ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কর ফাঁকির জরিমানায় দালিলিক প্রমাণ বাধ্যতামূলক : এনবিআর


কর ফাঁকির জরিমানায় দালিলিক প্রমাণ বাধ্যতামূলক : এনবিআর

কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য শুধুমাত্র করদাতার আয় প্রাক্কলন করলেই যথেষ্ট হবে না। কর ফাঁকি হয়েছে, এমন প্রমাণ হিসেবে আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা বা অসত্যভাবে প্রদর্শনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জরিমানা আরোপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট করদাতার শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানকে বাধ্যতামূলক করেছে।

এনবিআরের পক্ষ থেকে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২-এর প্রয়োগ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। গতকাল (২ সেপ্টেম্বর) এনবিআর-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষরিত আদেশটি প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর আইনের অংশ-১৯ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতা বা ব্যক্তির শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।

যদি কোনো করদাতার আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন করা হয় অথবা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শন করা হয়, তাহলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক।

এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, জরিমানা আরোপের পূর্বে সংশ্লিষ্ট উপ-কর কমিশনারকে প্রথমে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা সম্পর্কে রায় দিতে হবে। যদি জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা পাওয়া যায়, তবে একই করাদেশে জরিমানা আরোপ করতে হবে।

অন্যদিকে, যদি জরিমানার প্রযোজ্যতা না থাকে, তাহলে কোনো জরিমানা আরোপ করা যাবে না।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

আদেশে চাকরি থেকে আয়, বাড়ি বা সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, মূলধনী আয়, আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয় এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের ক্ষেত্রে ধারা ২৭২ প্রয়োগের বিষয়টি আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, উল্লিখিত কোনো খাতের আয় গোপন করা বা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে।

তবে যদি করদাতা কোনো আয় গোপন না করে এবং অসত্যভাবে প্রদর্শন না করে, বরং কোনো করযোগ্য আয়কে করমুক্ত হিসেবে প্রদর্শন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইনগত বিধান অনুসরণে ব্যর্থ হলে অথবা আইন অনুযায়ী কোনো করমুক্ত আয় করযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে, তখন শুধুমাত্র এসব কারণে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে না।

এনবিআর বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে, ভাড়া থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, মূলধনী আয় ও আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

শুধুমাত্র কর কর্তৃপক্ষের আয় প্রাক্কলনের ভিত্তিতে জরিমানা আরোপ করা যাবে না। ভাড়া থেকে আয়ের ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির যৌক্তিক ভাড়ামূল্য প্রাক্কলন করাও জরিমানা আরোপের একক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না।

‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’-এর ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আয়কর আইনের ধারা ৬৬-এ উল্লিখিত অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের কোনো খাত গোপন বা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে।

তবে গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ প্রাক্কলন করে কোনো করদাতার বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা যাবে না।

এনবিআরের আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর আইনের ধারা ৬৭-এর উপধারা (৩) ছাড়া অন্য কোনো উপধারা প্রয়োগের কারণে কোনো করদাতার ক্ষেত্রে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ উদ্ভূত হলে ওই আয়ের ওপর ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তবে ধারা ৬৭-এর উপধারা (৩) প্রয়োগের কারণে ‘অন্যান্য উৎস থেকে আয়’ সৃষ্টি হলে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।

এক্ষেত্রে শুধুমাত্র আয় প্রাক্কলন যথেষ্ট হবে না। কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের জন্য গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকা আবশ্যক বলেও আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

নতুন এই নির্দেশনার ফলে কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে কর কর্মকর্তাদের দালিলিক প্রমাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে করদাতার বক্তব্য শোনার সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে কর প্রশাসনে জবাবদিহি ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপি’র অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৯ জন গ্রেফতার, মামলা ৬৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


ডিএমপি’র অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৯ জন গ্রেফতার, মামলা ৬৪

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৬৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২২ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ২২ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৩৯ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৬২ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৪৪ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৫ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৯ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযান চলাকালীন ৮২২ পিস ইয়াবা, ১৯ কেজি ১৮৫ গ্রাম গাঁজা এবং ৮৮ বোতল এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬৪ উপজেলায় ৬৪০ তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


৬৪ উপজেলায় ৬৪০ তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, যার উদ্দেশ্য উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণ-তরুণীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা। এই উদ্যোগের নাম ‘উদ্যোগ উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’। প্রাথমিকভাবে, দেশের আট জেলার ৬৪ উপজেলায় ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে। প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হবে। ধারাবাহিকভাবে দেশের অন্যান্য জেলার উপজেলাতেও এই কর্মসূচিটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন ও সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ‘উদ্যোগ’ একটি প্রতিযোগিতামূলক কর্মসূচি নয়। এর আওতায় তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের বিদ্যমান শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে উপজেলা পর্যায়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করবে এবং চিহ্নিত করবে। পরে তাদের ব্যবসায়িক ধারণা ও প্রকৃত অর্থায়নের প্রয়োজন যাচাই করে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হবে।

সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার প্যাকেজ

নির্বাচিত প্রতিটি উদ্যোক্তা তার প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার একটি অর্থায়ন প্যাকেজ পাবেন। এর অর্ধেক হবে ব্যাংকঋণ এবং বাকি অর্ধেক অনুদান। গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদ বা মুনাফার হার হবে সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৭ শতাংশ। এ ঋণের বিপরীতে কোনো সহায়ক জামানত বা সম্পত্তি বন্ধক রাখার প্রয়োজন হবে না।

তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অনুদানের অর্থ সুদবিহীন ঋণে রূপান্তরিত হবে। একই সঙ্গে ঋণ হিসাবটি প্রচলিত নিয়মে শ্রেণিকৃত হবে। সে ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতাকে খেলাপি হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হারাবেন।

বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর

বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখে যাদের বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর এবং যারা সংশ্লিষ্ট উপজেলার বাসিন্দা, তারাই এ কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আগে থেকেই ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক নয়। একটি বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক ধারণা থাকলেই আবেদন করা যাবে।

কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, সেবা কিংবা প্রযুক্তিনির্ভর- সব ধরনের বৈধ উদ্যোগকে সমানভাবে বিবেচনা করা হবে। আবেদন করতে কোনো ফি লাগবে না। সংশ্লিষ্ট উপজেলায় অবস্থিত যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

১৬ সেপ্টেম্বর জারি হবে বিস্তারিত নির্দেশনা

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিস্তারিত নির্দেশনাসংবলিত সার্কুলার আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা হবে। সার্কুলার জারির পরবর্তী এক মাস আবেদন জমা দেওয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

প্রথম ধাপে ৮ জেলার ৬৪ উপজেলা

প্রাথমিকভাবে আটটি জেলার ৬৪ উপজেলায় ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি শুরু হবে। জেলাগুলো হলো- মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনা। প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে মোট ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে প্রথম ধাপে নির্বাচিত করা হবে। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য জেলার উপজেলাগুলোতেও এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

অর্থায়নের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও মেন্টরিং

শুধু অর্থায়নেই কর্মসূচির কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে না। নির্বাচিত উদ্যোক্তারা উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ মেন্টরের ধারাবাহিক পরামর্শ, ব্যবসা নিবন্ধন ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা এবং বাজারসংযোগের সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যাশা, একজন সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে তিন থেকে পাঁচজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন। ফলে ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও সিটিতে জায়গা হলো না, টানা দ্বিতীয় মৌসুমে এভারটনে গ্রিলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


আবারও সিটিতে জায়গা হলো না, টানা দ্বিতীয় মৌসুমে এভারটনে গ্রিলিশ

ম্যানচেস্টার সিটির পরিকল্পনায় জ্যাক গ্রিলিশের জন্য আবারও জায়গা হয়নি। ফলে, টানা দ্বিতীয় মৌসুমের জন্য ইংল্যান্ডের এই তারকা ফুটবলার ধারে এভারটনে যোগ দিয়েছেন।

গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষ দিনে, গত মঙ্গলবার, গ্রিলিশের পুরো মৌসুমের জন্য এভারটনে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দুই ক্লাব। পাঁচ বছর আগে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়ে আকাশছোঁয়া প্রত্যাশা নিয়ে এসেছিলেন গ্রিলিশ। ক্লাবটির সাফল্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।

তবে, চোট এবং ফর্মহীনতার কারণে গত কয়েক মৌসুমে গ্রিলিশকে আর দেখা যায়নি। বর্তমানে সিটির মূল স্কোয়াডে জায়গা ধরে রাখার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে ৩০ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারকে। গত মৌসুমের শুরুতে সিটির স্কোয়াডে জায়গা হারিয়ে তিনি ধারে এভারটনে যোগ দিয়েছিলেন। নতুন ক্লাবে তার শুরুটা ছিল দারুণ, গত বছরের আগস্টে প্রিমিয়ার লিগের মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছিলেন তিনি।

তবে বছরের শুরুতে পায়ের চোটে তার ছন্দপতন ঘটে। দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকার পর তিনি আর আগের অবস্থায় ফিরতে পারেননি। গত মৌসুমে এভারটনের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গ্রিলিশ ২ গোল ও ৬টি অ্যাসিস্ট করেন।

নতুন মৌসুমে সিটির স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়ায় তাকে আবারও ধারের পথ বেছে নিতে হলো। এবারও তার ঠিকানা এভারটন। সেখানে নতুন করে নিজেকে ফিরে পাওয়ার চ্যালেঞ্জ তার সামনে রয়েছে।

গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ১৩তম হয়ে শেষ করা এভারটন এবার শুরু করেছে বেশ ভালোভাবে। প্রথম ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে ২-০ গোলে হারানোর পর বোর্নমাউথের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা। এমন শুরুর পর গ্রিলিশকে দলে পেয়ে আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী করার আশা করছে দলটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০০ বছরে এই প্রথম জীবিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মুদ্রায় ট্রাম্পের ছবি, বিতর্ক কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


১০০ বছরে এই প্রথম জীবিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মুদ্রায় ট্রাম্পের ছবি, বিতর্ক কেন?

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ২৫০ বছর বর্ষপূর্তি উদযাপনের প্রেক্ষাপটে, দেশটির টাকশাল একটি বিশেষ স্মারক মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি শুরু করেছে, যা বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখাবয়ব সংবলিত ১ ডলারের। এটি এক শতাব্দীর মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো পদে বহাল থাকা আমেরিকান প্রেসিডেন্টের ছবি মার্কিন ধাতব মুদ্রায় স্থান পেল।

গত জুলাই মাসে, ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এই স্বর্ণালি রঙের মুদ্রাটির নকশা উন্মোচন করেছিলেন। মুদ্রাটির এক পাশে ট্রাম্পের প্রতিকৃতি খোদাই করা হয়েছে, যার সাথে যুক্ত রয়েছে ‘লিবার্টি’, ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’ এবং ‘১৭৭৬-২০২৪’ লেখাগুলো। অন্য পাশে প্রেসিডেন্সিয়াল সিল মোহরের সচিত্র উপস্থাপনার পাশাপাশি 'ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা' এবং 'ওয়ান ডলার' খোদাই করা হয়েছে। এর আগে, ১৯২৬ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজের ছবি মার্কিন মুদ্রায় ছাপা হয়েছিল, এবং ঠিক ১০০ বছর পর ট্রাম্প প্রশাসন আবারও একই ঘটনা পুনরাবৃত্তি করেছে।

আইনগত দিক থেকে, এই বিশেষ স্মারক মুদ্রাটি মার্কিন আইনে সম্পূর্ণ আইনি দরপত্র হিসেবে স্বীকৃত এবং এর অভিহিত মূল্য ১ ডলার। তবে, ইউএস মিন্ট (টাকশাল) এটিকে প্রধানত সংগ্রাহকদের জন্য একটি পণ্য হিসেবে প্রচার করছে এবং বেশ চড়া মূল্যে বিক্রি করছে। উদাহরণস্বরূপ, সংগ্রাহকরা ২৫টি মুদ্রার একটি রোল ৬১ ডলারে এবং ১০০টি মুদ্রার একটি ব্যাগ ১৫৪.৫০ ডলারে কিনতে পারছেন। প্রতি পরিবার থেকে সর্বাধিক দুটি রোল বা ব্যাগ কেনার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও মুদ্রাটি খাঁটি সোনার মতো দেখতে, ট্রেজারি বিভাগ স্পষ্ট করেছে যে ০.২৮৬ আউন্সের এই ধাতব মুদ্রায় কোনো মূল্যবান ধাতু নেই; মূলত এটি ম্যাঙ্গানিজ ব্রাসের সংমিশ্রণে তৈরি। ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এই মুদ্রা লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণে বাধ্য নয়, কারণ মার্কিন আইনে ব্যবসায়ীদের নিজেদের অর্থ পরিশোধের নীতি নির্ধারণের স্বাধীনতা রয়েছে।

এদিকে, মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি ব্যবহারের এই পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র আইনগত বিতর্ক ও রাজনৈতিক ঝড় উঠেছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করেছেন, বলছেন যে, বর্তমান মার্কিন আইনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে কেবল মৃত ব্যক্তির প্রতিকৃতিই আমেরিকার অর্থ ও সিকিউরিটিজে ব্যবহার করা যেতে পারে। অরেগন ও নেভাদার ডেমোক্রেটিক আইনপ্রণেতারা ট্রাম্পের ছবি মুদ্রায় বন্ধের জন্য ইতিবাচক বিল আনার পাশাপাশি অনুদান বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেন, যিনি রাজতন্ত্রের প্রতীক মনে করে মুদ্রায় নিজের ছবি বসানোর বিরোধিতা করেছিলেন। তাদের মতে, জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি মুদ্রায় বসানো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।

আইনগত জটিলতা ও সমালোচনার জবাবে, ট্রাম্প প্রশাসন ও ট্রেজারি বিভাগ তাদের অবস্থানের সপক্ষে কৌশলগত যুক্তি প্রদান করেছে। তারা দাবি করেছে যে, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে পাস হওয়া ‘সার্কুলেটিং কালেক্টেবল কয়েন রিডিজাইন অ্যাক্ট ২০২০’-এর ফাঁকফোকর ব্যবহার করে, আইনটি মুদ্রার উল্টো পিঠে জীবিত ব্যক্তির ছবি নিষেধ করলেও সামনের অংশে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। আইন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মিন্টের এই যুক্তিকে আইনি প্যাঁচ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, পদ্ধতিগত পর্যালোচনা সংস্থাগুলোর যথাযথ অনুমোদন না পাওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনিক চাপের কারণে মুদ্রাটি বাজারে আনা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইন লঙ্ঘিত হলেও এর কার্যকারিতা নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা কঠিন, কারণ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করে আদালতে মামলা করার মতো উপযুক্ত কোনো পক্ষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

সূত্র: টাইটম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%