রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৮ পি.এম
প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশ্বাস দিয়েছেন যে, শহীদ পরিবারগুলোর সার্বিক কল্যাণ এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন ও আহত হয়েছেন, জাতি তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলবে না।"
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রেসিডেন্ট এই আশ্বাস প্রদান করেন। সাক্ষাৎকালে মুগ্ধের পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এবং পরিবারের সদস্য মাহফুজা জাফরিন আরিবা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রেসিডেন্ট পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে মুগ্ধের পরিবারের সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণ, পুনর্বাসন এবং আহতদের চিকিৎসায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে। তারা শহীদ ও আহতদের পরিবারের কল্যাণে সরকারের গৃহীত কার্যক্রমগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধও জানান।
এ সময় পরিবারের সদস্যরা গেজেট প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত ৮৪৫ জন জুলাই শহীদের নামসংবলিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের একটি রেপ্লিকা প্রেসিডেন্টকে উপহার দেন।
প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, "দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, জাতি তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলবে না।"
প্রেসিডেন্ট শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার পল্লবী থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিননামা জমা দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
রোববার, ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে তিনি সশরীরে জামিননামা জমা দেন। জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার হওয়া এই রাজনীতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, গাজী নজরুল ইসলাম উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন পেয়েছেন। আজ আদালতে তিনি জামিননামা জমা দেন।
অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ২১ জুলাই গাড়ি চালক ওবায়দুর রহমান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল ইসলাম।
মামলার আসামিরা হলেন- গাজী নজরুল ইসলাম (৭৪), আমিনুর রহমান (৫৫), মাসুম বিল্লাহ (৪১), মোতাসসিম বিল্লাহ (২৫) ও রাকিবুল হাসান (৩০)।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, বাদী ওবায়দুর রহমান পল্লবীর কালশী এলাকার ‘রোজগার্ডেন টাওয়ার’-এ তার বোনের বাসায় বসবাস করতেন। তিনি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগনির অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ওবায়দুর তার পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
বাদীর অভিযোগ, সম্প্রতি মগবাজারের একটি চক্র নজরুল ইসলাম ও তার ভাগনির কিছু ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সংগ্রহ করে নজরুলকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। নজরুল ইসলামের ধারণা হয়, ওবায়দুরই গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও ওই চক্রের হাতে তুলে দিয়েছেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা ওবায়দুরের ওপর হামলা চালায়।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওবায়দুর বলেন, ওই দিন বেলা ১১টার দিকে আসামি আমিনুর রহমান তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিরা মিলে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। ওবায়দুরের মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম এগিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় ওবায়দুর স্থানীয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, হামলার পর থেকে আসামিরা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (সিএমএসএমই) খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনার অধীনে, দেশের কার্যরত সব ফাইন্যান্স কোম্পানি পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের জন্য যোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্তগুলো পালন করা আবশ্যক।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৮ জুন জারি করা সার্কুলারের আওতায় দেশের কার্যরত সব ফাইন্যান্স কোম্পানি পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যোগ্যতা অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোকে ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ জারি করা সার্কুলারের ১৪.৪.২ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং একই বছরের ১২ নভেম্বর জারি করা সার্কুলারের ২ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত শর্তগুলো পালন করতে হবে।
অর্থাৎ, পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেও সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বনির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত মেনে চলতে হবে। ফলে, পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত কাঠামো অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৮ জুন জারি করা সার্কুলারের ০৪-এর অন্যান্য নির্দেশনাও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে। তাই, শুধুমাত্র পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করাই নয়, সংশ্লিষ্ট সার্কুলারে থাকা অন্যান্য নির্দেশনাগুলোও অংশগ্রহণকারী ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোকে যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩-এর ৪১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সিএমএসএমই খাত দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ খাতের ব্যবসা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চলতি মূলধনের জোগান নিশ্চিত করা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনার ফলে দেশের কার্যরত ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন ব্যবস্থার আওতায় আসার সুযোগ পাবে।
তবে, সার্কুলারে পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মোট আকার, সুদের হার, ঋণগ্রহীতার জন্য নির্ধারিত সুদহার, পৃথক খাতে বরাদ্দ কিংবা কত অর্থ বিতরণ করা হবে—এসব বিষয়ে নতুন করে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। নির্দেশনার মূল বিষয় হলো, ৮ জুনের সার্কুলার নং-০৪-এর আওতায় ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর যোগ্যতা এবং অংশগ্রহণের শর্ত স্পষ্ট করা।
নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচিতে ব্যাংকের পাশাপাশি ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগকে আরও স্পষ্ট করা হলো। ফলে, নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো এই কর্মসূচির আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাওয়ার জন্য বিবেচিত হতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডায় বসবাসরত প্রবাসীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য দ্রুত সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কানাডার টরেন্টোতে ডানফোর্থ এলাকার বিডি ফিউশনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ আহ্বানটি উত্থাপিত হয়। এই সেমিনারটি হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) কানাডা শাখার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
এইচআরপিবির কানাডা শাখার সভাপতি আফিয়া বেগমের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ শহীদ উদ্দিন, কানাডার ডিপ্লোম্যাটিক প্রটোকল কনসালটেন্ট রশিদ খান, কমিউনিটি নেতা ব্যারিস্টার আলমগীর, মন্ট্রিল এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মোরসালিন, ক্লাইমেট চ্যানেল এর সিইও সঞ্জয় চাকি এবং কানাডার লিভারেল পার্টির ভাইস প্রেসিডেন্ট এহসানুল হাফিজ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এইচআরপিবি কানাডা শাখার সেক্রেটারি সালমান আরেফিন।
সেমিনারে বক্তারা কানাডাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের দেশে সম্পত্তিসহ অন্যান্য অধিকারের বিষয়ে আইনগত প্রতিকার সহজলভ্য করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং এজন্য বাংলাদেশ সরকারের নিকট প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশে একটি প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান জানান।
বক্তারা এসময় বাংলাদেশি কমিউনিটির মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কানাডা সরকারের সহযোগিতাও কামনা করেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইচআরপিবির প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, "বাংলাদেশে প্রবাসীরা সম্পত্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সমস্ত অনিয়মের সম্মুখীন হন এবং তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়, সে সকল ক্ষেত্রে এইচআরপিবির পক্ষ থেকে আইনগত সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা যায়, প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রচলিত আইনগত প্রতিকারের দীর্ঘসূত্রিতা তাদের অধিকার বঞ্চিত করছে।
তিনি বলেন, "প্রবাসীদের বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত সমাধান প্রয়োজন এবং এ কারণেই আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, যেন অতি দ্রুত বাংলাদেশে প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।" অন্যথায়, তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশে প্রবাসীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ও রেমিটেন্স প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং এর ফলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে আফিয়া বেগম বলেন, "কানাডায় বসবাসকারী প্রবাসীরা অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশে তাদের সহায়-সম্পত্তি বা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতার সম্মুখীন হন এবং তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়।" তিনি বাংলাদেশে প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল গঠন করে প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের একটি পরিত্যক্ত তেলের পাম্পে সুরমান আলী (৪৫) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে দিনেদুপুরে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
সুরমান আলী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ভারচান্দা এলাকার আবু হানিফের পুত্র এবং গালা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি পরিত্যক্ত পাম্পের সামনে সুরমান আলীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী জানান, ঘটনাস্থল থেকে ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও কারা জড়িত রয়েছে সে বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ