০৩:৪৬ পি.এম
ডেঙ্গু এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে কাজ করে যাচ্ছে।
এমনটি জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি উল্লেখ করেন, মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের
আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ডেঙ্গু এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং গাজীপুরের মতো বড় ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সিটি কর্পোরেশনগুলো সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মশার লার্ভা জন্ম নেওয়ার স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে পানি জমতে না দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, জাপানসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের সহযোগিতায় মশা নিধনের ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে জনসচেতনতার পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: নাটোরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা
সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্প্রে এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
প্রতিমন্ত্রী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাড়ির ভেতর, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, ১৩টি সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার বাইরের ১১টি সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাগণও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুন: দেশ ছেড়ে কেন প্রতিবেশী দেশে যাবেন, এ মাটিই আপনাদের: বরিশাল কমিশনার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন