কি না, তা জানতে চেয়েছেন ওই ব্যক্তি। পাশাপাশি সদস্য যুক্ত না করে শুধুমাত্র ছবি কেনাবেচার মাধ্যমে আয় করার বিধানও জানতে চেয়েছেন তিনি।

দারুল উলুম দেওবন্দের দারুল ইফতা জানায়, এনএফটি ট্রেজারে উল্লিখিত উভয় পদ্ধতিতে শরিয়াহর একাধিক আপত্তি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চুক্তির স্বাভাবিক শর্তের পরিপন্থী শর্ত আরোপ, একাধিক লেনদেনকে পরস্পরের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলা এবং কার্টুনের ছবি, যা শরিয়াহর বিধান অনুযায়ী নিষিদ্ধ ছবির অন্তর্ভুক্ত, তা কেনাবেচা করা।

ফতোয়ায় বলা হয়, এসব শরিয়াহগত আপত্তির কারণে এনএফটি ট্রেজারের কোনো পদ্ধতিতে যুক্ত হয়ে বিনিয়োগ করা কিংবা এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা বৈধ নয়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত ফতোয়াটির নম্বর ৬৩৬২৯৮। এতে স্বাক্ষর করেছেন দারুল উলুম দেওবন্দের দারুল ইফতার মুফতিরা। সূত্র: দারুল উলুম দেওবন্দ, ফতোয়া নম্বর ৬৩৬২৯৮।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%