বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪২ পি.এম
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। তৎকালীন ১/১১ এর সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে ওইদিন ভোররাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে কারান্তরীণ করা হয়। এরপর বিনা বিচারে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দী থাকতে হয় তাঁকে। টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার সময় রিমান্ডের নামে তাঁর ওপর চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়।
মুমূর্ষু অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালে উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। এরপর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হতে যাচ্ছে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’, যা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটি এই মেলার আয়োজন করেছে, যার উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের ওপর রচিত বই এবং জিয়াউর রহমানের জীবনভিত্তিক সাহিত্যের প্রচার ও প্রসার।
আজ বৃহস্পতিবার, বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।
এছাড়া, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।
মেলার আহ্বায়ক ও সহ-সভাপতি মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী জানান, দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেলাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, লেখক, গবেষক এবং দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য শুধুমাত্র করদাতার আয় প্রাক্কলন করলেই যথেষ্ট হবে না। কর ফাঁকি হয়েছে, এমন প্রমাণ হিসেবে আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা বা অসত্যভাবে প্রদর্শনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জরিমানা আরোপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট করদাতার শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানকে বাধ্যতামূলক করেছে।
এনবিআরের পক্ষ থেকে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২-এর প্রয়োগ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। গতকাল (২ সেপ্টেম্বর) এনবিআর-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষরিত আদেশটি প্রকাশিত হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর আইনের অংশ-১৯ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতা বা ব্যক্তির শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
যদি কোনো করদাতার আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা হয় অথবা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শন করা হয়, তাহলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক।
এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, জরিমানা আরোপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট উপ-কর কমিশনারকে প্রথমে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা সম্পর্কে রায় দিতে হবে। যদি জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা পাওয়া যায়, তবে একই করাদেশে জরিমানা আরোপ করতে হবে।
অন্যদিকে, যদি জরিমানার প্রযোজ্যতা না থাকে, তাহলে কোনো জরিমানা আরোপ করা যাবে না।
আদেশে চাকরি থেকে আয়, বাড়ি বা সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, মূলধনী আয়, আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয় এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের ক্ষেত্রে ধারা ২৭২ প্রয়োগের বিষয়টি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, উল্লিখিত কোনো খাতের আয় গোপন করা বা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে।
তবে যদি করদাতা কোনো আয় গোপন না করে এবং অসত্যভাবে প্রদর্শন না করে, বরং কোনো করযোগ্য আয়কে করমুক্ত হিসেবে প্রদর্শন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইনগত বিধান অনুসরণে ব্যর্থ হলে অথবা আইন অনুযায়ী কোনো করমুক্ত আয় করযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে, তখন শুধুমাত্র এসব কারণে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে না।
এনবিআর বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে, ভাড়া থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, মূলধনী আয় ও আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক।
শুধুমাত্র কর কর্তৃপক্ষের আয় প্রাক্কলনের ভিত্তিতে জরিমানা আরোপ করা যাবে না। ভাড়া থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির যৌক্তিক ভাড়ামূল্য প্রাক্কলন করাও জরিমানা আরোপের একক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না।
‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’-এর ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আয়কর আইনের ধারা ৬৬-এ উল্লিখিত অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের কোনো খাত গোপন বা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে।
তবে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ প্রাক্কলন করে কোনো করদাতার বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা যাবে না।
এনবিআরের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর আইনের ধারা ৬৭-এর উপধারা (৩) ছাড়া অন্য কোনো উপধারা প্রয়োগের কারণে কোনো করদাতার ক্ষেত্রে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ উদ্ভূত হলে ওই আয়ের ওপর ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের সুযোগ নেই।
তবে ধারা ৬৭-এর উপধারা (৩) প্রয়োগের কারণে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ সৃষ্টি হলে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।
এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আয় প্রাক্কলন যথেষ্ট হবে না। কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক বলেও আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
নতুন এই নির্দেশনার ফলে কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তাদের দালিলিক প্রমাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে করদাতার বক্তব্য শোনার সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে কর প্রশাসনে জবাবদিহি ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৬৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২২ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ২২ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৩৯ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৬২ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৪৪ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৫ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৯ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন ৮২২ পিস ইয়াবা, ১৯ কেজি ১৮৫ গ্রাম গাঁজা এবং ৮৮ বোতল এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, যার উদ্দেশ্য উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণ-তরুণীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা। এই উদ্যোগের নাম ‘উদ্যোগ উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’। প্রাথমিকভাবে, দেশের আট জেলার ৬৪ উপজেলায় ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে। প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হবে। ধারাবাহিকভাবে দেশের অন্যান্য জেলার উপজেলাতেও এই কর্মসূচিটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন ও সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ‘উদ্যোগ’ একটি প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচি নয়। এর আওতায় তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের বিদ্যমান শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে উপজেলা পর্যায়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করবে এবং চিহ্নিত করবে। পরে তাদের ব্যবসায়িক ধারণা ও প্রকৃত অর্থায়নের প্রয়োজন যাচাই করে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হবে।
সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার প্যাকেজ
নির্বাচিত প্রতিটি উদ্যোক্তা তার প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার একটি অর্থায়ন প্যাকেজ পাবেন। এর অর্ধেক হবে ব্যাংকঋণ এবং বাকি অর্ধেক অনুদান। গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদ বা মুনাফার হার হবে সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৭ শতাংশ। এ ঋণের বিপরীতে কোনো সহায়ক জামানত বা সম্পত্তি বন্ধক রাখার প্রয়োজন হবে না।
তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অনুদানের অর্থ সুদবিহীন ঋণে রূপান্তরিত হবে। একই সঙ্গে ঋণ হিসাবটি প্রচলিত নিয়মে শ্রেণিকৃত হবে। সে ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতাকে খেলাপি হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হারাবেন।
বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর
বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখে যাদের বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর এবং যারা সংশ্লিষ্ট উপজেলার বাসিন্দা, তারাই এ কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আগে থেকেই ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক নয়। একটি বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক ধারণা থাকলেই আবেদন করা যাবে।
কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, সেবা কিংবা প্রযুক্তিনির্ভর- সব ধরনের বৈধ উদ্যোগকে সমানভাবে বিবেচনা করা হবে। আবেদন করতে কোনো ফি লাগবে না। সংশ্লিষ্ট উপজেলায় অবস্থিত যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
১৬ সেপ্টেম্বর জারি হবে বিস্তারিত নির্দেশনা
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিস্তারিত নির্দেশনাসংবলিত সার্কুলার আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা হবে। সার্কুলার জারির পরবর্তী এক মাস আবেদন জমা দেওয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
প্রথম ধাপে ৮ জেলার ৬৪ উপজেলা
প্রাথমিকভাবে আটটি জেলার ৬৪ উপজেলায় ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি শুরু হবে। জেলাগুলো হলো- মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনা। প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে মোট ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে প্রথম ধাপে নির্বাচিত করা হবে। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য জেলার উপজেলাগুলোতেও এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।
অর্থায়নের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও মেন্টরিং
শুধু অর্থায়নেই কর্মসূচির কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে না। নির্বাচিত উদ্যোক্তারা উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ মেন্টরের ধারাবাহিক পরামর্শ, ব্যবসা নিবন্ধন ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা এবং বাজারসংযোগের সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যাশা, একজন সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে তিন থেকে পাঁচজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন। ফলে ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ