ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লালমনিরহাটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ত্রাণমন্ত্রীর সহায়তা


লালমনিরহাটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ত্রাণমন্ত্রীর সহায়তা

লালমনিরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মহোদয়ের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান। এসময় মন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে ৯ বান্ডিল টিন ও নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড এলাকায় বাসিন্দা ট্রাক্টর মেকানিক জিয়ারুল হকের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে, যা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে পরিবারটির চারটি ছাগল দগ্ধ হয়ে মারা যায় এবং তাদের বসতঘরসহ মালামালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় পরিবারটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং নিঃস্ব হয়ে যায়।

ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির খোঁজখবর নিয়ে সমবেদনা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাঁর পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে ৯ বান্ডিল টিন ও নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। সহায়তা প্রদানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রাসেল মিয়া, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস এবং পৌর বিএনপির সভাপতি আফজাল হোসেন। ত্রাণ বিতরণের সময় জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার সব সময় দুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈয়দপুরে খেলাধুলা সচল রাখতে পাশে থাকবে প্রশাসন: ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫১ এম


সৈয়দপুরে খেলাধুলা সচল রাখতে পাশে থাকবে প্রশাসন: ইউএনও

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবে খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যাক, তা কারও কাম্য নয় বলে উল্লেখ করেছেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা। তিনি জানান, ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবে খেলাধুলা বন্ধ হোক, এটা কারও উদ্দেশ্য নয়। তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব সময় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

তিনি নলেন, স্থানীয় খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের মনোবল ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবে যেন দুর্বল না হয়, খেলাধুলা যেন বন্ধ না হয়, সেই দিকে তিনি বিশেষ নজর দেবেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাও নিশ্চিত করে না, বরং যুবসমাজকে মাদক, অপরাধ ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মাঠভিত্তিক ক্রীড়া কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে উপজেলা প্রশাসন সব সময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

খেলাধুলার বিষয়ে স্থানীয় এক ক্রীড়াবিদ বলেন, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা একজন অত্যন্ত ভাল মনের মানুষ। তিনি যেভাবে ক্রীড়া সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা খেলোয়াড়দের দিয়ে আসছেন, তা প্রশংসনীয়। এমন সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টুর্নামেন্ট ও অনুশীলন আরও গতিশীল হবে। এতে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি যুবসমাজের মধ্যে সুস্থ বিনোদন ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও জোরদার হবে। জানা গেছে, সম্প্রতি তিনি ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও তরুণদের খেলাধুলামুখী করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ এম


কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে এই আলোচনা সভা এবং দোয়ার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সমন্বয়ক রোকনুজ্জামান রোকনের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার, ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলা উদ্দিন মন্ডল, সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম আকন্দ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আনোয়ার হোসেন, সেক্রেটারি ফেরদৌস হোসেন এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, হেফাজতে ইসলামের উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ জুলাই যোদ্ধারা।

আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরামের আত্ন প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ এম


অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরামের আত্ন প্রকাশ

দক্ষিণ বঙ্গের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি নতুন সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে, যার নাম ''অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরাম''।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর রাবেয়া ফজলে করিম মহিলা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল বেলায় আলোচনা সভার মাধ্যমে সংস্কৃতিক সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়।

এই সংগঠনের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অধ্যাপক আবদুল হাকিমকে আহবায়ক এবং জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চুকে সদস্য সচিব করে ২৬ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বরিশালসহ গোটা দক্ষিণ বঙ্গের এই নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ''অনির্বাণ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফোরাম'' নিজস্ব ভূমিকায় সারাদেশে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে বলে সংগঠনের নব গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কলাপাড়ায়

যোগাযোগ উন্নয়নে অপ্রশস্ত কালভার্ট, বন্ধ খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


যোগাযোগ উন্নয়নে অপ্রশস্ত কালভার্ট, বন্ধ খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ

বাদুরতলীর খালটি প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ। আর এর প্রস্থ ভেদে ২০০ থেকে ৪০০ ফুট। কিন্তু স্লুইস সংযুক্ত এই খালটিতে বিভিন্ন স্থানে মাটির বাঁধ দিয়ে ১৫-২৫/৩০ ফুট প্রস্থ কালভার্ট তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয়েছে। ক্রমশ পলির আস্তরণে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। এর সঙ্গে প্রতিটি পাড়ে খাল দখল করে অসংখ্য স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বাড়িঘর থেকে পুকুর পর্যন্ত এই দখল চলে এসেছে। সরকারি অর্থায়নে এইভাবে খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করায়, খালটি বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এই খালের পানি টিয়াখালী ইউনিয়নের একাংশসহ পৌরসভার শত শত পরিবার কৃষিকাজসহ নিত্যদিনের কাজে ব্যবহার করছেন। একই অবস্থা চিংগুরিয়া খালটিরও। প্রায় ৪০-৫০ ফুট প্রস্থ খালটিতে মূল সড়ক নির্মাণ করতে মাত্র ৪-৫ ফুট প্রস্থ একটি কালভার্ট বানানো হয়েছে। চাকামইয়া নিশানবাড়িয়া থেকে দিত্তার দিকে বহমান অন্তত একশ ফুট প্রস্থ খালে মাত্র ২০ ফুট প্রস্থ একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এইভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শত শত খালের পানির প্রবাহ আটকে যোগাযোগের জন্য অপরিকল্পিতভাবে সড়ক নির্মাণের নামে অপ্রশস্ত কালভার্ট তৈরি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কোথাও কোথাও বাঁধ দিয়ে পানি চলাচলের পথ সম্পূর্ণভাবে রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব স্লুইস সংযুক্ত ড্রেনেজ খালগুলোর জন্য যেহেতু অপ্রশস্ত কালভার্ট গড়া হয়েছে, তাই শত শত খালের পানির প্রবাহ আটকে ভরাট হয়ে গেছে। এর ফলে খালগুলো বর্তমানে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এসব খালকে আবার আশির দশকে স্থানীয় ভূমি অফিস থেকে চাষযোগ্য কৃষি জমি বলে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে। অনেক অভিযোগ রয়ছে এরকম অসংখ্য। অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে ও ভূমি অফিসের কিছু কর্মচারী এবং তাদের দালালদের যোগসাজশে খালগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। এর ফলে গত ১৫ বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে কৃষকসহ সাধারণ মানুষ ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় পড়ছেন। আর শুকনো মৌসুমে রবিশস্যসহ সবজি চাষের জন্য স্বাদু পানি পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষি ব্যবস্থায় বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এবং বর্তমান এই সংকট অত্যন্ত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

কৃষক সুলতান গাজী জানান, খালের পানি চলাচলের পথ বন্ধ করা সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত। দশটি কালভার্ট না করে যদি খালের প্রস্থ সমান একটি গার্ডার ব্রিজ তৈরি করা হতো, তাহলে এই স্থায়ী সমস্যা হতো না। খাল না থাকলে পানি থাকবে না। পানি না থাকলে কৃষি উৎপাদন থাকবে না। আর পরিবেশের বিপর্যয়ও ঘটবে। পরিবেশ সংগঠক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারিভাবে খালের উপরে যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য পরিকল্পনায় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কোন ধরনের পরামর্শ করা হয় না। তাঁদের মতামত নেওয়া হয় না। শুধুমাত্র ব্যবসায়ীক ধ্যান-ধারণায় খালে বাঁধ ও অপ্রশস্ত কালভার্ট তৈরি করে পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আনা হয়েছে। এক পশলা বৃষ্টি হলেই গ্রাম শহর সর্বত্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এজন্য এখন থেকে খালের প্রস্থ ঠিক রেখে কালভার্ট কিংবা ব্রিজ তৈরি করা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, পানির প্রবাহ আটকে ছোট ছোট কালভার্ট ভেঙে পানির প্রবাহ সচল করার পরামর্শ দিয়েছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কলাপাড়া প্রতিনিধি মুহাম্মদ আল ইমরান বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন তারা সাধারণ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো উন্নয়ন করতে গিয়ে পরিবেশ প্রতিবেশ ধ্বংস করেছেন। এতে সরকারি দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। তাই সবক্ষেত্রে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।’ কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মো: আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, খাল দখল করে দেওয়া অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি জানান, পানির প্রবাহ ঠিক রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় খাল খনন কিংবা কোনও প্রকল্প গ্রহণ করা হলে কৃষকদের পরামর্শ নিয়েই করা হবে। এবং অপ্রশস্ত কালভার্ট প্রশস্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%