প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে, যা রেকর্ড সৃষ্টিকারী মাত্রায় শক্তিশালী হতে পারে, শনিবার ইকুয়েডর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এটি ল্যাটিন আমেরিকার সর্বশেষ দেশ যা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করল। দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ বছরের এল নিনো ইতোমধ্যে মধ্য আমেরিকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করছে। বর্তমানে অঞ্চলটি তীব্র খরার কবলে রয়েছে। একই সঙ্গে, ইন্দোনেশিয়াতেও এটি দাবানলের প্রকোপ বৃদ্ধি করছে।
কুইটো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চলমান এল নিনো বছরের শেষ নাগাদ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে ২০২৭ সালে বিশ্বব্যাপী রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
ইকুয়েডরের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানায়, ‘এল নিনো পরিস্থিতির’ কারণে পুরো দেশে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।
এই সতর্কতার আওতায় জরুরি কমিটিগুলোকে সক্রিয় করা হয়েছে। এসব কমিটির দায়িত্ব হবে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে আগাম সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সমন্বয় করা।
এল নিনোর কারণে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে বাতাসের গতিপথ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তিত হয়। এর প্রভাব মাছ ধরা ও পাখির পরিযানের ওপরও পড়ে।
ইকুয়েডরের পূর্বাঞ্চলের আমাজন এলাকায় খরা ও দাবানলের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এল নিনোর কারণে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
দক্ষিণে পেরুও এল নিনোর কারণে দেশটির এক-তৃতীয়াংশ শহরে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। দেশটি সতর্ক করে বলেছে, তীব্র তাপ ও বৃষ্টির কারণে মানুষের পর্যাপ্ত খাবার নাও থাকতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন