ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
১-১ সমতায় বিরতিতে স্পেন ও বেলজিয়াম

প্রথমার্ধে সমানে সমান স্পেন ও বেলজিয়াম


প্রথমার্ধে সমানে সমান স্পেন ও বেলজিয়াম

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে অনুষ্ঠিত স্পেন এবং বেলজিয়ামের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের প্রথমার্ধ ১-১ গোলে সমতা নিয়ে শেষ হয়েছে। ম্যাচের শুরুতেই স্পেন এগিয়ে গেলেও বিরতির আগে চার্লস ডি কেটেলারের গোলে বেলজিয়াম সমতা ফেরায়।

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে খেলা শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে স্পেনের আধিপত্য লক্ষ্যণীয় ছিল। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

৩০তম মিনিটে দানি ওলমোর শটটি থিবো কোর্তোয়ার হাত থেকে বাঁচলেও ফিরতি বলটি জালে পাঠিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ। তার এই গোলের মাধ্যমে স্পেন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

তবে পিছিয়ে পড়লেও বেলজিয়াম চেষ্টা ছাড়েনি। ৪১তম মিনিটে টিমোথি কাস্তানের অসামান্য অ্যাসিস্ট থেকে চার্লস ডি কেটেলারে গোল করে স্কোর সমতায় ফেরান।

দুই মিনিট পর, ৪৩তম মিনিটে বেলজিয়ামের আক্রমণ থামাতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ফাবিয়ান রুইজ আবারো গোলের সুযোগ পান, কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ১-১ সমতা নিয়ে দু'দল বিরতিতে যায়।

প্রথমার্ধের পরিসংখ্যান নিম্নরূপ:

বল দখল:

আরও পড়ুন: এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ক্রিকেটে ফারইস্টকে হারিয়ে সোনারগাঁওয়ের টানা দুই জয়

স্পেন ৬৬ শতাংশ

বেলজিয়াম ৩৪ শতাংশ

মোট শট:

স্পেন ৮

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

বেলজিয়াম ২

লক্ষ্যে শট:

স্পেন ২

বেলজিয়াম ১

আরও পড়ুন: বটিয়াঘাটায় তিন গুলির ঘটনায় গ্রেফতার নেই, ওসি প্রত্যাহার

দুই দলের একাদশ:

স্পেন:

উনাই সিমন, পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, আয়মেরিক লাপোর্ত, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি ওলমো, লামিনে ইয়ামাল, আলেক্স বায়েনা, মিকেল ওইয়ারসাবাল

বেলজিয়াম:

আরও পড়ুন: হাম উপসর্গে দেশে আরও ২ জনের মৃত্যু

থিবো কোর্তোয়া, টিমোথি কাস্তানে, নাথান এনগোয়, ব্রান্ডন মেচেলে, ম্যাক্সিম ডি কুইপার, নিকোলাস রাস্কিন, হান্স ভানাকেন, জেরেমি ডোকু, কেভিন ডি ব্রুইনা, লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড, চার্লস ডি কেটেলারে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসিদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা সুইজারল্যান্ডের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ এম


মেসিদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা সুইজারল্যান্ডের

আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে এবারের ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচের পূর্বে সুইজারল্যান্ড বড় ধাক্কা খেলে। চোটের কারণে দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার জোহান মানজাম্বি এই অত্যন্ত প্রতীক্ষিত ম্যাচে খেলতে পারবেন না।

কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে সুইজারল্যান্ডের প্রধান কোচ মুরাত ইয়াকিন নিশ্চিত করেছেন যে, দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মানজাম্বি শনিবারের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না।

ইয়াকিন বলেন, “মানজাম্বির ব্যাপারে বলতে গেলে, সে আগামীকাল (শনিবার) খেলতে পারবে না। তাকে মাঠে ফেরানোর জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু সে প্রস্তুত হতে পারেনি। আমরা কীভাবে খেলব, সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত খুব শিগগিরই নেব।”

কোচ ইয়াকিন আরো বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানজাম্বি এখনও প্রচণ্ড ব্যথায় রয়েছে। এটা আমাদের জন্য বড় ধাক্কা। মাঠে তাকে সবসময় আনন্দ আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে দেখা যায়। কিন্তু আগামীকালের ম্যাচে সে থাকবে না।

তারপরও আমরা দলগতভাবে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব।”

চলতি বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের অন্যতম সেরা পারফর্মার ছিলেন এই তরুণ ফুটবলার। গোল-অ্যাসিস্ট উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৫টি গোলে (৩ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট) সরাসরি অবদান রেখে দলের আক্রমণভাগে তিনি বড় ভরসা হয়ে উঠেছিলেন।

কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে মানজাম্বি বাঁ হাঁটুতে চোট পান। পরীক্ষায় তার লিগামেন্টে কোনো ক্ষতি ধরা পড়েনি। যদি সুইজারল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারে, তবে সেই ম্যাচে তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

কোয়ার্টার-ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মানজাম্বিকে না পাওয়ায় সুইজারল্যান্ডের কৌশল ও আক্রমণভাগে বড় প্রভাব পড়তে পারে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। সেমি-ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার লড়াইয়ে যাতে মানজাম্বির অনুপস্থিতি বড় এক ধাক্কা হয়ে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলমাকান্দায় জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৮ এম


কলমাকান্দায় জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষিত

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলাদল কলমাকান্দা উপজেলা শাখার ৬১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে রেখা আক্তারকে আহ্বায়ক, রাহেলা আক্তারকে সদস্য সচিব এবং করুণা পাঠাংকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টায় উপজেলা দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি কলি আক্তার সঞ্চালনা করেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন কলমাকান্দা উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি রেখা আক্তার। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ খায়ের। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ভূঁইয়া।

এ সময় বক্তব্য দেন নেত্রকোনা জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রুকসানা কানিজ চৌধুরী পলমল, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হাফিজা আক্তার, প্রচার সম্পাদক নুরনাহার আক্তার চায়না, নেত্রকোনা সদর উপজেলা মহিলা দলের সদস্য সচিব শাহনাজ আক্তার, কলমাকান্দা উপজেলা মহিলা দলের সদস্য সচিব রাহেলা আক্তার, আদিবাসী নারী নেত্রী করুণা পাঠাং এবং রেবা রানী সরকার।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ আর নাজিম, মদন পৌর মহিলা দলের সভাপতি তাসলিমা হক স্মৃতি, নারী নেত্রী হেলেনা আক্তার, জেলা মহিলা দলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদিকা নাসরিন আক্তার, নাফরিন চৌধুরী, আফরোজা মনসুর চায়না এবং তানিয়া লাইজু রিংকি।

সভায় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা এবং আগামী দিনের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শেরপুরে

আট দশক ধরে চলছে কালো পাথর দিয়ে সাপে কাটার চিকিৎসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২০ এম


আট দশক ধরে চলছে কালো পাথর দিয়ে সাপে কাটার চিকিৎসা

প্রাচীন যুগ থেকে সাপে কাটা রোগীদের সারিয়ে তুলতে বিভিন্ন উপায় অবলম্বনের গল্প শোনা যায়।

সর্বাধিক প্রচলিত যে পদ্ধতি নিয়ে জানা যায়, তা হলো কবিরাজ বা ওঝার মাধ্যমে ওঝাগিরি করা। কিন্তু ইনডিজিনাস নলেজ (কোনো জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে বিকশিত ও সংরক্ষিত জ্ঞান, দক্ষতা বা দর্শন) ব্যবহার করে অনেক অঞ্চলে ‘সফল’ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ এখনও চলছে। যেমন শেরপুরে রয়েছে সাপে কাটার চিকিৎসায় ‘পাথর রহস্য’, যা প্রায় আট দশক ধরে চলমান আছে।

এই পদ্ধতির যাত্রা শুরু হয়েছিল দেশভাগের আগে, ১৯৪৬ সালে একজন খ্রিষ্টান ধর্মীয় ব্রতধারী নারীর মাধ্যমে। সিস্টার ইম্মানুয়েল নামক ওই নারী শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় গড়ে তোলেন ‘আওয়ার লেডি অব লর্ডস ডিসপেনসারি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

দাতব্য চিকিৎসালয়টি ভারতের মেঘালয় রাজ্যঘেঁষা সীমান্তবর্তী পাহাড়ি বারোমারী এলাকায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় একটি বিশেষ কালো পাথর ব্যবহারের দাবি করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে যে, এই পাথর দিয়ে সাপে কাটা রোগীর শরীরের বিষ শুষে নেওয়া হয়।

ডিসপেনসারির ইনচার্জ সিস্টার বাপ্তিস্তা রেমা জানান, পাথরটি কোথা থেকে আনা হয়েছে সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য তাদের কাছে নেই। ধারণা করা হচ্ছে, বেলজিয়াম বা ফ্রান্স থেকে এই বিশেষ পাথরটি আনা হয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একটি পাথরকে বিশেষ কৌশলে ছোট অংশে ভাগ করে বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি সাপে কাটা অবস্থায় এখানে চিকিৎসা নেন রফিকুল ইসলাম নামের একজন রোগী। তিনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আমার পায়ে সাপে কামড় দিছিল। পাথর দেওয়ার কিছুক্ষণ পর দেখি ব্যথা, শরীর খারাপ একটু একটু করে কমে গেছে। পরে আমি আস্তে আস্তে ভালো হয়ে যাই। এখন আমি একদম সুস্থ আছি।’

আরেক রোগীর স্বজন মর্জিনা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে সাপে কামড় দেয়। আমরা খুব ভয় পাইছিলাম। পরে খোঁজখবর নিয়ে এখানে আনার পর চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সে ভালো হইছে। মূলত আমার ছেলেকে একটা পাথর লাগায় রাখছিল, কিছুক্ষণ পর সেই পাথরটা নিজে নিজেই পড়ে যায় আর আমার ছেলে সুস্থ হয়ে যায়।’

দাতব্য চিকিৎসালয়টির কর্তৃপক্ষ জানায়, সাপে কাটা রোগীর ক্ষতস্থানে বিশেষ কালো রংয়ের পাথরটি রাখা হলে তা শরীরে বিষ থাকা অবস্থায় ক্ষতস্থানে আটকে থাকে। বিষ শোষিত হয়ে গেলে নিজে থেকেই পড়ে যায়। তারা বলেন, আগে বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হলেও বর্তমানে প্রতিটি রোগীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, এভাবে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এ পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। গত কয়েক বছরে শত শত রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। গত সাত বছরে এ পদ্ধতিতে ১ হাজার ৮৫ জন সাপে কাটা রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘এইটা অনেক বছর ধরেই চলতাছে। কেউ বলে পাথরে ভালো হয়, আবার কেউ বলে এইটা ঠিক না।’

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায়, সাধারণ সাপে কামড় দিলে এখানে আনলে মানুষ ভালোও হয়। কিন্তু বিষাক্ত সাপ হলে আবার অবস্থা একেক রকম থাকে, সবাই একভাবে সেরে উঠে না। তাই এইটা নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যায় না।’ স্থানীয় বাসিন্দা খালেদা আক্তার বলেন, ‘এটা অনেক পুরান একটা বিশ্বাস। কেউ বিশ্বাস করে, কেউ আবার বলে হাসপাতালে নেওয়া ভালো। কিন্তু অনেক বছর ধরেই মানুষ এখানে আইসা-যাইতাছে।’ এ বিষয়ে শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি কোনোভাবেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। সাপে কাটলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করাই একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা। যদি তা না করা হয়, তাহলে রোগীর বড় ধরনের জীবনঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্ত থেকে খালি চোখে দেখা মিলছে তুরা পাহাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৪ এম


শেরপুর সীমান্ত থেকে খালি চোখে দেখা মিলছে তুরা পাহাড়

বর্ষার পড়ন্ত বিকেলের সময় শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা পাহাড়। এটি যেন এক স্বপ্নীল ছোঁয়া, এবং মুগ্ধতায় ছড়িয়ে পড়েছে জেলার পুরো উত্তর সীমান্ত অঞ্চল।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষা বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্ত জেলা শেরপুর। গারো পাহাড় মেঘালয় রাজ্যের প্রায় ৪২ কিলোমিটার দূরত্বের সীমান্ত জুড়ে রয়েছে। যদিও মূল গারো পাহাড়টি মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত, কিন্তু গারো পাহাড়ের কিছু অংশ বৃহত্তর ময়মনসিংহের শেরপুর জেলায় পড়েছে প্রায় পুরোটা।

শেরপুর সীমান্ত থেকে মেঘালয় রাজ্যের তুরা শহরের দূরত্ব মাত্র ৫৫ কিলোমিটার। শেরপুর সীমান্ত সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ষার পড়ন্ত বিকেলে যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে তবে তুরা পাহাড়ের দেখা মেলে। সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে শেরপুর জেলা শহরের ছয় থেকে সাত তলা ভবনের ছাদে উঠলেও কৃষ্ণ পাহাড়ের দর্শন লাভ করা যায়। তুরা পাহাড়ের উচ্চতা মূলত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ফুট। এজন্য শেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে, বিশেষ করে খোলা মাঠ বা প্রান্ত থেকে বর্ষার বিকেলে পরিষ্কার আকাশে তুরা পাহাড় সুস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। গত কয়েকদিন ধরে শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষ করে সীমান্তের ঝিনাইগাতি-বগাডুবি সড়ক, তিনানি-নালিতাবাড়ী সড়ক, মধুটিলা, গজনি, নাকুগাঁও এবং পানিহাতা স্থান থেকে স্পষ্টভাবে তুরা পাহাড় দেখা যাচ্ছে।

এটি ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দের উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে, যারা পাহাড়ের ছবি তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। যেমন পঞ্চগড় থেকে শীতকালে হিমালয় পাহাড় দেখা যায়, ঠিক তেমনি শেরপুর সীমান্ত থেকে তুরা পাহাড়ের চমৎকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিদিনই ভ্রমণ বিলাসী বাইকাররা ছুটে যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায়। তাঁরা মোবাইল এবং ক্যামেরায় ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন। এই বিষয়টি এখন নেটদুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%