মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:০১ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সঙ্গে পিরোজপুর সদর ও নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার সড়ক যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম আমরাজুরি ফেরিঘাট। নদীভাঙনে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ের ডালা দেবে যাওয়ায় এ ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে যানবাহন পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এ পথে চলাচলকারী হাজারো মানুষ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। হঠাৎ করে ফেরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীদেরও পড়তে হচ্ছে বিপাকে।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে অনেক যাত্রী ট্রলারে নদী পারাপার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব ট্রলারে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী তোলা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মতো যানবাহনও পার করা হচ্ছে। এতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, ফেরি বন্ধ থাকার সুযোগে ট্রলারে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। এতে একদিকে যেমন সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।
কলেজছাত্র রাকিব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাবখান চ্যানেল ও সন্ধ্যা নদী পার হতে হচ্ছে। এতে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ী রুহুল আমিন বলেন, ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
আমরাজুরি ফেরিঘাটের ইজারাদার শাহিন হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘাটের আশোয়া নদী অংশে ভাঙনের কারণে ফেরির গ্যাংওয়ের ডালা দেবে গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত করা হলে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, মেরামতের কাজের জন্য কারিগরি লোক আসছেন। রাতের মধ্যেই ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমি দেখছি। ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের গাংনাম এলাকার সুবিধাবঞ্চিত জনপদ গুরিয়ং গ্রামে মঙ্গলবার আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এ তথ্য দেশটির দমকল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সাথে কথা বলার সময়, দমকল বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগুনের কারণে এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ৭৫ জন দমকলকর্মী ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, আগুন নেভানোর কাজে ২৪টি দমকলের গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গুরিয়ং গ্রামটি সিউলের কিছু সবচেয়ে ব্যয়বহুল এলাকার নিকটে অবস্থিত। এবছর জানুয়ারিতে গ্রামটিতে একটি বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এবং উদ্ভাবনী গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন দেশের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মেধাবীদের প্রচলিত সীমা অতিক্রম করে নতুন উদ্ভাবন এবং সমস্যা সমাধানই ইরানকে শক্তিশালী করার মূল চাবিকাঠি।
মোজতবা খামেনি এই মন্তব্যগুলো করেছেন ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করা ইরানি মেধাবী, বিজ্ঞানী এবং ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন, "বিজ্ঞানী ও মেধাবীদের বিরুদ্ধে শত্রুদের বিদ্বেষ ও অপরাধই ইসলামিক ইরানের শক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।"
বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে গতি আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানান মোজতবা খামেনি। তিনি মনে করেন, দ্রুত এবং ব্যাপক বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির জন্য মেধাবীদের কাজের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তর প্রদেশে গরু পাচারের অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক শত শত মুসলিম পুরুষকে গুলিবিদ্ধ করার ঘটনা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ আহতদের পায়ে, বিশেষ করে হাঁটুর নিচে গুলি করা হয়েছে, যা পুলিশের ‘অপারেশন ল্যাংড়া’ নামক কৌশলের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। মানবাধিকারকর্মী ও সমালোচকেরা এ ঘটনাকে বিচারবহির্ভূত শাস্তি হিসেবে দেখছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এপির প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানাচ্ছে, আত্মরক্ষার জন্য তারা গুলি চালিয়েছে। রাজ্য সরকারের অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করেছে বলেও দাবি করছে পুলিশ। তবে একই ধরনের গুলির ঘটনা ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাঁটুর ঠিক নিচে গুলি করার কৌশল—যা স্থানীয়ভাবে ‘অপারেশন ল্যাংড়া’ নামে পরিচিত—এখন অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে আইনের শাসন ও ধর্মীয় পক্ষপাত নিয়ে মানবাধিকার আইনজীবী, স্থানীয় বিচারক ও অধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
২০২০ সাল থেকে প্রায় ৬৫০টি গুলির ঘটনা
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে উত্তর প্রদেশে গরু পাচারের অভিযোগে প্রায় ৬৫০টি ঘটনায় সন্দেহভাজনদের গুলি করে আহত করা হয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে ২০০টির বেশি ঘটনা স্বাধীনভাবে যাচাই করেছে এপি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অধিকাংশ ঘটনায় সন্দেহভাজনদের হাঁটুর নিচে গুলি করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা পালানোর চেষ্টা করছিলেন বা গুলি চালিয়েছিলেন, এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়।
উত্তর প্রদেশের ফরেনসিক চিকিৎসাবিদ্যার অধ্যাপক মোহাম্মদ কলিম খান বলেন, পালিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তির পায়ের পেশির মধ্য দিয়ে গুলি প্রবেশ করে হাড়ে আঘাত না করা—বিশেষ করে দূর থেকে এমনটি ঘটানো—অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তার মতে, এ ধরনের ক্ষত কাছ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি করার ইঙ্গিত দিতে পারে।
গবেষণা সংস্থাটির বিশ্লেষণ করা পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য থাকা ৬২৭টি ঘটনার মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি আহত সন্দেহভাজন মুসলিম ছিলেন। তবে পুলিশের প্রকাশ করা ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তথ্য সংগ্রহ করায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধর্মীয় পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার পুলিশের
উত্তর প্রদেশের জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা অমিতাভ যশ বলেছেন, পুলিশকে কেবল আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। সন্দেহভাজনদের পায়ে গুলি করার কোনো নির্দেশ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
আহতদের মধ্যে মুসলিমদের সংখ্যা বেশি হওয়ার পেছনে গবাদিপশুর ব্যবসায় তাদের অংশগ্রহণকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা। তার দাবি, পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্মীয় পক্ষপাতের অভিযোগ সঠিক নয়। তবে পুলিশের প্রতিটি পদক্ষেপের জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন বলেও তিনি স্বীকার করেন।
পুলিশের গুলিতে নিহতদের এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম
প্রতিবেদনে পাওয়া রাজ্য পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, যোগী আদিত্যনাথ ২০১৭ সালের মার্চে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩১৬ জন সন্দেহভাজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১০ জন, অর্থাৎ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম।
অথচ রাজ্যটির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মুসলিম। একই সময়ে পুলিশের গুলিতে ১২ হাজার ৮৯০ জন সন্দেহভাজন আহত হয়েছেন। দায়িত্ব পালনকালে ১৮ পুলিশ সদস্য নিহত এবং ১ হাজার ৯৫৩ জন আহত হয়েছেন। তবে আহত সন্দেহভাজনদের ধর্মীয় পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র থেকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতাকেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে ঝুঁকে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন সমালোচকেরা। তাদের মতে, উত্তর প্রদেশে অপরাধ দমনের কঠোর নীতি মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। তবে পুলিশ ধর্মীয় পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গুলিতে পঙ্গুত্ব, বিপাকে পরিবার
এপি ছয়জন গুলিবিদ্ধ মুসলিমের স্বজনের সঙ্গে কথা বলেছে। প্রতিশোধের আশঙ্কায় তারা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। তাদের স্বজনেরা কেউ কারাগারে রয়েছেন, কেউ আত্মগোপনে আছেন।
দুই মা জানিয়েছেন, তাদের ছেলেরা মহিষের ব্যবসা করতেন। তাদের দাবি, মহিষ গরু সুরক্ষাসংক্রান্ত আইনের আওতাধীন নয়। পুলিশের গুলিতে আহত হওয়ার পর তাদের ছেলেরা আর কাজ করতে পারছেন না। ফলে পরিবারগুলো অন্যের সাহায্য ও ছোট অঙ্কের ঋণের ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে।
এক মা বলেন, তার ছেলে এখন খুঁড়িয়ে চলেন এবং কাজ করতে পারেন না। অন্যের দেওয়া সাহায্য নিয়েই তাদের দিন কাটছে।
সূত্র: এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্ব খাতে পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি, যিনি অতীতে বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ করেছেন— এমন উপলব্ধি থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে, তার ভাতিজা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে তার পক্ষে এই টাকা জমা দেন, যা পূর্বের ভ্রমণের ভাড়া পরিশোধের উদ্দেশ্যে।
হাবিবুর রহমান সুলতানপুর ইউনিয়নের রাধিকা এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি দীর্ঘকাল সৌদি আরবে প্রবাসী ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী কবির হোসেন তালুকদার বিকেলে তার ফেসবুক পেজে বিষয়টি তুলে ধরেন।
তিনি জানান, হাবিবুর রহমান অতীতে ভুলবশত টিকিট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন বলে উপলব্ধি করেছেন এবং সেই কারণে তিনি পূর্বের ভ্রমণের ভাড়া পরিশোধ করেছেন। তার ভাতিজা রেলওয়ের রাজস্ব খাতে পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। এই উদ্যোগে রেল কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট।
কবির হোসেন তালুকদার বলেন, "মানুষের প্রকৃত মহত্ত্ব প্রকাশ পায় নিজের ভুল উপলব্ধি করা এবং তা সংশোধনের সাহস দেখানোর মধ্য দিয়ে। সততা মানে শুধু অন্যের কাছে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত হওয়া নয়, নিজের বিবেকের কাছেও স্বচ্ছ থাকা।" হাবিবুর রহমানের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং এটি অন্যদের সততা ও দায়িত্বশীলতার চর্চায় উৎসাহিত করবে।
তিনি আরও বলেন, "বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণকারীরা যদি হাবিবুর রহমানের মতো দায়িত্ববোধ থেকে নিজেদের ভুল সংশোধনে এগিয়ে আসতেন, তাহলে রেলওয়ের আয় বাড়ার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখত।" তিনি জানান, ইদানীং মাঝে মাঝে পুরোনো দায় শোধের খবর পাওয়া যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ