বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৫ পি.এম
গাজীপুরের শ্রীপুরে অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে পাগড়ি পরিয়ে দেওয়া হয়েছে আলেমদের দ্বারা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে পৌরসভার চন্নাপাড়া এলাকায় আয়োজিত এই ৬ষ্ঠ বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ও হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মানসূচক পাগড়ি পরানো হয়।
প্রধান বক্তা হিসেবে ‘শিশু বক্তা’ হিসেবে পরিচিত নেত্রকোনার মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী ওয়াজ মাহফিলে বয়ান পেশ করেন। মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
শ্রীপুরের চন্নাপাড়া বায়তুর রহমান জামে মসজিদ, আমিনা খাতুন আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা এবং হাছেন আলী কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
চন্নাপাড়া এলাকার সাংবাদিক মালেকের বাড়ির মোড়ে অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ ও এতিমখানা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি সাংবাদিক আবদুল মালেক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। তাকে পাগড়ি পরিয়ে দেন ওলামা দলের সাবেক সভাপতি মাওলানা এসএম রুহুল আমিন এবং এলাকার বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আবু সাঈদ (সুফি হুজুর)।
ওয়াজ মাহফিলে কুরআন ও হাদিসের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন মাওলানা ইব্রাহিম খলিল বেত্তপুরী, ক্বারী শরিফুল ইসলাম মুলাইদী, মুফতি আতিকুর রহমান সিরাজী, হাফেজ মাওলানা মুফতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদ ফুলপুরী এবং মাওলানা ইকরামুজ্জামান আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত আলেমরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেব, সদস্য সচিব খাইরুল কবির মণ্ডল আজাদ, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারী, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আহসান কবির, শ্রীপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল হোসেন প্রধানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ২২ অক্টোবর ২০২৬ : খুলনা জেলার কয়রা থানাধীন গোলখালীর সিংয়ের বাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে কোস্ট গার্ড ১৩.৭ কেজি হরিণের মাংসসহ চামড়া জব্দ করেছে। জব্দকৃত আলামতের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০ হাজার টাকা।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা গোলখালীর সিংয়ের বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ওই এলাকা থেকে হরিণের মাংস, চারটি পা, একটি মাথা ও একটি চামড়া জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, জব্দকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোবাদক ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
লে. কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, বন্যপ্রাণি হত্যা ও পাচার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীতে মাদক কেনার টাকা না পেয়ে স্ত্রী ও শাশুড়িকে মারধর এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে মো. রাজিব খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রিয়ার (২৩) বিরুদ্ধেও কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রথম স্ত্রী লামিয়া আক্তার (৩০)। অভিযোগ দায়েরের পরও পুলিশ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী। এমনকি পূজার ছুটির অজুহাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর অভিযুক্ত রাজিব খান আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বরিশাল নগরের কাউনিয়া থানাধীন ব্রাঞ্চ রোডের বিসিসির ৭ নম্বর ওয়ার্ডে লামিয়ার শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী লামিয়া আক্তার ওই এলাকার বাসিন্দা মো. মীর মোশারেফ হোসেনের মেয়ে।
অভিযোগে লামিয়া উল্লেখ করেন, তাঁর স্বামী রাজিব খান তাঁকে না জানিয়ে প্রায় এক বছর আগে রাবেয়া বসরী প্রিয়াকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে তাঁর ভরণপোষণ বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে স্বামীর কাছে জানতে চাইলে তাঁকে মারধর ও দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হতো বলেও অভিযোগ করেন লামিয়া।
অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাতে রাজিব খান ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে এসে মাদক কেনার জন্য টাকা চান। লামিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা তাঁকে গালিগালাজ করেন এবং তাঁকে ও তাঁর মাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয় বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া লামিয়াকে খুন-জখমের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এ ঘটনায় কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী।
ভুক্তভোগী লামিয়ার দাবি, অভিযোগ দায়েরের পরও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। পূজার ছুটির অজুহাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, মারধর ও হত্যার হুমকির মতো গুরুতর বিষয় থানাকে অবহিত করার পরও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় তিনি ও তাঁর মা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযোগকারীর আরও দাবি, থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর রাজিব খান আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। এতে তাঁর ওপর পুনরায় হামলা বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
একজন নারী ও তাঁর মাকে মারধর এবং হত্যার হুমকির অভিযোগের যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী। একই সঙ্গে তাঁর ও তাঁর মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত রাজিব খান ও রাবেয়া বসরী প্রিয়ার বক্তব্য এবং কাউনিয়া থানা পুলিশের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের জেটি ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। এই সময় তিনি প্রটোকল ভেঙে গাড়ি থেকে নেমে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি বন্দর জেটিতে প্রবেশ করেন। সেখানে প্রায় ৫০ মিনিট অবস্থান করার পর সোয়া ৪টার দিকে জেটি থেকে বের হয়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের দিকে রওয়ানা হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পথে নেতা-কর্মীদের টানে প্রটোকল ভেঙে গাড়ি থেকে নেমে প্রধানমন্ত্রী জনগণের সঙ্গে মিশে যান। তিনি হাত নেড়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং কয়েকজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যান। অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে মোংলা বন্দর ত্যাগ করেন।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের হিরন পয়েন্ট ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ করেন। সেখান থেকে তিনি খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ানে যান। নলিয়ান থেকে নৌপথে দুপুর পৌনে ১টার দিকে মোংলার দিগরাজ নৌঘাঁটিতে পৌঁছান। নৌঘাঁটিতে এসে তিনি নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ বিএনএস আবু বকর পরিদর্শন করেন।
দুপুরে তিনি নৌঘাঁটিতেই মধ্যাহ্ন বিরতি করেন। সেখান থেকে বের হয়ে মোংলা বন্দর জেটি ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মোংলা বন্দর জেটি ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্য ও বঞ্চনা কাটিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করতে সরকারের পক্ষ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়ার মমইন কনভেনশন সেন্টারে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন আয়োজিত ‘বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি জানান, উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ, প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘আরাফাত রহমান কোকো প্যারা স্পোর্টস ভিলেজ’, এবং ১ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে। পাশাপাশি, বগুড়া বহুমাত্রিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহরের যানজট নিরসনের জন্য করতোয়া নদীর কোল ঘেঁষে চার লেনের সড়ক নির্মাণ এবং প্রধান মহাসড়কগুলোকে চার থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
নগরায়ণের প্রাথমিক কাজের জন্য ইতোমধ্যে ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বগুড়ার ১৩টি উপজেলার টেকসই উন্নয়নে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং পৌরসভাগুলোর অবকাঠামো শক্তিশালী করতে আরও ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। বগুড়া ওয়াসা ও বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডিএ) গঠনের প্রক্রাও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, দ্রুত বিসিক শিল্প পার্কের কাজ শুরু হবে। ডাকবাংলো ও স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেলার ১৩টি উপজেলায় ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ এবং গবেষণার প্রসারে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে বহুমুখী উচ্চশিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া কৃষিতে উদ্বৃত্ত একটি জেলা। এখানে বছরে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকে। তবে গত ২০ বছর ধরে এই অঞ্চল কাঙ্ক্ষিত অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল।
বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস হলেও বগুড়াকে আধুনিক ও সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করতে সুনির্দিষ্ট মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ চলছে।
দেশজুড়ে সুষম উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে সমান গুরুত্ব দেন। রংপুর সিটি কর্পোরেশনের জন্য ১ হাজার ৮০০ কোটি এবং গোপালগঞ্জের জন্য ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন কোনো নির্দিষ্ট জেলার জন্য নয়, দেশের সব মানুষের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য।
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে ভালো কাজের প্রতি সমর্থন এবং বগুড়ার সার্বিক অবকাঠামোগত অগ্রযাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর সম্পাদক লোটন একরামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুহিত তালুকদার, পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান ও পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদসহ অনেকে বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ