১২:৪১ এম
মো: আলাল হোসেন নামে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসার আড়ালে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। আলাল হোসেন উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের বাসিন্দা জনৈক জহুর উদ্দিনের পুত্র। পুলিশ জানিয়েছে, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গা বাজারে একটি ছোট দোকান পরিচালনার পাশাপাশি, তিনি বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্মে অর্থ লেনদেন ও রিচার্জের কাজ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন নজরদারি চালানোর পর বৃহষ্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযানে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
আটকের সময়, পুলিশের দাবি অনুযায়ী, আলাল হোসেনের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত চারটি স্মার্টফোন, একাধিক মোবাইল সিম এবং নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় নতুন জুয়া আইন-২০২৬–এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, নতুন জুয়া আইন কার্যকরের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো পরিচালনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ভূরুঙ্গামারীকে মাদক, চোরাচালান ও জুয়ার অপতৎপরতা থেকে মুক্ত রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় অ্যাংলেটে লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
থানার ওসি মোঃ আজিম উদ্দিন বলেন, "জুয়া, মাদক ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বহাল রয়েছে। আইন বাস্তবায়নে অতিসতর্ক হতে হবে, অবৈধ অনলাইন জুয়া, অর্থপাচার বা অন্য কোনো অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন