বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৬ এম
চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০০ জন শিশুকে নিয়ে যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপ। গবেষণায় দেখা গেছে, হাম আক্রান্ত শিশুদের বড় একটি অংশ রোগী হিসেবে হাসপাতালে গিয়ে সংক্রমিত হয়েছে। এছাড়া শিশুদের শারীরিক জটিলতা ও হামে আক্রান্ত হওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে অপুষ্টির বিষয়টিও উঠে এসেছে। এসব শিশুর দেহে শতভাগ ক্ষেত্রে ‘বি৩ জেনোটাইপ’ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে চমেকের কনফারেন্স হলে ‘মিজলস আউটব্রেক ২০২৬ ইন সাদার্ন বাংলাদেশ: এপিডেমিওলজিক্যাল প্রোফাইল, ক্লিনিক্যাল ক্যারেক্টারিস্টিকস, জেনেটিক অ্যানালাইসিস উইথ ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড অ্যান্টিবডি স্ট্যাটাস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চমেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও গবেষকেরা।
জানা গেছে, গবেষণায় থাকা আক্রান্ত ৩০০ জন শিশুর মধ্যে ৮৫ দশমিক ২ শতাংশই ছিল টিকাবিহীন। প্রায় ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশই কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকে হামের ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে, যা হাসপাতালগুলোর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। আর ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ শিশু পূর্বে হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছে বলে তথ্য মিলেছে। এছাড়া ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো হয়নি। এসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই দুর্বল। গবেষণার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক দিক ছিল ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষায় শতভাগ নমুনায় ‘বি৩ জেনোটাইপ’ শনাক্ত হওয়া। যা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে পূর্বে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
চসিক ও চমেকের পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপের সহযোগিতায় এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এতে মূল গবেষক ছিলেন চমেকের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কামরুন নাহার। গবেষণার উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন চমেকের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা মিয়া ও চমেক মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান এমএ হাসান। এছাড়া সহযোগী হিসেবে ছিলেন ডা. সেলিনা হক, ডা. আয়েশা বেগম, ডা. মোহাম্মদ জাবেদ বিন আমিন চৌধুরী, ডা. সায়েদা হুমায়দা হাসান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ডা. আসমা ফেরদৌসী ও ডা. সানজানা ইসলাম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মিয়া মনজুর আহমেদ এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. এম এস জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তুরাগ কার্যালয়ে দালালবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটকের পর এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেলের তুরাগ কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৬-এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সতর্কতা ও সক্রিয় সহযোগিতায় দালাল চক্রের ওই সদস্যকে আটক করা সম্ভব হয়।
অভিযানের সময় আনসার সদস্য পিসি মো. অপু সারোয়ার ও মো. রাসেল মিয়া দালাল চক্রের কার্যক্রমের ওপর নজর রেখে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন। এ সময় আটক ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন গাড়ির নতুন রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও মালিকানা বদলসংক্রান্ত কাগজপত্র জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম মো. বিল্লাল হোসেন (৪৮), পিতা মো. আব্দুল মান্নান, বাসিন্দা কামারপাড়া, তুরাগ, ঢাকা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করার পর তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তুরাগ কার্যালয়ে দালালবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটকের পর এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেলের তুরাগ কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৬-এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সতর্কতা ও সক্রিয় সহযোগিতায় দালাল চক্রের ওই সদস্যকে আটক করা সম্ভব হয়।
অভিযানের সময় আনসার সদস্য পিসি মো. অপু সারোয়ার ও মো. রাসেল মিয়া দালাল চক্রের কার্যক্রমের ওপর নজর রেখে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন। এ সময় আটক ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন গাড়ির নতুন রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও মালিকানা বদলসংক্রান্ত কাগজপত্র জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম মো. বিল্লাল হোসেন (৪৮), পিতা মো. আব্দুল মান্নান, বাসিন্দা কামারপাড়া, তুরাগ, ঢাকা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করার পর তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার সোলার সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতির আমদানি শুল্ককে আরও নিচে নামিয়েছে। নতুন সুবিধার আওতায় যোগ্য সোলার সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে মোট ১ শতাংশ কর দিতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১ শতাংশের বেশি কাস্টমস শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), অগ্রিম কর এবং অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি। এনবিআর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট এসআরও জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন এই সুবিধা কার্যকর থাকবে।
এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ২০২৬ সালের ৮ জুন জারি করা এসআরও নং ১৫৯-আইন/২০২৬/১৪/কাস্টমসের আওতায় এনবিআর সোলার খাতের প্রধান উপকরণে শুল্ক ও কর অব্যাহতি প্রদান করেছিল। সেই সময়ে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি ও অগ্রিম কর মওকুফ করা হয়েছিল। তবে তখনও ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ২ শতাংশ অগ্রিম আয়করসহ মোট ১৭ শতাংশ কর দিতে হতো।
এখন এনবিআর সেই সুবিধা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে সোলার সরঞ্জামের দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক আমদানিকারকরাও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এর আগে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য এই শুল্ক ও কর ছাড় প্রযোজ্য ছিল না।
এনবিআর বলছে, কর কমানোর ফলে সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্পের খরচ কমবে এবং নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুততার সাথে যোগ করা সম্ভব হবে। এছাড়াও, এই পদক্ষেপটি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে শক্তিশালী করবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আজ এই তথ্য জানিয়েছেন।
আজ বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) 'ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে ২০২৬' উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করণীয়, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতাসহ একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করে উপস্থাপন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমরা এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি, যার মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে আরও কার্যকর করা যাবে। এফডিসিও এ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।'
তিনি আরও বলেন, সরকার শুধু এফডিসির উন্নয়ন নয়, সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। অতীতে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে গুণী পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা যে অসাধারণ কাজ করেছেন, সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে চলচ্চিত্রের মান ও শিল্পের সক্ষমতা আরও বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
চলচ্চিত্রের গুণীজনদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবেন এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ও গুণী ব্যক্তিরাই। সরকার তাদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।'
অনুষ্ঠানে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে 'ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে'র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন স্বাগত বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনে অবদানের জন্য ফরিদুর রেজা সাগর, বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, মাসুদ পারভেজ, এ জে মিন্টু, কাজী হায়াৎ, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, ড. মতিন রহমান ও মসিহ উদ্দিন শাকেরসহ বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা জানানো হয়। উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের অনুরোধে বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন গানও পরিবেশন করেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান, এফডিসির এমডি মাসুমা তানি, পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহীন কবির টুটুলসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী, কলাকুশলী ও সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ