প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যেখানে সরকার ভর্তুকি দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে প্রাণী সম্পদ রক্ষার জন্য,আর অন্য দিকে শেরপুরের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা কাজ করছে প্রাণী সম্পদ ধ্বংস করার জন্য।যে সরকারি ভ্যাকসিন খামারিদের একমাত্র ভরসার জায়গা,সেই ভ্যাকসিনই যদি কাল হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে গায়ের রক্ত পানি করা, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিলে তিলে গড়া স্বপ্নের খামার বিলীন হয়ে যায়।আর তখন খামারীরা হবে দিশেহারা ধব্বংস হবে প্রাণী সম্পদ সেক্টর দেশের মানুষ থাকবে প্রোটিন, আমিষ ঘাটতিতে। খামারিদের স্বপ্ন ও সম্বল বাঁচানোর লড়াইয়ে ভ্যাকসিন সংরক্ষণ ও
পরিবহনের ভুল সিদ্ধান্তে এবং নষ্ট টিকার কারণে গবাদিপশু মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ২ দিন যাবৎ বস্তাবন্দি মাটিতে পড়ে থাকা প্রায় নয় লাখ ভ্যাকসিনের নিউজ করতে গেলে সাংবাদিককে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার হুমকি। তবে খামারী,সচেতন মহল,ও সাংবাদিকদের মনে প্রশ্ন
ভ্যাকসিন নিদিষ্ট নিয়মে ও সঠিক সময়ে হ্যান্ডেলিং ও পরিবহন না করার পিছনে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: রেজওয়ানুল হক ভূইয়ার বড় কোন সুবিধা আছে কি না।
গবাদিপশুর জীবন সুরক্ষায় সরকারের সরবরাহ করা হাঁসের ড্রাকপ্লেগ,মুরগীর ভিসি আরডিবি আরডিভি, গরুর তরকা,খুরা,ছাগলের পিপি আর রোগের মত মূল্যবান জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন সংরক্ষণের কথা ছিল হিমাঙ্কের নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কিন্তু প্রাণী সম্পদ বিভাগ এর ধারের কাছেও নেই।অনুসন্ধানে দেখা যায় প্রাণী সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান মহাখালীর পরিচালক এর ২১.০৯.২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত পএে ৩৩.০১.০০০০.৪০০.৫৭ নং স্মারকে ভ্যাকসিন সিডিওলে ২২.০৯.২৬ তারিখে সন্ধ্যা ৭ টায় শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে নিজস্ব জনবল দ্বারা কুলভ্যান হতে টিকার বক্স বা ভ্যাকসিন ক্যারিয়ার ঠান্ডা আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নামানো ও ওঠানোর জন্য অনুরোধ করেছে মহাখালীর পরিচালক। ২২ তারিখে রাতে রিসিভ হয় ড্রাগপ্লেগ ৫০০০০, পিজিয়ন পক্স এক লক্ষ,ফাউল পক্স এক লাখ, রানীক্ষেত ৫ লাখ, বাচ্চা রানীক্ষে ৫ লাখ, তড়কা ২০০০০,ক্ষুরা ৪০০০,এলএসডি ১৭৯০
মোট ৮২৫৭৯০ লাখ ডোজ। কিন্তু অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় যে শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদে অফিসে বড় দায়িত্বশীল ৩-৪ জন চৌকস কর্মকর্তা থাকার পরও ৮ বস্তা ভ্যাকসিন ২ দিন যাবৎ বস্তাবন্দি মাটিতে পড়ে থাকার পরে ২৪ তারিখে ৩৩.০১.৮৯০০.০০০.০০০.০১৬.০০৩.২৬.-স্মারকের জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পএে
শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে বরফ ছাড়াই বিতরণ করে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা। শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকেই যদি জীবন রক্ষাকারী এসব টিকা কোল্ড চেইন মেইনটেইন না করেই চালের পলিথিনের বস্তা ও সাধারণ ব্যাগে থেকে বের করে ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে আইসপ্যাক বা বরফ ছাড়াই মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করা হয়।।ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে ভ্যাকসিন ওঠানোর পর নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্য স্টেশনে পৌঁছাতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন