বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৮ পি.এম
বর্ষা বিদায়ের প্রাক্কালে কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে জেলায়। এর ফলে চলতি বছরের শুরু থেকে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৯৮ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ৩৩ জন রোগী ছাড়পত্র নিয়েছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১১৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৭ জন রোগী ভর্তি আছেন। পাশাপাশি ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১৮ জন, ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ জন এবং বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জেলার অন্যান্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করিমগঞ্জে ৪ জন, কুলিয়ারচরে ৬ জন, তাড়াইলে ৪ জন, পাকুন্দিয়ায় ৬ জন, কটিয়াদীতে ৫ জন, নিকলীতে ৩ জন এবং হোসেনপুরে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে ৫ জন এবং প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজে ৭ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৯৮ হলেও এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৮৪ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১১৪ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা এখন পর্যন্ত শূন্য রয়েছে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসা যথেষ্ট নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রুশ হামলায় রাতের বেলায় দুইজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার এই তথ্য দেশটির কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানায়।
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা জারি হওয়ার পর কিয়েভজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের এই সংঘাত বর্তমানে পঞ্চম বছরে প্রবাহিত হচ্ছে, এবং কিয়েভে রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাতের হামলার পূর্বে, ইউক্রেনের বিমানবাহিনী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকির বিষয়ে সতর্ক করে। পরে তারা জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কিয়েভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এএফপির সাংবাদিকরা শহরের বিভিন্ন স্থানে কয়েক ডজন বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন। বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় কিছুটা বিঘ্নও দেখা গেছে।
কিয়েভ সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন টেলিগ্রামে জানায়, হামলায় ‘দুইজন নিহত ও চারজন আহত’ হয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানান, হামলার ফলে আগুন ধরে যায় এবং কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো বলেন, ‘কিয়েভ অঞ্চলে আবারও শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে।’
রাজধানীতে জরুরি বিভাগের কর্মীরা বাড়িঘর, গুদাম, বাণিজ্যিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থানে লাগা আগুন নেভাতে কাজ করছেন।
রাশিয়া নতুন ধরনের জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করছে। এই ড্রোনগুলো প্রচলিত ড্রোনের তুলনায় দ্রুতগতির এবং প্রতিহত করা কঠিন। প্রচলিত ড্রোনগুলো ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের আদলে তৈরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নিউজিল্যান্ডের সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় জলবায়ু সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগকে অস্বীকার করেছে। বুধবার, একটি পরিবেশবাদী সংগঠন ব্রাসেলসে অভিযোগ দায়ের করার পর নিউজিল্যান্ড এ বিষয়ে তাদের অবস্থান প্রকাশ করে।
নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশ ও জলবায়ু ন্যায়বিচারবিষয়ক সংগঠন ‘বোথ এন্ডস’ জানায়, তারা ইউরোপীয় কমিশনের কাছে অভিযোগটি করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, ২০২৪ সালে ইইউর সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তির প্রতিশ্রুতি থেকে নিউজিল্যান্ড সরে এসেছে।
সংবাদ সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, ‘নিউজিল্যান্ড ইইউর সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সেখানে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি মেনে চলার এবং বাণিজ্য আকর্ষণের জন্য পরিবেশ সুরক্ষা দুর্বল না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।’
তাদের অভিযোগ, এরপর নিউজিল্যান্ড সমুদ্রসীমায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের সুযোগ পুনরায় চালু করেছে, মিথেন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে এবং জলবায়ু সংক্রান্ত দাবিতে আদালতে যাওয়ার সুযোগ সীমিত করে একটি আইন পাস করেছে। সংগঠনটির দাবি, দেশটির নিজস্ব কর্মকর্তারাও ওই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছিলেন।
বোথ এন্ডস বলেছে, ‘আমরা শুধু একটি বিষয় চাই—নিউজিল্যান্ড যে প্রতিশ্রুতিতে স্বাক্ষর করেছে, তা যেন তারা পালন করে।’ সংগঠনটির দাবি, ইইউর কোনো বাণিজ্য চুক্তির আওতায় এটিই প্রথম জলবায়ু সংক্রান্ত অভিযোগ। এর মাধ্যমে এ ধরনের চুক্তিতে দেওয়া পরিবেশগত প্রতিশ্রুতির বাস্তব মূল্য কতটা, তা যাচাই হবে বলেও তারা জানিয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী টড ম্যাকলে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, নিউজিল্যান্ড ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কোনো শর্ত ভঙ্গ করেনি। চুক্তিটির বার্ষিক আর্থিক মূল্য নিউজিল্যান্ডের জন্য আনুমানিক ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার (প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
এক বিবৃতিতে ম্যাকলে বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড তার আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয় এবং সবসময় সেগুলো পালন করে। আমরা ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির শর্ত মেনে চলছি।’
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা পূরণে নিউজিল্যান্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এ বিষয়টি সরকার সবসময় পরিষ্কার করেছে। তবে কীভাবে এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্ট ও সরকারের।
ম্যাকলে উল্লেখ করেন, ‘কীভাবে নিউজিল্যান্ড তার দায়বদ্ধতা পূরণ করবে, তা বিদেশি দেশ, সংগঠন বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর বলে দেওয়ার বিষয় নয়।’ ভারতের সঙ্গে একটি লাভজনক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শেষ করার পরপরই তিনি এই মন্তব্য করেন। নতুন চুক্তিটি আগামী মাসে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
২০১৯ সালে আইন করে প্রতিষ্ঠিত নিউজিল্যান্ডের স্বাধীন সংস্থা ক্লাইমেট চেঞ্জ কমিশন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ডানপন্থী সরকারের নীতিগত পরিবর্তনের কারণে দেশটি নিজস্ব কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কমিশন বলেছে, সরকারের কয়েকটি নীতির কারণে নিঃসরণ আরও বাড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি খাতকে কার্বন নিঃসরণমূল্য ব্যবস্থার বাইরে রাখা, পরিবেশবান্ধব গাড়ি সংক্রান্ত নিয়মে পরিবর্তন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য তথ্য প্রতিবেদন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা কমানো এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য একটি স্থাপনা তৈরির পরিকল্পনা।
কমিশনের মতে, এসব নীতির ফলে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ বাড়বে, তা অন্য খাতে নিঃসরণ কমানোর মাধ্যমে অর্জিত সাশ্রয়ের চেয়েও বেশি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনজুড়ে রাতভর একটি ব্যাপক সমন্বিত হামলা পরিচালনা করেছে। হামলার ফলে রাজধানী কিয়েভের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্র, ডাটা সেন্টার এবং বন্দর অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস (TASS) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় বাহিনীর রসদ সরবরাহ কেন্দ্র, বন্দর ও পরিবহন পরিকাঠামো এবং সামরিক কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন নৌযান লক্ষ্য করে এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে।
হামলায় প্রধান যেসব স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে:
কিয়েভের লোকোমোটিভ ডিপো: কিয়েভের একটি প্রধান লোকোমোটিভ ডিপোতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। রাশিয়ার দাবি, এই ডিপোটিতে ইউক্রেনের 'FP-5 ফ্লেমিঙ্গো' গ্রাউন্ড-বেসড ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মজুদ ছিল।
গুরুত্বপূর্ণ ডাটা সেন্টারসমূহ: ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর তথ্য আদান-প্রদান ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে ব্যবহৃত 'বিমোবাইল' (Bemobile) ডাটা সেন্টারে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ও সামরিক প্রশাসনিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র 'পার্কোভি' (Parkovy) ডাটা সেন্টারেও আঘাত হানা হয়।
ড্রোন প্রস্তুতকারক কারখানা ও ওয়ারহাউস: কিয়েভ অঞ্চলের বেলোগোরোদকা গুদাম টার্মিনাল এবং ওডেসা অঞ্চলের ভেলিকলোডোলিনস্কয়ে এলাকায় অবস্থিত ফিক্সড-উইং ড্রোন তৈরির কারখানা ও গুদামে হামলা চালানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও বন্দর অবকাঠামো: রুশ বাহিনী ওডেসা অঞ্চলের উসাতোভো সাবস্টেশনে হামলা চালিয়েছে, যা ইউক্রেনের বন্দরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছিল। ইজমাইল বন্দর ও ওডেসা বন্দরে সামরিক রসদবাহী একাধিক পণ্যবাহী জাহাজে আঘাত হানা হয়।
ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি ও ট্রেন চলাচলে বিপর্যয়
ইউক্রেনীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কিয়েভ এবং ওডেসায় বিকট শব্দে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে। পোল্যান্ড সীমান্তবর্তী ভোলিন অঞ্চলের ইয়াগোদিন চেকপয়েন্টেও বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এই ভয়াবহ হামলার প্রভাব পড়েছে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায়। ইউক্রেনীয় রেলওয়ে পরিষেবা (Ukrzaliznytsia) জানিয়েছে, সারা দেশে অন্তত ৬৬টি যাত্রীবাহী ট্রেনের সূচিতে বিলম্ব ঘটেছে। এর মধ্যে ৫০টিরও বেশি ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা বা তার বেশি দেরিতে চলছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে উজহোরোদ থেকে খারকিভগামী ট্রেনটি, যা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টারও বেশি দেরিতে চলাচল করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে ঢাকার একটি আদালত। এ পর্যন্ত ১৩০ বার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।
আজ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারিত দিন ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন এই দিন ধার্য করেন।
শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের হাতে তদন্তের নির্দেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ