সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫০ পি.এম
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃক নির্মিত ৩৩০০০/১১০০০ ভোল্ট এবং ১০/১৪ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন এ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
উপাচার্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, "এ উপকেন্দ্র চালুর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হলো এবং এর মাধ্যমে নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান হবে বলে আমি মনে করি।"
আরো পড়ুন
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "একমাত্র জাতীয় গ্রিডের সমস্যা অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যতীত এই উপকেন্দ্রের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।" উপাচার্য এ সময় শিক্ষার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের আরো পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও পরিচালক (অ.দা) মো. জামাল হোসেন এবং পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) প্রকৌ. মোহাম্মদ শরীফ হোসেন। এছাড়া, নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) এর ডিজিএম ও পবিস সোনাপুর, নোয়াখালীর ডিজিএমসহ নোবিপ্রবির শিক্ষক ও কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলার ধান ও সবজি খেতের কৃষকরা অধিক ফলনের প্রত্যাশায় কীটনাশক প্রয়োগের ফলে বাতাসে কীটনাশকের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। গ্রামীণ এলাকার ফসলের মাঠে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে কৃষকদের জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে দেখা যাচ্ছে। এই কারণে জমির আশপাশে চলাচলকারী পথচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি, কীটনাশকের সংস্পর্শে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা করছে জনসাধারণ।
কৃষকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ধান ও সবজি খেতে পোকামাকড়ের আক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফসল রক্ষার্থে ঘন ঘন কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়। ফলে জমির আশপাশের রাস্তা, ঘরবাড়ি এবং জনবসতিপূর্ণ গ্রামীণ জনপদে কীটনাশকের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে কৃষিজমির পাশ দিয়ে চলাচলরত অনেক লোককে নাকে-মুখে রুমাল দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দারা জানান, অনেকেই সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করেন। এর ফলে বাতাসে সেই গন্ধ আশপাশের লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শিশু, বয়স্ক এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে, যাদের নাকে-মুখে রুমাল দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অনেকের আশঙ্কা, অনিয়ন্ত্রিতভাবে কীটনাশক ব্যবহারে পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, ধানসহ শাক সবজি উৎপাদনে পোকামাকড় দমন জরুরি। কিন্তু এই কারণ এবং অধিক ফলনের আশায় জমিতে অতি মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগের বিরূপ প্রভাব শুধুমাত্র ফসলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া, কীটনাশক প্রয়োগের সময় পাশের লোকজনের সংস্পর্শে আসার কারণে বিষক্রিয়া হতে পারে। এজন্য কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পরামর্শ এবং কৃষকদের কীটনাশক ব্যবহারে সতর্ক করার পাশাপাশি নির্ধারিত মাত্রা, সঠিক সময় এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়ে সচেতন করার জন্য কৃষি বিভাগের কৃষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু করা প্রয়োজন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, কৃষিজমিতে অতিরিক্ত বা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে কীটনাশক প্রয়োগ মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। কীটনাশক প্রয়োগের ফলে সংস্পর্শ, শ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ অথবা দূষিত পরিবেশের সংস্পর্শে আসার কারণে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যারা কীটনাশক প্রয়োগ করেন, তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
কৃষকদের নিরাপত্তা এবং জমির আশপাশের মানুষের কথাও বিবেচনায় রেখে কীটনাশক প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনুমোদিত কীটনাশক, নির্ধারিত মাত্রা এবং ব্যবহারের নির্দেশনা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
জেলা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাগণ বলেন, ধানখেতে মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। তবে পোকা দেখা দিলেই অতিরিক্ত মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করা সমাধান নয়। জমির অবস্থা এবং পোকার উপস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। কৃষি বিভাগ শুধুমাত্র রাসায়নিক কীটনাশকের ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সাংবাদিকের ওপর হামলা-মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি আটকের পরপরই জামিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আদালত ঘেরাও করে বিক্ষোভে অংশ নেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঘেরাও করেন তারা।
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আদালতে প্রবেশের সময় পুলিশের সঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে হট্টগোল ও উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে গেট ঠেলে আদালত চত্বরে প্রবেশ করে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও স্লোগান দিতে শুরু করেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
সিনিয়র সাংবাদিক হাসান আলী সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-মামুন সাগর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান ডাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু মনি জুবায়েদ রিপনসহ কুষ্টিয়া কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরা।
এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, এজাহারভুক্ত আসামিদের জামিন বাতিল করতে হবে এবং বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা উচিত। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এর আগে, শনিবার কুমারখালী পৌরসভার একটি সড়ক নির্মাণে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহের সময় বাংলা টিভির উপজেলা প্রতিনিধি মাহবুবুল আহসান উল্লাসের ওপর হামলা চালান কুষ্টিয়া-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেনের ভাই আনোয়ার হোসেন ও কথিত পিএস মারুফসহ তার লোকজন। এ ঘটনায় ওই দিনই থানায় এমপির ছেলে, ভাই ও পিএসসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা আইনে মামলা করেন উল্লাস। এ মামলায় অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যেসব সন্তান নিয়মিত স্কুলে যাবে জেলে পরিবারের। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জেলে জনগণের জীবনমানের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে হলে তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা আবশ্যক।
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের কাঠঘর এলাকায় জেলেদের নিয়ে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক সভায় জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, "আমরা যদি আমাদের ভাগ্য, আমাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে চাই, একমাত্র যে মাধ্যম আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, সেটি হচ্ছে শিক্ষা।" তিনি মন্তব্য করেন, অন্যান্য জনগণের জীবনমানে পরিবর্তন এলেও জেলে জনগণ এখনো কাঙ্ক্ষিতভাবে এগোতে পারেনি। জেলা প্রশাসক জোর দেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম একইভাবে জীবনযাপন না করে জেলে পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা ও দক্ষতায় এগিয়ে নেওয়ার ওপর।
জেলা প্রশাসক জানান, জেলে পরিবারের শিশুদের জন্য স্বপ্নীল ফাউন্ডেশনের সহায়তায় একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্কুলটিতে প্রয়োজনীয় বেঞ্চ, দরজা-জানালাসহ অন্যান্য উপকরণ দ্রুত সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিভাবকদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "স্কুল দাঁড় করালাম, কিন্তু সেখানে আপনাদের সন্তানরা যদি না যায়, তাহলে কিন্তু হলো না। আপনাদের সন্তানদের পাঠাতে হবে।"
এরপর প্রণোদনার উদ্যোগের কথা জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, "আপনাদের যাদের সন্তান স্কুলে পড়ালেখা করবে, তাদের জন্য আমরা ইনশাআল্লাহ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরেকটি প্রণোদনা দেওয়ার চেষ্টা করব। তবে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার সন্তানটি নিয়মিত স্কুলে যায়।"
জেলেদের নিরাপত্তায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, জেলেরা সাগরে কোথায় অবস্থান করছেন, পরিবারের সদস্যরা যেন তা জানতে পারেন, এমন প্রযুক্তির সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
ইলিশকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, এটি রক্ষার দায়িত্ব শুধু প্রশাসন, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী বা নৌ পুলিশের নয়; জেলেসহ সবাইকে এ দায়িত্ব নিতে হবে।
তিনি বলেন, "আমরা আমাদের ইলিশকে নিয়ে অবশ্যই গর্ব করি। আমরা চাই না যে আমাদের ইলিশ কোনোভাবে হারিয়ে যাক।"
মা ইলিশ সংরক্ষণে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার কথা উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি জানান, এ সময় জেলে পরিবারগুলো আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে—সরকার ও প্রশাসন এ বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত।
জেলেদের সহায়তা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে জানিয়ে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারে রয়েছে। নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বা জাটকা ধরার তথ্য পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও নৌ পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত আগস্ট মাসে ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করার পর, চলতি সেপ্টেম্বর মাসে আবারও এই কঠোর পদক্ষেপ নিল মার্কিন জায়ান্টটি, যিনি আইফোন নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্তটি এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপলের বিশেষ পরিষেবা ‘ফিটনেস প্লাস’ (Fitness+) টিমের বেশ কিছু কর্মী তাদের চাকরি হারিয়েছেন। মূলত অডিও বিভাগের সাথে যুক্ত কর্মীদের ওপর এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে। ‘টাইম টু টক’ এবং ‘টাইম টু রান’-এর মতো জনপ্রিয় ফিচারগুলো পরিচালনা করত এই বিভাগটি, যা অ্যাপল ওয়াচ ব্যবহারকারীদের জন্য নির্দেশিকা ও অনুপ্রেরণামূলক অডিও কনটেন্ট সরবরাহ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিভাগে কর্মী কমানোর ফলে নতুন অডিও কনটেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া কিছুটা ধীর হতে পারে। তবে অ্যাপল স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা বা ফিচারগুলো এখনই বন্ধ করা হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, 'ফিটনেস প্লাস' অ্যাপলের একটি সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চাবিষয়ক সেবা। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (AI) বেশ কিছু ফিচারের ওপরও এই বিভাগের কাজের ভূমিকা ছিল। বর্তমান প্রযুক্তি বাজারে অ্যাপলের এই ঘন ঘন ছাঁটাইয়ের খবর সিলিকন ভ্যালিতে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ