সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৫ পি.এম
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যেসব সন্তান নিয়মিত স্কুলে যাবে জেলে পরিবারের। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জেলে জনগণের জীবনমানের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে হলে তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা আবশ্যক।
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের কাঠঘর এলাকায় জেলেদের নিয়ে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক সভায় জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, "আমরা যদি আমাদের ভাগ্য, আমাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে চাই, একমাত্র যে মাধ্যম আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, সেটি হচ্ছে শিক্ষা।" তিনি মন্তব্য করেন, অন্যান্য জনগণের জীবনমানে পরিবর্তন এলেও জেলে জনগণ এখনো কাঙ্ক্ষিতভাবে এগোতে পারেনি। জেলা প্রশাসক জোর দেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম একইভাবে জীবনযাপন না করে জেলে পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা ও দক্ষতায় এগিয়ে নেওয়ার ওপর।
জেলা প্রশাসক জানান, জেলে পরিবারের শিশুদের জন্য স্বপ্নীল ফাউন্ডেশনের সহায়তায় একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্কুলটিতে প্রয়োজনীয় বেঞ্চ, দরজা-জানালাসহ অন্যান্য উপকরণ দ্রুত সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিভাবকদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "স্কুল দাঁড় করালাম, কিন্তু সেখানে আপনাদের সন্তানরা যদি না যায়, তাহলে কিন্তু হলো না। আপনাদের সন্তানদের পাঠাতে হবে।"
এরপর প্রণোদনার উদ্যোগের কথা জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, "আপনাদের যাদের সন্তান স্কুলে পড়ালেখা করবে, তাদের জন্য আমরা ইনশাআল্লাহ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরেকটি প্রণোদনা দেওয়ার চেষ্টা করব। তবে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার সন্তানটি নিয়মিত স্কুলে যায়।"
জেলেদের নিরাপত্তায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, জেলেরা সাগরে কোথায় অবস্থান করছেন, পরিবারের সদস্যরা যেন তা জানতে পারেন, এমন প্রযুক্তির সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
ইলিশকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, এটি রক্ষার দায়িত্ব শুধু প্রশাসন, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী বা নৌ পুলিশের নয়; জেলেসহ সবাইকে এ দায়িত্ব নিতে হবে।
তিনি বলেন, "আমরা আমাদের ইলিশকে নিয়ে অবশ্যই গর্ব করি। আমরা চাই না যে আমাদের ইলিশ কোনোভাবে হারিয়ে যাক।"
মা ইলিশ সংরক্ষণে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার কথা উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি জানান, এ সময় জেলে পরিবারগুলো আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে—সরকার ও প্রশাসন এ বাস্তবতা সম্পর্কে অবগত।
জেলেদের সহায়তা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে জানিয়ে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারে রয়েছে। নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বা জাটকা ধরার তথ্য পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও নৌ পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত আগস্ট মাসে ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করার পর, চলতি সেপ্টেম্বর মাসে আবারও এই কঠোর পদক্ষেপ নিল মার্কিন জায়ান্টটি, যিনি আইফোন নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্তটি এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপলের বিশেষ পরিষেবা ‘ফিটনেস প্লাস’ (Fitness+) টিমের বেশ কিছু কর্মী তাদের চাকরি হারিয়েছেন। মূলত অডিও বিভাগের সাথে যুক্ত কর্মীদের ওপর এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে। ‘টাইম টু টক’ এবং ‘টাইম টু রান’-এর মতো জনপ্রিয় ফিচারগুলো পরিচালনা করত এই বিভাগটি, যা অ্যাপল ওয়াচ ব্যবহারকারীদের জন্য নির্দেশিকা ও অনুপ্রেরণামূলক অডিও কনটেন্ট সরবরাহ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিভাগে কর্মী কমানোর ফলে নতুন অডিও কনটেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া কিছুটা ধীর হতে পারে। তবে অ্যাপল স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা বা ফিচারগুলো এখনই বন্ধ করা হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, 'ফিটনেস প্লাস' অ্যাপলের একটি সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চাবিষয়ক সেবা। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (AI) বেশ কিছু ফিচারের ওপরও এই বিভাগের কাজের ভূমিকা ছিল। বর্তমান প্রযুক্তি বাজারে অ্যাপলের এই ঘন ঘন ছাঁটাইয়ের খবর সিলিকন ভ্যালিতে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা এলাকায় মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশের তৎপরতা দেখা যায়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া) পবিত্র কুমার হালদারের নেতৃত্বে কাউনিয়া থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। এতে কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের আওতায় ছিল মহানগরীর স্বরোড, ইসলামিয়া কলেজ মাঠ, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে এসব এলাকায় পুলিশের বিশেষ আভিযানিক দল তৎপরতা চালায়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অপরাধসংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মাদক ও অপরাধসংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে পাওয়া এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বিবেচনায় নেওয়া হয়।
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় এলাকার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুলিশকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। তবে এসব তথ্যের ধরন বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বিশেষ এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া) পবিত্র কুমার হালদার। তাঁর নেতৃত্বে কাউনিয়া থানার কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও ফোর্স অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশের এ তৎপরতা অব্যাহত ছিল।
বরিশাল মহানগরীতে মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাউনিয়া থানা এলাকায় সোমবারের অভিযানও এ ধরনের কার্যক্রমের অংশ বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে ২১ সেপ্টেম্বরের এ অভিযানে কতজনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিংবা কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে কি না—এ বিষয়ে বিএমপি মিডিয়া সেলের প্রকাশিত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।ফলে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া এ বিষয়ে কোনো দাবি করা হচ্ছে না।
বরিশাল মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে সরকারি অর্পিত (ভিপি) জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষের ফলে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় একটি হত্যা মামলা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় ১৫ জন আসামির মধ্যে স্থানীয় সাংবাদিক রাসেল রানা অন্তর্ভুক্ত হলেও বাদী নিজেই তাকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।
এ ঘটনার পর জেলা ও উপজেলাজুড়ে কর্মরত সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বদলগাছী উপজেলার বালুভরা ইউনিয়নের বারাতৈল গ্রামের খোর্দ্দ ভূবন মৌজায় প্রায় ১৪ বিঘা সরকারি ভিপি জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। স্থানীয় কয়েকজন কৃষক দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে লিজ নিয়ে ফসল ফলিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরে নিহত মাসুদ রানা, তার বাবা আফজাল হোসেন ও ভাই রিফাত হোসেন উক্ত জমি লিজের জন্য আবেদন করেন। তবে প্রশাসন এ বছর কোনো পক্ষকেই লিজ প্রদান করেনি।
লিজ না পেলেও পুরোনো অভ্যাসে একপক্ষ জমিতে ফসল আবাদ করতে গেলে তা নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। এর জেরে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০-১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত মাসুদ রানাকে (৩৫) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মাসুদ রানার মৃত্যুর পর ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে তার ছোট ভাই রিফাত হোসেন বাদী হয়ে বদলগাছী থানায় ১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় ১৫ নম্বর আসামি হিসেবে দৈনিক ‘টাইমস টুডে’র নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি রাসেল রানাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তবে মামলার বাদী রিফাত হোসেনের বক্তব্যে উন্মোচিত হয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাদী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি ১৫ নম্বর আসামিকে চেনেন না। সংঘর্ষের সময় তিনি বলেন, "আমার সামনেই আমার ভাইকে রাজা, জাহাঙ্গীর, কুদ্দুস ও ফটিক নামে চারজন মিলে মারধর করেছে। আমি সাংবাদিক রাসেল রানাকে চিনিই না।"
মামলায় সাংবাদিক রাসেল রানার নাম কীভাবে এলো জানতে চাইলে তিনি জানান, মামলা করার সময় তাদের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার চাচা উপস্থিত ছিলেন। তবে কে এই নাম দিয়েছে, তা তার জানা নেই।
সাংবাদিক রাসেল রানার দাবি, সংঘর্ষের সময় তিনি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, "বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল এমরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সংবাদ প্রকাশ করায় প্রতিহিংসাবশত চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাকেই এই হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।"
তবে অভিযুক্ত বালুভরা ইউপি চেয়ারম্যান আল এমরান এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, জমি সংক্রান্ত মারামারির বিষয়ে অবগত থাকলেও কে কাকে আসামি করেছে তা তিনি জানেন না। এমনকি বাদীর সঙ্গে থানায় যাওয়ার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।
বিষয়টি নিয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সংঘর্ষে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
তদন্তের বিষয়ে ওসি আরও জানান, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই সাংবাদিকের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না গেলে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়াতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্গাপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়। এ সময় বিভিন্ন ঝোপঝাড় ও কোণে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করা হয় এবং মশা নিধনকারী ওষুধ ছিটানো হয়।
পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ সাদাত।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গনি, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এ জন্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাড়ি, বিদ্যালয় ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি কোথাও যাতে দীর্ঘ সময় পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, অব্যবহৃত টায়ার কিংবা পরিত্যক্ত কোনো পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। তাই এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করে মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ