ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৈয়দপুরে খেলাধুলা সচল রাখতে পাশে থাকবে প্রশাসন: ইউএনও


সৈয়দপুরে খেলাধুলা সচল রাখতে পাশে থাকবে প্রশাসন: ইউএনও

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবে খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যাক, তা কারও কাম্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা। তিনি জানান, ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবে খেলাধুলা বন্ধ হোক, এটা কারও উদ্দেশ্য নয়। তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব সময় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

তিনি নলেন, স্থানীয় খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের মনোবল ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবে যেন দুর্বল না হয়, খেলাধুলা যেন বন্ধ না হয়, সেই দিকে তিনি বিশেষ নজর দেবেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাও নিশ্চিত করে না, বরং যুবসমাজকে মাদক, অপরাধ ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মাঠভিত্তিক ক্রীড়া কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে উপজেলা প্রশাসন সব সময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

খেলাধুলার বিষয়ে স্থানীয় এক ক্রীড়াবিদ বলেন, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা একজন অত্যন্ত ভাল মনের মানুষ। তিনি যেভাবে ক্রীড়া সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা খেলোয়াড়দের দিয়ে আসছেন, তা প্রশংসনীয়। এমন সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টুর্নামেন্ট ও অনুশীলন আরও গতিশীল হবে। এতে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি যুবসমাজের মধ্যে সুস্থ বিনোদন ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও জোরদার হবে। জানা গেছে, সম্প্রতি তিনি ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও তরুণদের খেলাধুলামুখী করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ এম


কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে এই আলোচনা সভা এবং দোয়ার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সমন্বয়ক রোকনুজ্জামান রোকনের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার, ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলা উদ্দিন মন্ডল, সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম আকন্দ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আনোয়ার হোসেন, সেক্রেটারি ফেরদৌস হোসেন এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, হেফাজতে ইসলামের উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ জুলাই যোদ্ধারা।

আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরামের আত্ন প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ এম


অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরামের আত্ন প্রকাশ

দক্ষিণ বঙ্গের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি নতুন সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে, যার নাম ''অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরাম''।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর রাবেয়া ফজলে করিম মহিলা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল বেলায় আলোচনা সভার মাধ্যমে সংস্কৃতিক সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়।

এই সংগঠনের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অধ্যাপক আবদুল হাকিমকে আহবায়ক এবং জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চুকে সদস্য সচিব করে ২৬ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বরিশালসহ গোটা দক্ষিণ বঙ্গের এই নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ''অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরাম'' নিজস্ব ভূমিকায় সারাদেশে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে বলে সংগঠনের নব গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কলাপাড়ায়

যোগাযোগ উন্নয়নে অপ্রশস্ত কালভার্ট, বন্ধ খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


যোগাযোগ উন্নয়নে অপ্রশস্ত কালভার্ট, বন্ধ খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ

বাদুরতলীর খালটি প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ। আর এর প্রস্থ ভেদে ২০০ থেকে ৪০০ ফুট। কিন্তু স্লুইস সংযুক্ত এই খালটিতে বিভিন্ন স্থানে মাটির বাঁধ দিয়ে ১৫-২৫/৩০ ফুট প্রস্থ কালভার্ট তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয়েছে। ক্রমশ পলির আস্তরণে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। এর সঙ্গে প্রতিটি পাড়ে খাল দখল করে অসংখ্য স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বাড়িঘর থেকে পুকুর পর্যন্ত এই দখল চলে এসেছে। সরকারি অর্থায়নে এইভাবে খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করায়, খালটি বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এই খালের পানি টিয়াখালী ইউনিয়নের একাংশসহ পৌরসভার শত শত পরিবার কৃষিকাজসহ নিত্যদিনের কাজে ব্যবহার করছেন। একই অবস্থা চিংগুরিয়া খালটিরও। প্রায় ৪০-৫০ ফুট প্রস্থ খালটিতে মূল সড়ক নির্মাণ করতে মাত্র ৪-৫ ফুট প্রস্থ একটি কালভার্ট বানানো হয়েছে। চাকামইয়া নিশানবাড়িয়া থেকে দিত্তার দিকে বহমান অন্তত একশ ফুট প্রস্থ খালে মাত্র ২০ ফুট প্রস্থ একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এইভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শত শত খালের পানির প্রবাহ আটকে যোগাযোগের জন্য অপরিকল্পিতভাবে সড়ক নির্মাণের নামে অপ্রশস্ত কালভার্ট তৈরি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কোথাও কোথাও বাঁধ দিয়ে পানি চলাচলের পথ সম্পূর্ণভাবে রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব স্লুইস সংযুক্ত ড্রেনেজ খালগুলোর জন্য যেহেতু অপ্রশস্ত কালভার্ট গড়া হয়েছে, তাই শত শত খালের পানির প্রবাহ আটকে ভরাট হয়ে গেছে। এর ফলে খালগুলো বর্তমানে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এসব খালকে আবার আশির দশকে স্থানীয় ভূমি অফিস থেকে চাষযোগ্য কৃষি জমি বলে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। অনেক অভিযোগ রয়ছে এরকম অসংখ্য। অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে ও ভূমি অফিসের কিছু কর্মচারী এবং তাদের দালালদের যোগসাজশে খালগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। এর ফলে গত ১৫ বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে কৃষকসহ সাধারণ মানুষ ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় পড়ছেন। আর শুকনো মৌসুমে রবিশস্যসহ সবজি চাষের জন্য স্বাদু পানি পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষি ব্যবস্থায় বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এবং বর্তমান এই সংকট অত্যন্ত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

কৃষক সুলতান গাজী জানান, খালের পানি চলাচলের পথ বন্ধ করা সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত। দশটি কালভার্ট না করে যদি খালের প্রস্থ সমান একটি গার্ডার ব্রিজ তৈরি করা হতো, তাহলে এই স্থায়ী সমস্যা হতো না। খাল না থাকলে পানি থাকবে না। পানি না থাকলে কৃষি উৎপাদন থাকবে না। আর পরিবেশের বিপর্যয়ও ঘটবে। পরিবেশ সংগঠক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারিভাবে খালের উপরে যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য পরিকল্পনায় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কোন ধরনের পরামর্শ করা হয় না। তাঁদের মতামত নেওয়া হয় না। শুধুমাত্র ব্যবসায়ীক ধ্যান-ধারণায় খালে বাঁধ ও অপ্রশস্ত কালভার্ট তৈরি করে পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আনা হয়েছে। এক পশলা বৃষ্টি হলেই গ্রাম শহর সর্বত্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এজন্য এখন থেকে খালের প্রস্থ ঠিক রেখে কালভার্ট কিংবা ব্রিজ তৈরি করা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, পানির প্রবাহ আটকে ছোট ছোট কালভার্ট ভেঙে পানির প্রবাহ সচল করার পরামর্শ দিয়েছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কলাপাড়া প্রতিনিধি মুহাম্মদ আল ইমরান বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন তারা সাধারণ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো উন্নয়ন করতে গিয়ে পরিবেশ প্রতিবেশ ধ্বংস করেছেন। এতে সরকারি দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। তাই সবক্ষেত্রে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।’ কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মো: আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, খাল দখল করে দেওয়া অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি জানান, পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় খাল খনন কিংবা কোনও প্রকল্প গ্রহণ করা হলে কৃষকদের পরামর্শ নিয়েই করা হবে। এবং অপ্রশস্ত কালভার্ট প্রশস্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি

ভোলার লালমোহন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়ব। তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তার কোনও হদিস পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও তিনি নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা তুলতেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুবাধে তিনি জড়িয়ে পড়েছিলেন নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে বেশ কিছু লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ বিষয়ক প্রতিক্রিয়া পেয়ে তিনি চরম বিতর্কের মুখে পড়েন।

এই অভিযোগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বিদ্যালয়ের ২১৫টি দোকান রয়েছে। এই দোকানগুলো ২০১২ সালে বরাদ্দ দেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়ব, তখন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন। বরাদ্দের নামে প্রতিটি দোকান থেকে ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। দোকানগুলোর বরাদ্দের চুক্তিতে তার স্বাক্ষরও রয়েছে। কেবল এই দোকান বরাদ্দ দিয়েই ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন এবং বিদ্যালয়ের জমি অবৈধভাবে বিক্রির সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল তার। গঠিত তদন্ত কমিটি ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মে পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে। তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বের একাধিক অনিয়মের তথ্য নিশ্চিত করা হয়। কিন্তু এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষক এলপিআর-এ চলে যান। তদন্ত কমিটি সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক না করতে এবং তার বেতন-ভাতা স্থগিত করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন।

তবে তদন্ত কমিটির সুপারিশ আমলে নিয়ে গত ১৭ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-১) এসএম জিয়াউল হায়দার হেনরী স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন ও আর্থিক লেনদেনের ক্ষমতা প্রদান করা হয়। এই আদেশ পাওয়ার পর দীর্ঘ দুই বছর পর প্রকাশ্যে আসেন তিনি এবং এরপর থেকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন শুরু করেন আবু তৈয়ব।

এদিকে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আবু তৈয়বের অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ, মানববন্ধন এবং ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। তবে আবু তৈয়ব এখনও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন লালমোহন সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন মহল। তারা বলছেন, যার বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে তাকে কিভাবে আবারো পদোন্নতি দিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়? এখন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তিনি দুর্নীতি করেও যেহেতু পদোন্নতি পেয়েছেন, তাহলে তিনি এখন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবেন। তার এই দায়িত্বে থাকা অবস্থায় লালমোহনের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টি নিজেদের গৌরব হারাবে এবং শিক্ষার পরিবেশ ও মান ক্ষুণ্ণ হবে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু তৈয়ব জানান, তদন্ত কমিটি আমার কাছে কোনো বিষয় জানতে ডাকেননি। তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তখন আমি কোনও আয়ণ-ব্যয়ণ কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলাম না। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর উল্লেখিত তদন্ত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে আমাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছে। এছাড়া তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-১) এসএম জিয়াউল হায়দার হেনরী মন্তব্য করেন, সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ মন্ত্রণালয়। শাস্তি আরোপও করতে পারে মন্ত্রণালয়। এর কারণে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনটি আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যক্রম চলমান থাকবে। অফিসিয়ালভাবে অপরাধের ফাইনাল সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সঠিক। তবে ওই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগনামা গঠিত হবে। এরপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমপর্ণ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যদি তখন তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া যদি তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে বেতন-ভাতা ভোগ করেন, তাহলে তাকে তা ফেরত দিতে বাধ্য হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%