মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৮ পি.এম
এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন উদ্বোধনের আগে। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে খলিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়, যিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) খলিলুর রহমানকে ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানিয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হতে যাচ্ছে। খলিলুর রহমানের নেতৃত্বকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো কূটনীতিক জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে ৪১তম অধিবেশনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে নতুন ও অত্যাধুনিক হেলিপ্যাডের নির্মাণকাজ অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।
পোস্টে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ারের একটি ঐতিহাসিক ছবি শেয়ার করে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ‘ডোয়াইট আইজেনহাওয়ারের ওই ছোট হেলিকপ্টারগুলোর জন্য হোয়াইট হাউসে হেলিপ্যাডের প্রয়োজন ছিল না, কিন্তু আমেরিকার এখন এটি দরকার — এইমাত্র কাজ শেষ হলো, এবং চমৎকার!’ আইজেনহাওয়ারের ছবিতে লেখা ছিল, ‘১৯৫৭ সালে হোয়াইট হাউসের সাউথ লন থেকে প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে হেলিকপ্টার ব্যবহার করেন আইজেনহাওয়ার।’
হোয়াইট হাউসের সাউথ লনের ঘাস রক্ষা ও নতুন হেলিপ্যাডের প্রয়োজনীয়তা একটি বড় সমস্যা সমাধানের জন্য গত জুন মাস থেকে এই হেলিপ্যাড নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। সিকরস্কি এয়ারক্রাফটের তৈরি নতুন ‘ভিএইচ-৯২এ মেরিন ওয়ান’ (VH-92A Marine One) হেলিকপ্টারগুলো আগের মডেলগুলোর তুলনায় আকারে অনেক বড় এবং এগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে উত্তপ্ত গ্যাস নিচের দিকে নির্গত হয়। এর ফলে ল্যান্ডিংয়ের সময় সাউথ লনের ঘাস পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। এই সমস্যা এড়াতে স্থায়ীভাবে ১০০ ফুট চওড়া এই ব্ল্যাক গ্রানাইট হেলিপ্যাডটি নির্মাণ করা হয়েছে, যার কেন্দ্রে খোদাই করা রয়েছে মার্কিন রাষ্ট্রপতির সিলমোহর।
লকহিড মার্টিনের অর্থায়ন ও ট্রাম্পের তদারকীতে এই প্রকল্পের পুরো ব্যয়ভার বহন করেছে মেরিন ওয়ান হেলিকপ্টার প্রস্তুতকারক সংস্থা সিকরস্কির মূল প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন। তারা ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসকে এই কাজের জন্য ৫০ লক্ষ ডলার (৫টি মিলিয়ন) অনুদান দেয়।
গত মাসে এই প্রকল্পের নকশা ও নির্মাণশৈলী নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। তাঁর নির্দেশে ইতিমধ্যে তৈরি হওয়া গ্রানাইট সিলমোহরের কিছু অংশ ভেঙে নতুন করে কাজ করতে হয়। সাউথ লনের সমতলতা এবং হেলিপ্যাডটি যেন দিগন্তের সাথে পুরোপুরি সমান দেখায়, তা নিশ্চিত করতে নিজে তদারকি করেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আর কিছু না জানলেও, কীভাবে সুন্দর করে নির্মাণ করতে হয় তা ভালো করেই জানি।’
বহুমুখী ব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় সফর চলতি মাসের শেষের দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য হোয়াইট হাউস সফরের আগেই ট্রাম্প অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের মতে, এই হেলিপ্যাডটি আকাশ থেকে এবং যেকোনো স্থান থেকে দেখতে দারুণ লাগবে। তিনি বলেন, "এটি রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনার জন্য আরও চমৎকার হবে। ঘাসের পরিবর্তে এখন এটিকে একটি টেবিলের মতো ব্যবহার করা যাবে। এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা ককটেল পার্টির আয়োজন করা সম্ভব, যেখান থেকে অতিথিরা সরাসরি বলরুমে চলে যেতে পারবেন।"
নির্মাণকাজ চলাকালীন মেরিন ওয়ান হেলিকপ্টারটি হোয়াইট হাউসের দক্ষিণে অবস্থিত ‘ইলিপ্স’ এলাকাটিকে অস্থায়ী ল্যান্ডিং জোন হিসেবে ব্যবহার করছিল।
ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসের এই ধরণের পরিচালনগত আধুনিকায়নের জন্য কোনো কংগ্রেসনাল বা আর্কিটেকচারাল রিভিউ প্যানেলের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।
সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, আমি আর কিছু না জানলেও, কীভাবে সুন্দর করে নির্মাণ করতে হয় তা ভালো করেই জানি।
বহুমুখী ব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় সফর চলতি মাসের শেষের দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য হোয়াইট হাউস সফরের আগেই ট্রাম্প অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের মতে, এই হেলিপ্যাডটি আকাশ থেকে এবং যেকোনো স্থান থেকে দেখতে দারুণ লাগবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ৪৮টি চায়না দুয়ারি জাল (শয়তান জাল) জব্দ করা হয়েছে। এই জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে।
এটি জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের জাল ব্যবহারে মৎস্য সম্পদের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই, এই পদক্ষেপটি মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেড় বছর আগে ‘ডেডলিফ্ট’ করার সময় ঘাড় ও পিঠে গুরুতর চোট পান অভিনেত্রী রকুলপ্রীত সিংহ। এরপর স্লিপ ডিস্কের সমস্যার কারণে তাকে টানা ৪০ দিন শয্যাশায়ী থাকতে হয়েছিল। দীর্ঘ ১৮ মাস পর আবার জিমে ফিরে এসেছেন এই অভিনেত্রী। তবে এবার তার লক্ষ্য হচ্ছে দ্রুত আগের অবস্থানে ফিরে যাওয়া নয়, বরং ধীরে ধীরে শরীরকে অনুশীলনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া।
সম্প্রতি রকুল নিজের ফিটনেসযাত্রার কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায়, ভারী ব্যায়ামে যাওয়ার আগে তিনি যোগাসন ও স্ট্রেচিং করে শরীর গরম করছেন। এরপর পেটের পেশিতে বাড়তি চাপ এড়াতে সাপোর্ট বেল্ট ব্যবহার করে ভারোত্তোলন, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড স্কোয়াট ও বারবেল স্কোয়াটের মতো অনুশীলন শুরু করছেন।
রকুল জানান, দীর্ঘ বিরতির পর তার শরীরের পেশিগুলো যেন নতুন করে ব্যায়াম শিখছে। তিনি বলেন, আগে যে ২০ কেজির কেট্লবেল সহজে তুলে ফেলতেন, এখন সেটি তুলতে কিছুটা ভয় লাগছে।
দীর্ঘ বিরতির পর শরীরচর্চায় ফেরার সময় নিজের ওপর বাড়তি চাপ না দেয়ার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। তার মতে, শরীরকে সময় দেয়া অত্যন্ত জরুরি। তাই প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়াই এখন তার মূল লক্ষ্য।
ভিডিওর ক্যাপশনে রকুল লিখেছেন, "কে জানত শরীরকে পুরনো কাজই নতুন করে শেখানোটা একটা চাকরির মতো, কখনো কথা শোনে, কখনো দোনামোনা করে, আবার কখনো মনে করিয়ে দেয়, কে আসলে ক্ষমতাবান। যাই হোক, রোজ আসি, কাজ করি এবং আবার পরদিন ফিরে আসি।"
১৮ মাস পর জিমে ফিরে রকুলের এই ফিটনেসযাত্রা শুধু ওজন তোলার গল্প নয়, বরং চোটের পর নিজের শরীরের ওপর আবার বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার গল্প। যেখানে দ্রুত নয়, নিরাপদে এগিয়ে যাওয়াই এখন তার সবচেয়ে বড় সাফল্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, চক্রান্তকারীরা ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধনকে ধ্বংসের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, "আমাদের এই মাটির গভীরে রয়েছে দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ।" তিনি আরও বলেন, "হাজার বছর ধরে আমরা একই সমাজে ও মহল্লায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বসবাস করে আসছি। আমাদের এই অটুট বন্ধন যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে।"
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রিজভী বলেন, "হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ-এই তিন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণে আলাদা তিনটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলো আরও সমৃদ্ধ ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা এবং পূজারি ও ভক্তরা যেন নির্বিঘ্নে প্রার্থনা ও আরাধনা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এসব ট্রাস্টের পরিচালনা কমিটি কাজ করবে।
তিনি বলেন, "ট্রাস্টের দায়িত্বে যারা এসেছেন, তারা নিজ নিজ সম্প্রদায়ের অত্যন্ত যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিত্ব।" তারা আন্তরিকতার সঙ্গে উপাসনালয়গুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবেন, এমনটাই আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দর্শনে প্রতিটি ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃ-গোষ্ঠীর সমান স্থান রয়েছে। "এখানে প্রত্যেকেই গর্বভরে নিজেদের বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে পারে।"
তিনি আরও বলেন, "দেশবিরোধী নানা চক্রান্তকারী দল আমাদের এই অটুট বন্ধনকে ভাঙার চেষ্টা করলেও দেশের মানুষ সব সময় একতাবদ্ধ থেকেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা একে অপরের পূজা-পার্বণ কিংবা ঈদে আনন্দের অংশীদার হই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ