ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বাধীনতা না চাওয়া গোষ্ঠী সংসদে স্বাধীনতার কথা বলছে: রাশেদ খান


স্বাধীনতা না চাওয়া গোষ্ঠী সংসদে স্বাধীনতার কথা বলছে: রাশেদ খান

বিএনপির নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চায়নি, তারাই আজকের সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার কথা বলছে। 

তিনি বলেন, যারা এই দেশের স্বাধীনতা চায়নি, একটি পতাকা চায়নি, একটি মানচিত্র চায়নি এবং সার্বভৌমত্ব চায়নি, তারাই এখন সংসদে এসে স্বাধীনতার কথা বলে বসেছে। এটি জাতির জন্য একটি অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। জামায়াতে ইসলাম, যারা সেই ৭১-এর গণহত্যার সহযোগী দল, ঠিক সেই নামে বাংলাদেশের রাজনীতি করছে।

রাশেদ খান আরো উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেই নির্বাচনে তারা প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। এটা আমাদের জন্য একটি দুর্ভাগ্য। তবে, তিনি বলেন যে, তাদের কণ্ঠে সেই ধরনের জোর নেই। কারণ হীনমন্যতার কারণে তারা জানে যে, তারা দেশের স্বাধীনতা কখনো চাইতে পারেনি।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এই কারণে, তারা যদিও বিরোধিতা করতে চায়, তবুও সেটি সঠিকভাবে করতে পারে না। তিনি যখন জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদকে উল্লেখ করেন, তখন বলেন, তিনি তার এলাকার একটি প্রোগ্রামে জানান, আমরা সংসদে যতই চিল্লাপাল্লা করি না কেন, আমরা বাইরে আবার একসঙ্গে চা খাই, লাউঞ্জে একসঙ্গে বসে আড্ডা দেই। এই কথাগুলো মূলত বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে শান্ত করার জন্য বলা হচ্ছে।

এটা মূলত তখন করতে হয় যখন সংসদে আপনাদের আওয়াজটা উপস্থাপন করা প্রয়োজন। রাশেদ খান বলেন, সংসদে যে বাজেট অধিবেশন চলছে, আপনার কি মনে হয় যে এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? তারা বলছেন যে, আমি ছায়া সরকার গঠন করেছি। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনাদের ছায়া অর্থমন্ত্রী কে? যিনি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বাজেটের উপর দোষ বা সমালোচনা করবেন। এখন বাজেটের আলোচনায় তারা অন্যদিকে চলে যাচ্ছে। ট্রেন যেমন লাইনচ্যুত হয়, ঠিক তেমনভাবেই আমাদের বিরোধী দল এই বাজেটের আলোচনায় লাইনচ্যুত হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে রাশেদ আরো বলেন, ১৬ বছর ধরে বিএনপির অনেকেই ঘরে ঘুমাতে পারেননি। অনেকেই বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে নির্বাসিত জীবনে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন যদি এই মানুষগুলোকে কেউ কটাক্ষ করেন, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, তারা এতদিন কোথায় ছিলেন? ১৬ বছর তো আমরা আপনাদের সংগ্রাম করতে দেখিনি।

তিনি বলেন, ১৬ বছরে যাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে এবং যারা হাসিনার আমলে জুলুমের কারণে ব্যাংক থেকে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ঋণ নিয়েছিলেন, তারা এখন শোধ করতে পারছেন না। এই দোষটা আসলে শেখ হাসিনার নাকি যিনি ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেছিলেন তার? ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার পর যাদের ব্যবসা বাণিজ্য আছে, তাদেরকে কোনভাবে কটাক্ষ করা উচিত নয়।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া নোয়াখালীর আলোচিত ব্যক্তি আজাদ মেম্বারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে অনলাইন ও অফলাইনে উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রয়েছে তার বিরুদ্ধে।  

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, একই দিন দুপুরে সেনবাগ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আজাদ মেম্বার উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আজাদ মেম্বার স্থানীয়ভাবে একজন চা বিক্রেতা হলেও আর্জেন্টিনা ফুটবল দল ও লিওনেল মেসির প্রতি ভালোবাসার কারণে দেশব্যাপী পরিচিতি পান। নিজের বাড়ি, দোকান ও আশপাশের এলাকাকে আকাশী-সাদা রঙে সাজিয়ে তিনি ‘আর্জেন্টিনা নগর’ নামে আলোচনায় আসেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলে এলাকাবাসীকে ভোজ দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন তিনি। এ কারণে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও টেলিভিশন টকশোতেও অংশ নিয়েছিলেন। ফুটবলপ্রেমী হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় তৃণমূল নেতা ও অনলাইন কর্মী ছিলেন। এর আগেও রাজনৈতিক মামলায় তিনি কারাভোগ করেছেন।

সেনবাগ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শ (এএসআই) মো.মিলন বলেন, আসামি বিকেলে দিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ ঘাটতিতে নগর-গ্রাম উভয়ই বিপর্যস্ত, নগরে ২৫ শতাংশ ঘাটতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


বিদ্যুৎ ঘাটতিতে নগর-গ্রাম উভয়ই বিপর্যস্ত, নগরে ২৫ শতাংশ ঘাটতি

 

তাপমাত্রা বাড়লে, এ কারণে লোডশেডিং বা বিদ্যুৎবিভ্রাট বেড়ে যায়— এই ধারণা গ্রহণ করেন গ্রামের বাসিন্দারা। কিন্ত, গত কয়েক দিন ধরে ময়মনসিংহ নগর এলাকায় লোডশেডিং অত্যাধিক বেড়ে গিয়েছে।

বাসিন্দাদের বক্তব্য, নগরে দিনে কিংবা রাতে কিছুক্ষণের জন্য লোডশেডিং হয়ে চলেছে। এর পাশাপাশি অনেক গ্রামের বাসিন্দারা দিনের অর্ধেক সময়েও বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। এই কারণে তারা ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ময়মনসিংহ নগরে দুটি কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

এই দুটি কেন্দ্রের সূত্র অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) থেকে বিদ্যুতের চাহিদার ২৫ শতাংশ ঘাটতি স্পষ্ট হয়েছে। তবে কখনো কখনো বিদ্যুৎ সরবরাহ আরো কমে যায়। এই ঘাটতির ফলে নগরের সব এলাকায় লোডশেডিং করা হয়।

গত শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যার পর ময়মনসিংহ নগরের নওমহল এবং আর কে মিশন রোড এলাকায় গিয়ে জানা যায়, প্রতি এক ঘণ্টা পর লোডশেডিং করছে।

এদিকে, তীব্র গরমের মধ্যে ওই সব এলাকার বাসিন্দাদের খোলা জায়গায় বসে থাকতে দেখা গেছে।

আর কে মিশন রোড এলাকার বাসিন্দা কামরুল হাসান মন্তব্য করেছেন, ‘শুক্রবার, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সাধারণত লোডশেডিং হয়। তবে আজ (শুক্রবার), সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কিছুক্ষণ পর পর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এই গরমের দিনে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মানুষ অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে পড়েছে।’

জানা যায়, গত বুধবার থেকে ময়মনসিংহ নগরে হঠাৎ করে লোডশেডিং বেড়ে গেছে।

পিডিবির বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিক্রয় কেন্দ্র ময়মনসিংহ উত্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউল ইসলাম জানিয়েছেন, ওই কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল শুক্রবার দুপুরে ৪০ মেগাওয়াট। এ সময় সরবরাহ ছিল ৩০ মেগাওয়াট। ফলে ১০ মেগাওয়াটের ঘাটতির কারণে নগরের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করা হয়।

নগরের বিতরণ ও বিক্রয় কেন্দ্র দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায় কালের কণ্ঠকে জানান, শনিবার (২৭ জুন) সকালে কেন্দ্রের অধীনে পরিচালিত এলাকায় সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪৮ মেগাওয়াট। এসময় সরবরাহ ছিল ৩০ থেকে ৩২ মেগাওয়াট।

সুব্রত রায় জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য তিনটি গ্রিড ব্যবহৃত হয়। তিনটি গ্রিডের মধ্যে একটি হলো গাজীপুরের শ্রীপুর গ্রিড। বর্তমানে শ্রীপুর গ্রিড থেকে ময়মনসিংহ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এই কারণে ময়মনসিংহ শহরে লোডশেডিং বেড়ে গেছে।

জানা গেছে, জেলার গ্রামাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় ১২ ঘণ্টার চেয়েও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৩ এর অধীনে জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলার কিছু অংশসহ মোট সাতটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তি বেড়েছে ওই সাত উপজেলার বাসিন্দাদের।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম বলেছেন, দিনে ও রাতে অর্ধেক সময়েও বিদ্যুৎ থাকে না। এই পরিস্থিতিতে মানুষের ভোগান্তির অন্ত নেই। মানুষের সঙ্গে গবাদি পশুরাও কষ্টে রয়েছে।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ডিজিএম (কারিগরি) আবু রায়হান জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুর ১২টার সময় জেলার সাতটি উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৭৫ মেগাওয়াট। সেই সময় চাহিদার তুলনায় ৪৫ শতাংশ ঘাটতি ছিল। এই চাহিদা এবং ঘাটতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিবর্তন হচ্ছে।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধীনে থাকা বাকি ছয় উপজেলার গ্রামগুলোতেও গত কয়েকদিন ধরে লোডশেডিং চলছে। সেসব এলাকার মানুষও ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষিতেই ভাগ্য বদল-ভান্ডারিয়ার সুমনের সফলতার গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


কৃষিতেই ভাগ্য বদল-ভান্ডারিয়ার সুমনের সফলতার গল্প
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদ মাহমুদ সুমন সমন্বিত কৃষি চাষের মাধ্যমে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মাত্র ৮৮ শতক জমিতে ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করা তার কৃষি উদ্যোগ তিন বছরের ব্যবধানে সম্প্রসারিত হয়ে এখন প্রায় ৫ একর জমিতে বিস্তৃত হয়েছে। কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই খামার থেকে তিনি বছরে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা লাভ করছেন।

উপজেলার ৭ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের রাধানগর এলাকায় গড়ে ওঠা এই সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে রয়েছে ভারতীয় শাহী জাতের পেঁপে, আম, বাতাবি লেবুর বাগান এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছের চাষ। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগে খামারটি এখন স্থানীয় কৃষকদের জন্য অনুকরণীয় মডেলে পরিণত হয়েছে।

খামারের প্রধান আকর্ষণ ভারতীয় শাহী জাতের পেঁপে। প্রতিটি পেঁপের ওজন তিন থেকে চার কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পেঁপে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খামারে প্রায় ৪০০টি পেঁপে গাছ রয়েছে এবং প্রতিটি গাছ থেকে বছরে গড়ে প্রায় তিন হাজার টাকার পেঁপে বিক্রি হয়।

পেঁপে চাষের পাশাপাশি খামারের তিনটি পুকুরে তেলাপিয়া, পাঙাশ, রুই, কাতলা, গুলিশা ও গলদা চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে আম ও বাতাবি লেবুর বাগান। কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সমন্বয়ের ফলে খামারের উৎপাদন ও লাভজনকতা দিন দিন বাড়ছে।

খামারটিতে নিয়মিত পাঁচজন শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই ভান্ডারিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষক, শিক্ষার্থী ও আগ্রহী মানুষ এই সমন্বিত কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে আসছেন।

তরুণ উদ্যোক্তা জাহিদ মাহমুদ সুমন বলেন, সব খরচ বাদ দিয়েও বছরে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা লাভ থাকে। সঠিক পরিকল্পনা, পরিশ্রম এবং আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে কৃষিতেই সফল হওয়া সম্ভব। তরুণদের চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।

ভান্ডারিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সুমনের খামারটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার একটি সফল উদাহরণ। কৃষি অফিস থেকে তাকে নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তার উৎপাদিত উচ্চমানের পেঁপে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে জাহিদ মাহমুদ সুমনের মতো তরুণ উদ্যোক্তাদের হাত ধরে পিরোজপুরে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থার আরও ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটবে এবং এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার কমে যাওয়ায় বেড়েছে আয় বৈষম্য : শিল্পমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার কমে যাওয়ায় বেড়েছে আয় বৈষম্য : শিল্পমন্ত্রী

দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার গত ১২-১৫ বছরে আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় আয় বৈষম্য বেড়েছে বলেই মন্তব্য করেছেন শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে নতুন উদ্যোক্তা খুবই কম তৈরি হয়েছে। যারা আগে থেকেই শিল্প-কারখানার মালিক ছিলেন, তাঁরা মূলত আরো বড় হয়েছেন। এর পেছনে মূলত প্রধান কারণ ছিল গ্যাসের অপ্রতুলতা।’

রবিবার (২৮ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্প মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশে যে হারে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছিল, পরবর্তী ১০-১৫ বছরে সেই অনুপাত ড্রাস্টিক্যালি (তীব্রভাবে) কমে এসেছে। ফলে অর্থনৈতিক প্রবাহ নির্দিষ্ট কিছু হাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এটি আয় বৈষম্য বাড়ার একটি প্রধান রেসিপি, এবং আমরা সেটিই অনুসরণ করেছি। যার ফলে ১৫-২০ বছর আগের তুলনায় বর্তমানে আয় বৈষম্য অনেক বেড়েছে।’

আয় বৈষম্যের বৈশ্বিক সূচকের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ইনকাম ডিসপারিটির স্কেল শূন্য থেকে এক পর্যন্ত। সূচক যত ওপরের দিকে যায়, বৈষম্য তত বাড়ে। আমাদের এখানে এই বৈষম্য এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি।’

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করে আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া এমনকি ভারত-পাকিস্তানের জিডিপিতে এমএসএমই খাতের অবদান আমাদের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের জিডিপিতে এই খাতের অবদান মাত্র ২৫ শতাংশ। আমরা এটাকে আরো বাড়াতে চাই। কারণ অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ গতিশীল রাখতে এমএসএমই খাতকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই।’

নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি ব্রড-বেইজড (সুদূরপ্রসারী) প্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছি। নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম চালু করা হচ্ছে। বিসিকের মাধ্যমে পাবনা, সিলেট ও নীলফামারীর সৈয়দপুরে নতুন শিল্প পার্ক স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এছাড়া যেসব শিল্প পার্কে প্লট শেষ হয়ে গেছে, সেখানে নতুন করে ফিজিবিলিটি স্টাডি করে আরও পার্ক করা হবে।’

গ্যাস সংকট ও শিল্পায়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমরা কম জ্বালানি কনজিউম করা শিল্পের দিকে বেশি নজর দেব। আর বর্তমানে যেসব কল-কারখানা গ্যাস সংকটে ভুগছে, সেগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে সংকট সমাধানে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি।’

এ বছরের আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে— ‘এআইনির্ভর ভবিষ্যতে মানুষমুখী অন্তর্ভুক্তি: আগামী প্রজন্মের এমএসএমই খাতের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন’ এবং মন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উদ্যোক্তা উন্নয়ন অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেন।

শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উইম্যান অন্ট্রাপ্রেনিউরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি নাসরীন ফাতেমা আউয়াল, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), বাংলাদেশের প্রধান ম্যাক্স টুনন, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের নাজিম আহমেদ সাত্তার ও বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফেরদৌস আরা বেগম। এর আগে, এ দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%