মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৯ পি.এম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সচিব ইসমাইল জবিউল্লাহ জন্মভূমি, শৈশবের স্মৃতি এবং মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে শিকড় ও মাতৃভূমির আত্মিক টানের মূল্য অপরিসীম। স্মৃতি এবং রক্তের টান অর্থ-সম্পদ দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অগ্রগতির স্বার্থে সকলের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমের রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকালে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় নিজের পৈতৃক বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় স্বজন এবং এলাকাবাসীর আয়োজনে সৌজন্য ও স্মৃতিচারণমূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, গণতন্ত্রে মতের ভিন্নতা, মতানৈক্য এবং মতবিরোধ থাকাটা স্বাভাবিক। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তবে দিন শেষে মনে রাখতে হবে, এই দেশ আমাদের, এ দেশের সার্বভৌমত্ব এবং ভূখণ্ড আমাদের। বিএনপির বর্তমান ভিশন এবং রাজনীতির মূল দর্শন হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না।
নিজের জন্মস্থানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, তার মা এই মাটিতেই শুয়ে আছেন। কাজের ব্যস্ততার কথা বললেও মাতৃভূমির টানেই বারবার ছুটে আসেন তিনি। পৈতৃক বাড়ির উঠান, বৈঠকখানা, পুকুরপাড় এবং তৎকালীন ‘শান্তির হাট’ ঘিরে থাকা স্মৃতিগুলো তার হৃদয়ে গভীরভাবে গাঁথা রয়েছে।
শৈশবে কমলনগরের ঐতিহ্যবাহী ভুলুয়া নদীতে মাছ ধরার স্মৃতি তুলে ধরে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রকৃতিকে বাধাগ্রস্ত করার কারণে ভুলুয়া নদী পলি জমে শুকিয়ে গেছে এবং এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।
ভুলুয়া নদীর নাব্যতা সংকট এবং আঞ্চলিক জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ সম্পর্কে ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের পক্ষ থেকে নদীটি পুনঃখননের বিষয়ে পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। অচিরেই ভুলুয়া নদী পুনঃখনন এবং সংস্কার প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিগত দিনের রাজনৈতিক নির্যাতন এবং কষ্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা অনেক অন্যায় এবং কষ্টের মধ্য দিয়ে সময় পার করেছেন। এখন নিজেদের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করার সময় এসেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর কাছে দোয়া এবং সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আলেকজান্ডার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সালাউদ্দিন মিঠু, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র হাসানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু এবং কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন।
মতবিনিময় সভা শেষে ইসমাইল জবিউল্লাহ হাজিরহাট ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আগত রোগীদের সুবিধার্থে পানির ফিল্টার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ হস্তান্তর করেন।
এ সময় কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান, কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল আলম, রামগতি থানার ওসি লিটন দেওয়ান, উপজেলা স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইকতারুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর জেলা পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন, রামগতি পৌর বিএনপির সভাপতি সাহেদ আলী পটু, কমলনগর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা নাহিদুল ইসলাম প্রিন্সসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মন্তব্য করেছেন যে, "গত ১৭ বছর নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ সর্বজনের, তার প্রমাণ দুর্গাপূজার এই উৎসব। সর্বজনের বাংলাদেশে জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া প্রয়োজন।’
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজবাড়ী জেলা শহরের হরিতলাসহ বিভিন্ন দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর আরও বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়াসহ সর্বক্ষেত্রে সবার অংশগ্রহণে দেশ এগিয়ে যাক।’
পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের কমিটির সদস্য, ভক্ত, দর্শনার্থী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তারিফ উল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান, রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান এবং হরিতলা মন্দিরের সভাপতি স্বপন কুমার সোমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আলজেরিয়া সফরে গেছেন, যা বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার উদ্দেশ্যে। তিনি গতকাল সোমবার (১৯ অক্টোবর) আলজিয়ার্সের হুয়ারি বুমেদিয়েন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এই সফরটি ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
সফররত বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জ্বালানি খাতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আলজেরিয়ার হাইড্রোকার্বন ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের প্রেসিডেনশিয়াল ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশের জ্বালানিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান দেশটির রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী এবং হাইড্রোকার্বন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আরকাব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলজেরিয়ার হাইড্রোকার্বন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা চলাকালে বাংলাদেশের জ্বালানিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক বন্ধন জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।
এই সফরের সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল আলজেরিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। বৈঠকগুলোতে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিনিয়োগ অংশীদারি গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও গ্যাস উৎপাদন, জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতা বাড়ানোর উপায়ও আলোচনায় স্থান পাবে।
আলজেরিয়া সফরকে দুই দেশের জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরো বিস্তৃত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেল ও গ্যাস খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে অংশীদারত্ব জোরদার করাই এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে একটি সুখবর পেয়েছে। তারা আগের অবস্থান থেকে এক ধাপ উন্নতি করে ১০৭ থেকে ১০৬ নম্বরে উঠে এসেছে ঋতুপর্ণা চাকমাদের নেতৃত্বে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ফিফা কর্তৃক প্রকাশিত নারী ফুটবলের সর্বশেষ র্যাঙ্কিং-এ এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল টানা দুই ম্যাচে ১৬ গোল হজম করে। উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে ১০-০ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ৬-০ ব্যবধানে হারের পর র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা ছিল।
উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে হারের ফলে বাংলাদেশের পয়েন্ট ০.০৬ কমে যায় এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ০.২৮ কমে। কারণ, র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান প্রায় ১০০ ধাপ।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বাংলাদেশ। এই ড্রয়ের ফলে বাংলাদেশের র্যাঙ্কিং পয়েন্ট ৪ দশমিক ৬৪ বেড়ে যায়। ফলে বাংলাদেশের মোট পয়েন্ট ১১৭৫ দশমিক ৩৫ দাঁড়ায়।
গত বছর এশিয়া কাপের বাছাইপর্বে মিয়ানমারকে পরাজিত করে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। ওই জয়ের ফলে র্যাঙ্কিংয়ের সংশ্লিষ্ট উইন্ডোতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি উন্নতি ঘটে এবং ফিফার শিরোনামেও স্থান করে নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই বিতর্কটি শুরু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জমজম ব্রাদার্সের একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে, অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্প সম্পর্কে তার পূর্বে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে তার কোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক সম্পৃক্ততাও নেই।
মাহমুদউল্লাহ আরও জানিয়েছেন, তার অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তিনি বলেন, অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন বা বিভ্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। ওই পোস্টে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের জাতীয় দলের এক সাবেক ক্রিকেটার ভানুয়াতুর নাগরিকত্বে বিনিয়োগের বিষয়টি প্রচার করছেন। তিনি এ ধরনের বিনিয়োগের অর্থ বিদেশে পাঠানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো পরিচিত একজন ক্রিকেটারের এমন প্রচারে যুক্ত থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সায়েরের পোস্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বৃদ্ধি পায়। এরপরই মাহমুদউল্লাহ জমজম ব্রাদার্সকে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। তার অনুরোধের পর, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে সাবেক এই অধিনায়ক পুরো ঘটনা ব্যাখ্যা করেন। মাহমুদউল্লাহ লিখেছেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই। কিছুদিন আগে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়। তাদের আমন্ত্রণে একদিন তাদের অফিসে গেলে, তারা তাদের একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে আমার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের ব্যবসায়িক এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।’
নিজের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সব সময় বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা কোনো ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।’
ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার কথাও জানিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকব, ইনশাআল্লাহ। সবার ভালোবাসা, সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ