ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এল নিনোর প্রভাবে জরুরি অবস্থা জারি ইকুয়েডরে


এল নিনোর প্রভাবে জরুরি অবস্থা জারি ইকুয়েডরে

এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে, যা রেকর্ড সৃষ্টিকারী মাত্রায় শক্তিশালী হতে পারে, শনিবার ইকুয়েডর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এটি ল্যাটিন আমেরিকার সর্বশেষ দেশ যা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করল। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বছরের এল নিনো ইতোমধ্যে মধ্য আমেরিকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করছে। বর্তমানে অঞ্চলটি তীব্র খরার কবলে রয়েছে। একই সঙ্গে, ইন্দোনেশিয়াতেও এটি দাবানলের প্রকোপ বৃদ্ধি করছে।

কুইটো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চলমান এল নিনো বছরের শেষ নাগাদ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে ২০২৭ সালে বিশ্বব্যাপী রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

ইকুয়েডরের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানায়, ‘এল নিনো পরিস্থিতির’ কারণে পুরো দেশে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।

এই সতর্কতার আওতায় জরুরি কমিটিগুলোকে সক্রিয় করা হয়েছে। এসব কমিটির দায়িত্ব হবে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে আগাম সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সমন্বয় করা।

এল নিনোর কারণে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে বাতাসের গতিপথ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তিত হয়। এর প্রভাব মাছ ধরা ও পাখির পরিযানের ওপরও পড়ে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

ইকুয়েডরের পূর্বাঞ্চলের আমাজন এলাকায় খরা ও দাবানলের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এল নিনোর কারণে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

দক্ষিণে পেরুও এল নিনোর কারণে দেশটির এক-তৃতীয়াংশ শহরে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, তীব্র তাপ ও বৃষ্টির কারণে মানুষের পর্যাপ্ত খাবার নাও থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ৮ কর্মকর্তা বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


পাকিস্তানের হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ৮ কর্মকর্তা বরখাস্ত

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি হাসপাতালের প্রসূতি ও নবজাতক বিভাগে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আট কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রধানমন্ত্রীর গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার পর আগুন লাগার প্রায় দুই মিনিটের মধ্যে পুরো ইউনিট আগুনে গ্রাস করে ফেলে।

হাসপাতালে তত্ত্বাবধানে থাকা ১৫ নবজাতকের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন মাত্র এক নার্স। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক এবং নবজাতক বিভাগের প্রধানসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন। ইসলামাবাদের জরুরি সেবা বিভাগের মহাপরিচালককেও বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “যারা গুরুতর অবহেলার জন্য দায়ী, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” তিনি আরও বলেন, তাদের “আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।”

হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে প্রতিষ্ঠানটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

আগুন নেভাতে দেরির অভিযোগ

তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগুন লাগার ছয় মিনিটের মধ্যে জরুরি সেবায় খবর দেওয়া হয়। কিন্তু প্রথম উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আরও ১৫ মিনিট পর।

নিহত শিশুদের বাবা-মা এবং অন্যান্য প্রত্যক্ষদর্শীরা এএফপিকে জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে সাড়া দিতে দেরি হয়েছিল। এমনকি নিরাপত্তাকর্মীরা কয়েকজনকে ভবন থেকে বের হতে বাধা দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হাসপাতালটিতে আগুন বা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিস্তারিত পরিচালনাগত নির্দেশনা এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না।

আগুন লাগার সময় ওই ওয়ার্ডে দুইজন নার্স, এক নারী নিরাপত্তাকর্মী এবং আরও এক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তবে সেখানে কোনো তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা ছিলেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগুনের কারণ এখনো নিশ্চিত নয়

এর আগে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন, এয়ার কন্ডিশনার থেকে ছিটকে পড়া একটি স্ফুলিঙ্গ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

তবে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুনের প্রকৃত উৎস এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ভয়াবহ এই ঘটনার পর বুধবারই দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ আমলা স্বাস্থ্যসচিব আসলাম ঘোরিকে বরখাস্ত করা হয়।

পাকিস্তানে বড় ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। দুর্বল অগ্নিনিরাপত্তা আইন, ভবন নির্মাণ বিধিমালার সীমাবদ্ধতা এবং এসব নিয়ম যথাযথভাবে প্রয়োগ না করাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে করাচি শহরের একটি শপিং সেন্টারে আগুনে ৬৫ জনের বেশি মানুষ মারা যায়।

২০২৩ সালেও করাচির আরেকটি শপিং মলে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়।

এর আগে ২০১২ সালে করাচির একটি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুনে অন্তত ২৫০ শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেঙ্গু এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে কাজ করে যাচ্ছে।

এমনটি জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

তিনি উল্লেখ করেন, মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।

আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ডেঙ্গু এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং গাজীপুরের মতো বড় ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সিটি কর্পোরেশনগুলো সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মশার লার্ভা জন্ম নেওয়ার স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে পানি জমতে না দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের সহযোগিতায় মশা নিধনের ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে জনসচেতনতার পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্প্রে এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাড়ির ভেতর, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, ১৩টি সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার বাইরের ১১টি সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাগণও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিইউপির নবনির্মিত তিনটি ভবন উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


বিইউপির নবনির্মিত তিনটি ভবন উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এর পশ্চিম ক্যাম্পাসে তিনটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রবিবার মিরপুর সেনানিবাসে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি ভবনগুলোর উদ্বোধন করেন।

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং একাডেমিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে উদ্বোধন করা ভবনগুলো হলো ইউটিলিটি বিল্ডিং, ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এফএসটি) টাওয়ার এবং ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (এফএএসএস) টাওয়ার।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, বিইউপির নবনির্মিত ভবনগুলোর উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথি একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম ক্যাম্পাস এবং শিক্ষার্থীদের আবাসিক এলাকা ঘুরে দেখেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্বটি বিইউপির স্বাধীনতা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম।

তিনি শিক্ষা, গবেষণা এবং উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিইউপির অব্যাহত অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার ওপর জোর দেন। এছাড়াও তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলমের লেখা ‘Educating Minds; Awakening Conscience’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি। বইটির প্রচ্ছদ উন্মোচনের পর বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী বিইউপির ১৪টি শিক্ষার্থী দলকে পুরস্কৃত করেন প্রধান অতিথি।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান তার বক্তব্যে শিক্ষা ও গবেষণায় বিইউপির অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত সাফল্য কেবল একাডেমিক উৎকর্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সততা এবং দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তোলার মধ্যেই নিহিত।" তিনি আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ তৈরি, গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং একটি দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বিইউপির উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

উল্লেখ্য, বিইউপি পশ্চিম ক্যাম্পাসের এই তিনটি নতুন ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চার সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে বিইউপি সিনেটের সদস্য, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, বিইউপির সাবেক উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানি ঘাঁটি থেকে ইরানে মার্কিন হামলা: টোকিওকে জবাবদিহির আহ্বান তেহরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


জাপানি ঘাঁটি থেকে ইরানে মার্কিন হামলা: টোকিওকে জবাবদিহির আহ্বান তেহরানের

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মন্তব্য করেছেন যে, যদি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে জাপানের ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করা হয়, তবে এর জন্য জাপান সরকারকেও দায় নিতে হবে। তিনি জাপানের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা তাদের সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করে।

এই তথ্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির সূত্রে প্রকাশিত হয়েছে।

আরাগচি বিশেষভাবে প্রশ্ন তুলেছেন যে, কিভাবে জাপানের ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সম্প্রতি, জাপানের মিসাওয়া বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হয়েছে এবং সেগুলো ইরানে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে—এমন খবরের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আরাগচি বলেছেন, “জাপানে অবস্থিত স্থাপনাগুলোর ব্যবহারের জন্য টোকিও দায়ী।”

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাপানের ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা যদি অন্য দেশের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হয়, তবে টোকিওর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও জাপান সরাসরি জড়িত না থাকলেও, তার ভূখণ্ড ও সামরিক অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়টি উপেক্ষা করা যায় না, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

আরাগচি জাপানের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, তাদের সরকারের ‘মার্কিন অপরাধে অংশগ্রহণের’ বিষয়টি নিয়ে জবাবদিহি দাবি করা উচিত।

তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে মিত্রদেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়টি সামনে আনতে চাইছে। বিশেষ করে, জাপানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক তৎপরতা পরিচালিত হলে তার রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক দায় কার—সেই প্রশ্নই তুলেছেন ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক।

জাপানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

জাপানের উত্তরাঞ্চলের আওমোরি প্রিফেকচারে অবস্থিত মিসাওয়া বিমানঘাঁটি মার্কিন ও জাপানি সামরিক বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ স্থাপনা। এখান থেকে মার্কিন যুদ্ধবিমান পরিচালিত হয়ে থাকে।

ইরানে হামলার জন্য এই ঘাঁটি থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর খবর সামনে আসার পর, জাপানের ভূখণ্ড কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করতে পারে। বিশেষ করে, জাপানের সংবিধানের শান্তিবাদী অবস্থান এবং দেশটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।

মিসাওয়া ঘাঁটি ঘিরে বিতর্ক

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা জোট বিদ্যমান। জাপানে যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা, বিমান ও সামরিক স্থাপনা রয়েছে। পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই এসব ঘাঁটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

তবে, এসব স্থাপনা জাপানের ভূখণ্ডে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের কোনও সামরিক অভিযানে সেগুলো ব্যবহৃত হলে জাপানের ভূমিকা ও দায় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে আরাগচির মন্তব্য সেই পুরোনো প্রশ্নকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে—মিত্রদেশের ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত মার্কিন সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশটি কতটা দায় বহন করবে।

ইরান ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ওয়াশিংটনের মিত্রদের ভূমিকারও সমালোচনা করে আসছে। আরাগচির সর্বশেষ বক্তব্যে জাপানকে সরাসরি লক্ষ্য করা সেই কূটনৈতিক চাপেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%