ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজশাহী নগরীতে মাদক কারবারি ও অনলাইন জুয়াড়ী সহ গ্রেপ্তার ৩০


রাজশাহী নগরীতে মাদক কারবারি ও অনলাইন জুয়াড়ী সহ গ্রেপ্তার ৩০

রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে নারীসহ পাঁচ মাদক কারবারি ও এক মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে চোলাইমদ, কফ রিলিফ সিরাপ, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শাহমখদুম, দামকুড়া, বেলপুকুর, পবা ও কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
শুক্রবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিজি জানান, নগরীর শাহমখদুম থানা পুলিশ পবা নতুনপাড়া এলাকা থেকে ২০ বোতল দেশীয় তৈরি চোলাইমদ সহ তপন ভূঁইয়া ওরফে গণেশকে (৩৮) গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে ১০টি মাদক মামলা রয়েছে।
দামকুড়া থানা পুলিশ মুরারীপুর পশ্চিমপাড়া থেকে দুই বোতল কফ রিলিফ সিরাপ, মাদক বিক্রির ১১ হাজার ৫০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন সহ জাহাঙ্গীর আলমকে (৪২) গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২৪টি মাদক মামলা রয়েছে।
বেলপুকুর থানা পুলিশ চক জামিরা এলাকা থেকে ১৭টি ট্যাপেন্টাডল ও ছয়টি ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মোছাঃ সাজেদা (৪৮) ও খায়রুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেপ্তার করে। পবা থানা পুলিশ সিডির মোড় এলাকা থেকে ১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মুক্তার আলীকে (২০) গ্রেপ্তার করে।
এদিকে, কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আহসান হাবিবকে (৩৩) গ্রেপ্তার করে। পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, রাজশাহীতে অনলাইন জুয়া ও বেটিংবিরোধী অভিযান চালিয়ে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে নগরীর দামকুড়া থানা পুলিশ। এ সময় জুয়া ও বেটিং কার্যক্রমে ব্যবহৃত চারটি স্মার্টফোন, একটি বাটন ফোন ও একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর ৪টার দিকে দামকুড়া থানা পুলিশ শিতলাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে আমান উল্লাহ আমান (২৭) ও সাকিবুল ইসলামকে (২৬) গ্রেপ্তার করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাসুম (৩৫) নামে আরও একজন পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তার আমানের কাছ থেকে তিনটি স্মার্টফোন ও একটি বাটন ফোন এবং সাকিবুলের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। এসব ফোনে অনলাইন জুয়া ও বেটিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন অ্যাপস, ওয়েবসাইটের ইউজার আইডি, মোবাইল সিমকার্ড এবং বিকাশ ও নগদ হিসাবের সঙ্গে ব্যবহৃত একাধিক নম্বর পাওয়া যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পলাতক মাসুমের সঙ্গে গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জুয়ার অ্যাপস ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অনলাইনে জুয়া খেলে আসছিলেন। জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়েছে।
এ ব্যপারে গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে দামকুড়া থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। পলাতক মাসুমকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়াও গত ২৪ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীসহ নানা অপরাধের অভিযোগে মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।
এর মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ৯ জন, মাদক মামলায় ৬ জন এবং অন্যান্য মামলায় ৭ জন রয়েছে।
শুক্রবার সকালে সকল আসামীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। #

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্বৃত্তদের বিষাক্ত স্প্রে প্রয়োগে ঘুমন্ত মসজিদের ইমামের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


দুর্বৃত্তদের বিষাক্ত স্প্রে প্রয়োগে ঘুমন্ত মসজিদের ইমামের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

ভোলার দৌলতখানে এক মসজিদের ইমাম, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক (৬৫), দুর্বৃত্তদের দ্বারা প্রয়োগ করা নেশাজাতীয় বিষাক্ত স্প্রে ও অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ছিলেন বোরহানউদ্দিন (রানীগঞ্জ) আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক প্রধান মোহাদ্দেস এবং সৈয়দপুর মাঝি বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝি বাড়িতে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) জুমার নামাজের পূর্বে জানাজা শেষে তাঁকে মসজিদসংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রবীণ আলেমের আকস্মিক মৃত্যুতে স্থানীয় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত গভীর রাতে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের বসতঘরের জানালা দিয়ে নেশাজাতীয় বিষাক্ত স্প্রে করে। এতে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, মাওলানা শাহাদাত ও ১০ বছরের শিশু জুবাইদা অচেতন হয়ে পড়েন। তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিককে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

নিহত সিদ্দিক হুজুরের ছেলে ইকবাল হোসেন জানান, অজ্ঞাত অজ্ঞান পার্টির দুষ্কৃতকারীরা ঘরে বিষাক্ত নেশাজাতীয় স্প্রে করলে ঘুমন্ত তিনজনই অচেতন হয়ে পড়েন। ওই বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে তাঁর বাবার মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ড আক্রান্ত হলে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

এ বিষয়ে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ভবিষ্যতে যেন কেউ দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


ভবিষ্যতে যেন কেউ দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’

আগামীকাল ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই কথাগুলি বলেন। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয়ভাবে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্ম ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে একটি প্রবাদবাক্য মনে রাখতে হবে—‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। অতএব, ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল।

তারেক রহমান বলেন, ইতিহাসের সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ এবং বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে এসেছিল, ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল।

ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে কিংবা দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, সেটিই এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করা প্রয়োজন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান—ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটাই। তা হলো, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র নির্মাণ।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংঘটিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের এই ঐতিহাসিক দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রেরণা ও পাথেয় হয়ে উঠবে বলে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠানো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


৭ শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠানো

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুদ্ধ শেষ করার উদ্দেশ্যে। কাতারের মাধ্যমে প্রেরিত এই প্রস্তাবের আলোচনার পূর্বে ওয়াশিংটনকে ৭টি শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, শর্তগুলো পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনাও হবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে তিনি রাজি হননি।

যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীরা সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবারও সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ইরানে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনাও নাকচ করা হয়নি। অন্যদিকে, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ইরান আরও বড় পরিসরে পাল্টা হামলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাশিয়া সফরের সময় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি বলেন, “কূটনীতির বিষয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত জানিয়েছি। তারা আমাদের সাতটি শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না, আলোচনাতেও বসব না।”

ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, যেকোনো প্রাথমিক আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালায়।

এরপর লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। সর্বশেষ এই সংঘাত ইয়েমেনেও ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একের পর এক হামলা চালিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেলেন নতুন দায়িত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেলেন নতুন দায়িত্ব

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন দায়িত্ব হিসেবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পুনর্মূল্যায়নের জন্য একটি ছয় সদস্য বিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এই কমিটি গঠন করা হয়েছে তার নেতৃত্বে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। পাশাপাশি, এ-সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশিত হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশ অনুযায়ী, কমিটি সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতনস্কেলে বিদ্যমান অসংগতি এবং এ বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করবে। তারা এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে।

এছাড়া, বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ, অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও কমিটির পর্যালোচনার আওতায় থাকবে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালু করার সম্ভাবনাও কমিটি বিবেচনা করবে।

কমিটি বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও পালন করবে।

কমিটির কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজন হলে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও পাবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সচিবালয় কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করবে অর্থ বিভাগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%