বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ পি.এম
রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। থানা ও ডিবি পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক ব্যবসায়ীসহ নানা অপরাধের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বেলপুকুর থানা পুলিশ ভড়ুয়াপাড়া গ্রাম থেকে ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মোঃ আশাদুলকে (২৭) গ্রেফতার করা হয়। সে ওই গ্রামের মোঃ সাদেকের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে বেলপুকুর থানায় পূর্বে আরও ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।
একই দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ খরবোনা নদীর ধার রমনা পট্টি এলাকা থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ খরবোনা নদীর ধার (বাজে কাজলা) এলাকার মোঃ নজরুল ইসলাম নজুর ছেলে মোঃ রনি (৩৬) এবং মোঃ মিনালের ছেলে মোঃ সেন্টুকে (৩১) গ্রেফতার করে।
এর আগে সকাল ৭টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ সিটি বাইপাস মোড় এলাকা থেকে মোঃ ওয়াজাতুল্লাহ ওয়াস্তিকে (২৬) গ্রেফতার করে। হেতেমখাঁ লিচুবাগান এলাকা থেকে ৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মোঃ আইনুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে সে নতুন বিলসিমালা বন্ধগেট এলাকায় বসবাস করে।
এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন থানা পুলিশের অভিযানে মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদক মামলায় ৪ জন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ৫ জন এবং অন্যান্য অপরাধমূলক মামলায় ৭ জন রয়েছেন। সকল আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ অন্যান্য আইনে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সকল আসামীকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যেখানে সরকার ভর্তুকি দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে প্রাণী সম্পদ রক্ষার জন্য,আর অন্য দিকে শেরপুরের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা কাজ করছে প্রাণী সম্পদ ধ্বংস করার জন্য।যে সরকারি ভ্যাকসিন খামারিদের একমাত্র ভরসার জায়গা,সেই ভ্যাকসিনই যদি কাল হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে গায়ের রক্ত পানি করা, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিলে তিলে গড়া স্বপ্নের খামার বিলীন হয়ে যায়।আর তখন খামারীরা হবে দিশেহারা ধব্বংস হবে প্রাণী সম্পদ সেক্টর দেশের মানুষ থাকবে প্রোটিন, আমিষ ঘাটতিতে। খামারিদের স্বপ্ন ও সম্বল বাঁচানোর লড়াইয়ে ভ্যাকসিন সংরক্ষণ ও
পরিবহনের ভুল সিদ্ধান্তে এবং নষ্ট টিকার কারণে গবাদিপশু মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ২ দিন যাবৎ বস্তাবন্দি মাটিতে পড়ে থাকা প্রায় নয় লাখ ভ্যাকসিনের নিউজ করতে গেলে সাংবাদিককে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার হুমকি। তবে খামারী,সচেতন মহল,ও সাংবাদিকদের মনে প্রশ্ন
ভ্যাকসিন নিদিষ্ট নিয়মে ও সঠিক সময়ে হ্যান্ডেলিং ও পরিবহন না করার পিছনে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: রেজওয়ানুল হক ভূইয়ার বড় কোন সুবিধা আছে কি না।
গবাদিপশুর জীবন সুরক্ষায় সরকারের সরবরাহ করা হাঁসের ড্রাকপ্লেগ,মুরগীর ভিসি আরডিবি আরডিভি, গরুর তরকা,খুরা,ছাগলের পিপি আর রোগের মত মূল্যবান জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন সংরক্ষণের কথা ছিল হিমাঙ্কের নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কিন্তু প্রাণী সম্পদ বিভাগ এর ধারের কাছেও নেই।অনুসন্ধানে দেখা যায় প্রাণী সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান মহাখালীর পরিচালক এর ২১.০৯.২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত পএে ৩৩.০১.০০০০.৪০০.৫৭ নং স্মারকে ভ্যাকসিন সিডিওলে ২২.০৯.২৬ তারিখে সন্ধ্যা ৭ টায় শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে নিজস্ব জনবল দ্বারা কুলভ্যান হতে টিকার বক্স বা ভ্যাকসিন ক্যারিয়ার ঠান্ডা আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নামানো ও ওঠানোর জন্য অনুরোধ করেছে মহাখালীর পরিচালক। ২২ তারিখে রাতে রিসিভ হয় ড্রাগপ্লেগ ৫০০০০, পিজিয়ন পক্স এক লক্ষ,ফাউল পক্স এক লাখ, রানীক্ষেত ৫ লাখ, বাচ্চা রানীক্ষে ৫ লাখ, তড়কা ২০০০০,ক্ষুরা ৪০০০,এলএসডি ১৭৯০
মোট ৮২৫৭৯০ লাখ ডোজ। কিন্তু অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় যে শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদে অফিসে বড় দায়িত্বশীল ৩-৪ জন চৌকস কর্মকর্তা থাকার পরও ৮ বস্তা ভ্যাকসিন ২ দিন যাবৎ বস্তাবন্দি মাটিতে পড়ে থাকার পরে ২৪ তারিখে ৩৩.০১.৮৯০০.০০০.০০০.০১৬.০০৩.২৬.-স্মারকের জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পএে
শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে বরফ ছাড়াই বিতরণ করে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা। শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকেই যদি জীবন রক্ষাকারী এসব টিকা কোল্ড চেইন মেইনটেইন না করেই চালের পলিথিনের বস্তা ও সাধারণ ব্যাগে থেকে বের করে ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে আইসপ্যাক বা বরফ ছাড়াই মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করা হয়।।ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে ভ্যাকসিন ওঠানোর পর নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্য স্টেশনে পৌঁছাতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : সরকার দেশের সকল সার কারখানার উৎপাদন পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছে, যা ইউরিয়া সার আমদানি বাবদ ২২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুগঞ্জ সার কারখানা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
গ্যাস সংকটের কারণে গত বছরের ১ মার্চ থেকে আশুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ রয়েছে। তবে বিসিআইসি চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেছেন যে চলতি বছর গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে সার কারখানার উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, "বিসিআইসির কারখানাগুলোকে আমরা সচল করতে চাই। আমাদের ২৬-২৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি করতে হয়। আমাদের কারখানাগুলো যদি সচল থাকে, আমরা যদি কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ পাই, তাহলে আমরা দেশের চাহিদার পরিমাণ উৎপাদন করেও রপ্তানি করার সক্ষমতা রাখি।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমাদের মূল সমস্যা হচ্ছে গ্যাসের সংকট। তবে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে আমাদের কারখানাগুলো চালু করতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। কারখানাগুলো চালু করতে পারলে আমাদের আর সার আমদানি করতে হবে না।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আশুগঞ্জ সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মো. আলী আশরাফ এবং উপ মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কারখানার অন্যান্য কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ