প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব চায়নি, তারাই আজকের সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার কথা বলছে।
তিনি বলেন, যারা এই দেশের স্বাধীনতা চায়নি, একটি পতাকা চায়নি, একটি মানচিত্র চায়নি এবং সার্বভৌমত্ব চায়নি, তারাই এখন সংসদে এসে স্বাধীনতার কথা বলে বসেছে। এটি জাতির জন্য একটি অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। জামায়াতে ইসলাম, যারা সেই ৭১-এর গণহত্যার সহযোগী দল, ঠিক সেই নামে বাংলাদেশের রাজনীতি করছে।
রাশেদ খান আরো উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেই নির্বাচনে তারা প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। এটা আমাদের জন্য একটি দুর্ভাগ্য। তবে, তিনি বলেন যে, তাদের কণ্ঠে সেই ধরনের জোর নেই। কারণ হীনমন্যতার কারণে তারা জানে যে, তারা দেশের স্বাধীনতা কখনো চাইতে পারেনি।
এই কারণে, তারা যদিও বিরোধিতা করতে চায়, তবুও সেটি সঠিকভাবে করতে পারে না। তিনি যখন জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদকে উল্লেখ করেন, তখন বলেন, তিনি তার এলাকার একটি প্রোগ্রামে জানান, আমরা সংসদে যতই চিল্লাপাল্লা করি না কেন, আমরা বাইরে আবার একসঙ্গে চা খাই, লাউঞ্জে একসঙ্গে বসে আড্ডা দেই। এই কথাগুলো মূলত বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে শান্ত করার জন্য বলা হচ্ছে।
এটা মূলত তখন করতে হয় যখন সংসদে আপনাদের আওয়াজটা উপস্থাপন করা প্রয়োজন। রাশেদ খান বলেন, সংসদে যে বাজেট অধিবেশন চলছে, আপনার কি মনে হয় যে এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? তারা বলছেন যে, আমি ছায়া সরকার গঠন করেছি। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনাদের ছায়া অর্থমন্ত্রী কে? যিনি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বাজেটের উপর দোষ বা সমালোচনা করবেন। এখন বাজেটের আলোচনায় তারা অন্যদিকে চলে যাচ্ছে। ট্রেন যেমন লাইনচ্যুত হয়, ঠিক তেমনভাবেই আমাদের বিরোধী দল এই বাজেটের আলোচনায় লাইনচ্যুত হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে রাশেদ আরো বলেন, ১৬ বছর ধরে বিএনপির অনেকেই ঘরে ঘুমাতে পারেননি। অনেকেই বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে নির্বাসিত জীবনে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন যদি এই মানুষগুলোকে কেউ কটাক্ষ করেন, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, তারা এতদিন কোথায় ছিলেন? ১৬ বছর তো আমরা আপনাদের সংগ্রাম করতে দেখিনি।
তিনি বলেন, ১৬ বছরে যাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে এবং যারা হাসিনার আমলে জুলুমের কারণে ব্যাংক থেকে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ঋণ নিয়েছিলেন, তারা এখন শোধ করতে পারছেন না। এই দোষটা আসলে শেখ হাসিনার নাকি যিনি ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেছিলেন তার? ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার পর যাদের ব্যবসা বাণিজ্য আছে, তাদেরকে কোনভাবে কটাক্ষ করা উচিত নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন