বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৭ পি.এম
ডা. তাসনিম জারা জাতীয় সংসদের স্পিকারের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, "ভালো লোকের নির্বাচনে দাঁড়ানোরই সুযোগ নেই।" তবে তিনি মনে করেন, স্পিকার তার পদমর্যাদা ব্যবহার করে সংসদ সদস্যদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা উল্লেখ করেন, স্পিকারের বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভালো বা যোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেয় না এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গেলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষের জন্য আক্ষেপ করার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু স্পিকারের উচিত তার অবস্থান থেকে কার্যকর পরিবর্তন আনা।
তিনি সংসদ সদস্যদের আর্থিক স্বচ্ছতার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং জানান, বর্তমান সংসদের প্রায় ৬০ শতাংশ সদস্য ব্যবসায়ী এবং ৮০ শতাংশ কোটিপতি। তিনি বলেন, ব্যবসা করা বা কোটিপতি হওয়া অপরাধ নয়, তবে তাদের আয়ের উৎস সম্পর্কে জনগণের জানা প্রয়োজন। অনেক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর দামি গাড়ি, ঘড়ি বা নতুন ফ্ল্যাট ব্যবহার শুরু করেন এবং সেগুলোকে "উপহার" বলে দাবি করেন। তিনি সতর্ক করেন যে, যদি এসব উপহারের উৎস স্পষ্ট না হয়, তাহলে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে।
তাসনিম জারা যুক্তরাজ্যের আদলে একটি প্রকাশ্য ‘রেজিস্টার’ তৈরির প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে এমপিদের সম্পদের বিবরণ, উপহার ও বিদেশ সফরের তথ্য নিয়মিতভাবে আপডেট করে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। সেখানে তথ্যের গরমিল হলে কঠোর শাস্তির নজিরও রয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে পাঁচ বছরে একবার নির্বাচনের আগে হলফনামা দেওয়া হয়, যার সঠিক যাচাই-বাছাইও হয় না। নিয়মিত হালনাগাদ হওয়া রেজিস্টার চালু হলে এমপিদের "উপহার" বলে পার পাওয়ার সুযোগ কমবে এবং মিথ্যা প্রমাণ করা সহজ হবে।
স্পিকারের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি এবং সংসদ সচিবালয় কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার। তাই সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের নিয়ম প্রণয়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
স্পিকারের অতীত রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে বীর বিক্রম খেতাব এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাসনিম জারা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান পদে থেকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার এই সুযোগটি স্পিকার কাজে লাগাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম শাহবাগ থানার একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১১৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে।
আজ ডিএমপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, উদ্ধারকৃত ফোনগুলোর মধ্যে স্যামসাং, ভিভো, রিয়েলমি, রেডমি, অপ্পো, টেকনো, ইনফিনিক্স, আইফোন, হুয়াওয়ে, অনারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, হারানো বা চুরি হওয়া ফোনগুলোর তালিকায় শনাক্ত হলে, মালিকদের সংশ্লিষ্ট আদালতে মালিকানা প্রমাণসহ আবেদন করতে হবে। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর, আদেশের কপি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ফোনটি গ্রহণ করতে হবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগের জন্য ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মনজিল সিদ্দিকীর সঙ্গে ০১৬৭৬-২৭১৫২৯ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের কারাবন্দি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবার ফোনে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন তার ছেলে কিম আরিস। যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী কিম আরিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই আবেগঘন মুহূর্তের কথা শেয়ার করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তিনি জানান, দীর্ঘ সময় পর মায়ের কণ্ঠস্বর শোনা অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
ফ্রান্স টুয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সু চি বর্তমানে দেশটির রাজধানী নেপিডোতে গৃহবন্দি আছেন। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে তাকে বন্দি করা হয়েছে।
তবে মা-ছেলের মধ্যে এই কথোপকথন কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মায়ের মুক্তি ও মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে সমর্থন জানানো ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কিম আরিস বলেন, "যারা আমার মা ও আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের কণ্ঠস্বরই এই মুহূর্তটিকে বাস্তবে সম্ভব করতে সাহায্য করেছে।"
তবে দীর্ঘদিন পর কথা বলার সুযোগ পেলেও, কিম আরিস তার মায়ের বয়স ও বন্দিজীবন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, তার মায়ের বয়স ৮১ বছর এবং তিনি এখনো বন্দি রয়েছেন। কিম আরিস উল্লেখ করেন, একবার কথা বলার সুযোগ নিয়মিত পারিবারিক যোগাযোগের বিকল্প হতে পারে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জের সড়ক পারাপারের সময় দুই অটোরিকশার চাপায় পিষ্ট হয়ে আব্দুল মন্নান মল্লিক (৬০) নামের এক পথচারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড মডেল মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই ঘাতক একটি অটোরিকশা আটক করা সম্ভব হলেও অপরটি পালিয়ে যায়।
নিহত আব্দুল মন্নান মল্লিক উপজেলার ১০নং গারুড়িয়া ইউনিয়নের জিনিয়া গ্রামের মৃত শামসুল হক মল্লিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মডেল মসজিদ সংলগ্ন সড়ক পার হচ্ছিলেন তিনি এ সময় দ্রুতগতিতে আসা দুটি অটোরিকশা চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পর স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ দুর্ঘটনায় জড়িত একটি অটোরিকশা আটক করলেও অন্যটি পালিয়ে যায় ।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ না থাকায় ও বিনা ময়নাতদন্তে লাশ পাওয়ার আবেদন করায় বিকেল ৫টায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফে পীর-এ কামেল বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মোজাদ্দেদ, অবিভক্ত বাংলা ও আসামের শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা সংস্কারক প্রখ্যত সাহিত্যিক সমাজ সেবক আত্মাধিক সাধক সমাজ সংস্কারক জ্ঞান তাপস মুসলিম রেনেঁসার অগ্রদুত মুক্তবুদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার অধিকারী মনোচিকিৎসক ঐতিহাসিক দার্শনিক সুলতানুল আউলিয়া কুতুবুল আকতাব গওছে জামান আরেফ বিল্লাহ হজরত শাহ্ ছুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রঃ) এঁর পাক রওজা শরীফ জিয়ারত করার পর নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশন পরিদর্শন করেন। এসময় সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন জেলা প্রশাসকের স্বামী ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আকতার, নলতা পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান পাড়,নলতা ইউপি সচিব শহিদুল ইসলামসহ নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ