ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় লিগ্যাল এইডের


অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় লিগ্যাল এইডের

 জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ১৫৩ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এই বিষয়টি জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য। শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগণের জন্য এআইনি সেবা প্রদান করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা এবং চট্টগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং দেশের কারাগারগুলোতে এই সেবা কার্যক্রম চালু হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে প্রি ও পোস্ট-কেইসে ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ১৫৩ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় হয়েছে। এর মধ্যে দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩৫৬ কোটি ৮৬ লাখ ১৫ হাজার ২৩৭ টাকা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল-এর মাধ্যমে ৭ কোটি ৩ লাখ ১১ হাজার ৯১৬ টাকা আদায় করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা (লিগ্যাল এইড) অধীনে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা গ্রহণকারী উপকারভোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ জন। দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারে (টোল ফ্রি-'১৬৬৯৯') এই আইনি সেবা প্রদান করা হচ্ছে। দেশের আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণের আইনি সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াল ইরান

ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’ থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টানা হামলার জেরে এবার কঠোর অবস্থানে গেল ইরান। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে শর্ত ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ তুলে তেহরান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইরানের সংবাদমাধ্যম ফার্স জানিয়েছে, দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসলামাবাদ চুক্তির আওতায় তাদের সব প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন এবং স্থগিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপের জবাবে তেহরানও চুক্তিটি বাস্তবায়ন বন্ধ করে দিয়েছে। গারিবাবাদি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান এখন চুক্তি নিয়ে না ভেবে কেবল তাদের ‘দেশ রক্ষায় ব্যস্ত’ রয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে ইরানি কর্মকর্তারা বারবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিলেন। তারা মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে পাল্টা শর্ত জুড়ে দেওয়ার কথাও বলেছিলেন। তবে এবারই প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি পুরোপুরি বাতিলের ঘোষণা দিল তেহরান।

ইরানের কারিগরি আলোচক দলের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন গারিবাবাদি। তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেন, ‘বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র আগেই পুরো চুক্তি স্থগিত করে দিয়েছে। এর ফলে আমরাও একইভাবে আমাদের সব প্রতিশ্রুতি স্থগিত করেছি। আমরা আর ওই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করছি না।’

 

অর্থাৎ, তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিল যে— এই চুক্তির এখানেই সমাপ্তি এবং তারা এর আর কোনো ধারাই মেনে চলবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা এখনও গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা এখনও গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক প্রতিমন্ত্রী

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের এবং জনগণের ক্ষমতায়নের রাজনৈতিক দর্শন আজও ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং বৈষম্যমুক্ত সমাজ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

আজ শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং সেন্টার ফর রিসার্চ অন ন্যাশনালিজম অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (সিআরএনডি)’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের আয়োজনটি কেবল একটি গ্রন্থ প্রকাশের অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা, জাতীয়তাবাদ ও গবেষণার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

একই সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হওয়ায় রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে একাডেমিক গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রূপকার এবং আধুনিক বাংলাদেশের অন্যতম স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের আপসহীন দেশপ্রেম, বাস্তবমুখী রাষ্ট্রচিন্তা এবং জনগণের ক্ষমতায়নের দর্শন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণের দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।

তিনি একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রম হারানো মা-বোন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান। আহতদের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন’ গ্রন্থটি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি নির্মাণের একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও মৌলিক প্রয়াস। অতীতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ নিয়ে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আলোচনা হলেও, এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদর্শন হিসেবে বিশ্লেষণের এমন বিস্তৃত প্রচেষ্টা খুব কমই দেখা গেছে।

তিনি বলেন, এই গ্রন্থে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে কেবল একটি রাজনৈতিক মতবাদ হিসেবে নয়, বরং গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক মুক্তি, জনগণের ক্ষমতায়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বিত একটি রাষ্ট্রদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তার মতে, গ্রন্থটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে গবেষণাযোগ্য একটি তাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা। এর ফলে বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং রাষ্ট্রবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, জনপ্রশাসন, অর্থনীতি, নিরাপত্তা অধ্যয়ন এবং উন্নয়ন গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হতে পারে।

তিনি বলেন, গ্রন্থের বিভিন্ন প্রবন্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তাকে রাজনৈতিক অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, বহুদলীয় গণতন্ত্র, রাষ্ট্র পুনর্গঠন, শিক্ষা, পুলিশ সংস্কার, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

বিশেষ করে রাষ্ট্র ও নাগরিকের পারস্পরিক দায়বদ্ধতা, অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন এবং আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র গঠনের প্রশ্নগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, একটি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ হিসেবে ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আগামী সংস্করণগুলোতে যদি আরও বেশি প্রাথমিক দলিল, আন্তর্জাতিক গবেষণার সূত্র, তুলনামূলক বিশ্লেষণ এবং ভিন্নমতের একাডেমিক মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে এর আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে।

কারণ প্রকৃত গবেষণার সৌন্দর্য নিহিত থাকে মতের বহুমাত্রিকতা এবং অনুসন্ধানের সাহসের মধ্যে।

সেন্টার ফর রিসার্চ অন ন্যাশনালিজম অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (সিআরএনডি) কার্যক্রম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি বই একটি সময়কে ধারণ করে, কিন্তু একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে। তাই এই প্রতিষ্ঠানের সামনে রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সিআরএনডি ভবিষ্যতে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সুশাসন, জনপ্রশাসন, মানবাধিকার, পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত রূপান্তর এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনা করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে জাতীয়তাবাদের ভিত্তির ওপর একটি আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন, সেই আদর্শ ধারণ করতে পারলে দেশ আরও এগিয়ে যাবে।

প্রতিটি নাগরিক যদি দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, সততা এবং দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন, তাহলে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠারের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সড়ক প্রতিমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে দেশ, জনগণ এবং জাতীয় নেতৃত্বের কল্যাণ কামনা করেন।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। ‘সবার আগে দেশ, গর্বের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ শরীফ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন, সংসদ সদস্য মানসুরা আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড.এ কে এম ওবায়দুর রহমান, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের প্রথম বেসরকারি অরবিটাল রকেটের সফল উৎক্ষেপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


ভারতের প্রথম বেসরকারি অরবিটাল রকেটের সফল উৎক্ষেপণ

ভারতে প্রথম বেসরকারিভাবে নির্মিত অরবিটাল রকেট ‘বিক্রম-১’-এর পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন শনিবার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের শ্রীহরিকোটা থেকে এএফপি জানায়, স্কাইরুত অ্যারোস্পেস নির্মিত এবং পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে (লো-আর্থ অরবিট) ক্ষুদ্র উপগ্রহ বহনের উপযোগী বিক্রম-১ রকেটটি অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। উৎক্ষেপণের সময় উপস্থিত দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

উৎক্ষেপণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ স্কাইরুট অ্যারোস্পেস লিখেছে, ‘হ্যালো মহাকাশ, আমরা এসে গেছি! বিক্রম-১-এর টেস্ট ফ্লাইট-১ সফলভাবে তার মিশন সম্পন্ন করেছে। ভারতের বেসরকারি খাতের প্রথম মহাকাশ উৎক্ষেপণ সফলভাবে সম্পন্ন হলো।’

এই রকেটটি প্রায় সাততলা ভবনের সমান উচ্চতা এবং সর্বোচ্চ ৩৫০ কেজি ওজনের পেলোড বহনে সক্ষম।

ভারতের ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার (ইন-স্পেস)-এর চেয়ারম্যান পবন গোয়েঙ্কা বলেন, ভারতের কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রথম অরবিটাল উৎক্ষেপণের জন্য এই সাফল্য ‘প্রত্যাশারও অনেক বেশি’ বলেই মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ সাফল্যকে ‘ভারতের মহাকাশ অভিযাত্রার এক যুগান্তকারী মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি খাতের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে এবং উদ্ভাবনের গতি ত্বরান্বিত করছে। এই অর্জন অসংখ্য তরুণকে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে এবং নির্ভীকভাবে উদ্ভাবনে অনুপ্রাণিত করবে।’

বিক্রম-১ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষামূলক পেলোড বহন করছে যার মধ্যে রয়েছে পরীক্ষাগারে তৈরি একটি হীরা, মহাকাশের আবর্জনা অপসারণে সক্ষম রোবোটিক বাহু এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে তৈরি একটি ক্ষুদ্র রকেটের প্রতিরূপ। এতে ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম সারাভাই, সি. ভি. রমন এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট মহাকাশবিজ্ঞানী এ. পি. জে. আবদুল কালামের ক্ষুদ্র ভাস্কর্য সংযোজিত রয়েছে।

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)’র বিভিন্ন বছরের বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ভারতের মহাকাশ কর্মসূচি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত অগ্রসর হয়েছে। ২০২০ সালে বেসরকারি খাতের জন্য মহাকাশ খাত উন্মুক্ত করার কারণে দেশটির মহাকাশ অর্থনীতির দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটেছে। বর্তমানে প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই খাতে ৪০০টিরও বেশি মহাকাশভিত্তিক স্টার্টআপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর উৎক্ষেপণের পর বলেন, ‘ভারতের মহাকাশ আকাঙ্ক্ষা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।’ ২০২৩ সালের আগস্টে ভারত চাঁদে সফলভাবে মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান অবতরণকারী বিশ্বের চতুর্থ দেশ হয়েছে। এর আগে এ কৃতিত্ব অর্জন করেছে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

ইসরোর সাবেক চেয়ারম্যান কে. শিবান বলেন, মহাকাশ খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাফল্য প্রমাণ করে, এ খাত উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্তের সুফল এখন মিলতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে স্কাইরুটের ক্ষেত্রে রকেট প্রযুক্তি মহাকাশ ব্যবস্থার সবচেয়ে জটিল প্রযুক্তিগুলোর একটি। এই সাফল্য আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করবে।’ তিনি আরও বলেন, এই উৎক্ষেপণ নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক পরিসরেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেন, ‘যদি একটি ভারতীয় স্টার্টআপ মহাকাশ শিল্পের সবচেয়ে জটিল প্রযুক্তিগুলোর একটি সফলভাবে তৈরি করতে পারে, তাহলে তা বৈশ্বিক পরিসরে ভারতের সুনাম আরও বাড়িয়ে দেবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে শহিদ আবু সাঈদ আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসফিকুল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধি

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


বেরোবিতে শহিদ আবু সাঈদ আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিবিদ্যালয়, রংপুর-এ শহিদ আবু সাঈদের স্মরণে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ (সিজন-২) এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই, ২০২৬) বিকেলে উৎসবমুখর পরিবেশে ছাত্র ও ছাত্রীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দুটি ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং খেলার মাঠে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে ছাত্রীদের মাঝে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে বাংলা বিভাগকে পরাজিত করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অপর ফাইনাল ম্যাচে ছাত্রদের মধ্যে খেলায় ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় জেন্ডার এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ।

খেলা শেষ হওয়ার পর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি খুবই চমৎকারভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চা ছাত্রছাত্রীদেরকে নেতিবাচক কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখে এবং নেতৃত্ব বিকাশে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের মানবিক বিকাশে পড়ালেখার পাশাপাশি এ ধরনের ক্রীড়া চর্চা অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

শহিদ আবু সাঈদ আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ (সিজন-২)-এর আহ্বায়ক ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোঃ ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বেরোবি রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াছ প্রামানিকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%