মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২৩ পি.এম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই বিতর্কটি শুরু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জমজম ব্রাদার্সের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে, অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্প সম্পর্কে তার পূর্বে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে তার কোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক সম্পৃক্ততাও নেই।
মাহমুদউল্লাহ আরও জানিয়েছেন, তার অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তিনি বলেন, অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন বা বিভ্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। ওই পোস্টে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের জাতীয় দলের এক সাবেক ক্রিকেটার ভানুয়াতুর নাগরিকত্বে বিনিয়োগের বিষয়টি প্রচার করছেন। তিনি এ ধরনের বিনিয়োগের অর্থ বিদেশে পাঠানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো পরিচিত একজন ক্রিকেটারের এমন প্রচারে যুক্ত থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সায়েরের পোস্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বৃদ্ধি পায়। এরপরই মাহমুদউল্লাহ জমজম ব্রাদার্সকে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। তার অনুরোধের পর, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে সাবেক এই অধিনায়ক পুরো ঘটনা ব্যাখ্যা করেন। মাহমুদউল্লাহ লিখেছেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই। কিছুদিন আগে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়। তাদের আমন্ত্রণে একদিন তাদের অফিসে গেলে, তারা তাদের একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে আমার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের ব্যবসায়িক এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।’
নিজের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সব সময় বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা কোনো ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।’
ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার কথাও জানিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকব, ইনশাআল্লাহ। সবার ভালোবাসা, সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজার ছুটি এবং সাপ্তাহিক অবকাশের কারণে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই ছুটির প্রেক্ষাপটে সৈকতের লাবণী পয়েন্টসহ শহরের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা ভিড় জমিয়েছেন। বিশেষ করে লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি সৃষ্টি করেছে জনসমুদ্রের দৃশ্য। সৈকতের বালুচর থেকে শুরু করে সমুদ্রের ঢেউয়ের কাছাকাছি পর্যন্ত পর্যটকদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, লাবণী পয়েন্টে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে নানা বয়সী মানুষ ঘুরতে এসেছেন। কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে গা ভেজাচ্ছেন, কেউ বালুচরে হাঁটছেন, আবার কেউ প্রিয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করছেন। সৈকতজুড়ে সারি সারি ছাতা, বিচ চেয়ার এবং পর্যটকদের আনাগোনায় পুরো এলাকা মুখর হয়ে উঠেছে। পর্যটকদের এই উপস্থিতিতে সৈকতসংলগ্ন ব্যবসা-বাণিজ্যেও কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে।
দীর্ঘ ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকেই পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যটকদের আগমনে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যস্ততা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এদিকে পর্যটনজোনে খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ৮০-৯০ হোটেল বুকড হয়ে গেছে।
পর্যটকের এই বাড়তি চাপের মধ্যে সৈকতে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সমুদ্রে গোসলের সময় লাইফগার্ডের নির্দেশনা মেনে চলা, নির্ধারিত নিরাপদ এলাকার বাইরে না যাওয়া এবং শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তৎপরতা জরুরি।
জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, ব্যাপক পর্যটক বরণ ও সামাল দিতে প্রশাসন এবং পর্যটন সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুত। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে কক্সবাজার ভ্রমণে কোনো সমস্যা নেই। পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বলেছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় পুলিশ সচেতনভাবে দায়িত্ব পালন করছে। ছুটির আমেজে পর্যটকদের পদচারণায় আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা। লাবণী পয়েন্টের এই জনসমাগম পর্যটননগরীর আকর্ষণ ও জনপ্রিয়তারই জানান দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক
মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও পূজার আয়োজন ঘুরে দেখেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব মোঃ আরিফুর রহমান ছোটন, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী, সদস্যসচিব মোস্তাফিজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাজান, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শরিফুল ইসলাম এবং উপজেলা ছাত্রদলের নাসিম, আবু হুসাইন সোহাগ, তাসিন, ইদ্রিস আলী, আবুল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্য সৌদি আরবকে রক্ষা করার জন্য যুদ্ধবিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে, যা ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সৌদি আরবের শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার উদ্দেশ্যে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ‘প্রতিরক্ষামূলক পাল্টা-বিমান অভিযান’ পরিচালনা করা হবে।
গত এক মাস ধরে হুতিরা সৌদি আরবের ওপর তাদের হামলা বৃদ্ধি করেছে। তারা তেল স্থাপনা ও বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে আসছে।
ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে সৌদি আরবকে আকাশপথে জ্বালানি সংগ্রহের সহায়তা প্রদান করছে এবং দেশের সুরক্ষায় সহায়তার জন্য আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও ব্রিটিশ কর্মী মোতায়েন করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, সৌদি আরবের দিকে নিক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলোকে ‘টাইফুন’ বিমানগুলো প্রতিহত করবে, তবে ইয়েমেনের ভেতরে কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান পরিচালনা করা হবে না।
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতি-নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে সৌদি হামলার প্রতিক্রিয়ায়, জুলাই মাসে হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ এবং সৌদি আরবের অভ্যন্তরে অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এই সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে ঢাকা আবাসিক হোটেল থেকে আবুল বাশার তালুকদার (৩৯) নামে এক স্কুলশিক্ষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে ভেদরগঞ্জ থানা-সংলগ্ন ঢাকা আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবুল বাশার গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার দেউলিয়াবাড়ি এলাকার মৃত জনাব আলী তালুকদারের ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরের খোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, আবুল বাশারের পূর্বপুরুষদের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চেয়ারম্যান বাজার এলাকায়। বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে রওনা হন তিনি। ওই দিন রাত ৮টা ৪০ মিনিটে স্ত্রীর সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয়। তখন তিনি নাঈম নামে এক বন্ধুর বাসায় রাতের খাবার খাচ্ছেন এবং সেখানেই থাকবেন বলে জানান।
এরপর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সোমবার সকাল থেকে স্ত্রী একাধিকবার ফোন করেও তার কোনো সাড়া পাননি। পরে দুপুর ৩টার দিকে আবুল বাশারের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, তিনি আহত হয়েছেন এবং চিকিৎসার জন্য দুই হাজার টাকা প্রয়োজন। পরিবারের সদস্যরা টাকা পাঠানোর নম্বর চাইলে তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর আবুল বাশারের রক্তাক্ত ছবি পাঠিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় বিষয়টি জানান। পরে তার মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্ত করে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আশপাশে তার অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা শরীয়তপুরে এসে ভেদরগঞ্জ থানা-পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা আবাসিক হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের বড় ভাই মনিরুল ইসলাম বলেন, "আমার ছোট ভাই বেড়াতে আসার জন্য শরীয়তপুরে যাওয়ার পর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর কয়েক দফায় তার হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি থানায় জানানোর পর মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ জানায়, সে ভেদরগঞ্জে রয়েছে। পরে আমরা এসে পুলিশের সহযোগিতায় একটি আবাসিক হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি।"
নিহতের ভাগনে মো. কবির হোসেন খান বলেন, "তার মামাকে অপহরণ করে টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে হত্যা করা হয়েছে।" এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুল আরেফিন বলেন, "ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।"
এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ