ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কোম্পানীগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১২১ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা


কোম্পানীগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১২১ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১২১ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বসুরহাটের নির্ঝর কনভেনশন হল মিলনায়তনে উপজেলা, পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১২১ শিক্ষার্থীকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে অতিথিরা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট, সনদ, শিক্ষা উপকরণ ও নগদ অর্থ তুলে দেন। সম্মাননা পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।  

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হোসেন মোহাম্মদ এরশাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ বি এস রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রায়হান।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র সভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নূর উদ্দিন রুবেল, বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন সাইফুল প্রমূখ ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শরণখোলায় ত্যাগীদের মনোনয়ন দাবী

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে চাননা কেওই!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মেহেদী হাসান, শরণখোলা (বাগেরহাট) থেকে

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে চাননা কেওই!

বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে।
সাধারণত এসব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দলীয় কোন্দল ও একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও, এবার সেখানে ৪টি ইউনিয়নের কোনোটিতেই প্রধান দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীরা 'বিদ্রোহী' হয়ে মাঠে নামতে রাজি নন।
কারন হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায় থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করলে তা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে এবং সাথে সাথে স্থায়ী বহিষ্কারের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
উপজেলা জুড়ে বিভিন্ন দলের প্রায় শতাধিক সম্ভ্যাব্য প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করতে মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এর মধ্যে সকলেই নিজ দল থেকে মনোনয়ন পেতে দৌড় ঝাপ শুরু করেছেন।
সম্ভ্যব্য প্রার্থী হিসেবে, উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে, মহিউদ্দিন বাদল, আমিনুল ইসলাম লিটন, আসাদুজ্জামান আসাদ, আব্দুল হক পঞ্চায়েত, রফিকুল ইসলাম, ও জাকির খাঁন। জামায়াত থেকে আলী আহম্মেদ আকন, ইসলামী আন্দোলন থেকে রুহুল আমিন।
খোন্তাকাটা ইউনিয়নে বিএনপির হুময়িুন কবির, মিজানুর রহমান, মহিউদ্দিন শাহজাহান, এম শাশুক হাওলাদার, মামুন শরীফ, জামায়াত থেকে মাওলানা রফিকুল ইসলাম কবির, ইসলামী আন্দোলন থেকে মাওলানা ইসমাইল হোসেন।
রায়েন্দা ইউনিয়নে বিএনপির মোল্লা ইসহাক আলী, বেল্লাল হোসেন মিলন, ফরিদ উদ্দিন মানিক, আব্দুস সবুর আকন, জামাল হাসেন হাওলাদার, জামায়াত থেকে মাওলানা মোস্তফা আমিন, ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহিম বিন আব্দুর রশিদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রিয়াজুল ইসলাম।
সাউথখালী ইউনিয়নে বিএনপির শহিদুল আলম লিটন, রুহুল আমিন হাওলাদার, জামায়াত থেকে সরোয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন থেকে ক্বারী শহিদুল ইসলাম প্রমুখ ।
প্রাথমিক পর্যায়ে এদের নাম প্রকাশ পেলেও ভিতরে ভিতরে অনেকে প্রতিদ্বন্দিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে সূত্র জানায়।
সরেজমিন তথ্যানুসন্ধান কালে দলীয় নমিনেশন না পেলে, দলের বাইরে গিয়ে কেউ প্রতিদ্বন্দিতা করবেননা বলে সাফ জানিয়েছেন সম্ভ্যব্য প্রর্থীরা।
এদিকে মাঠে প্রচার - প্রচারনায় প্রকাশিত সকল সম্ভ্যব্য প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ত্যাগী হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। তবে দলীয় সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। দল যাকে মনোনীত করবে সবাই তার পক্ষে কাজ করে চুড়ান্ত বিজয় অর্জন করার দৃড় প্রত্যায় ব্যাক্ত করেন।
সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও মনোনয়ন প্রত্যাশী, শহিদুল আলম লিটন জানান, জনসেবা ও বিএনপি আমাদের রক্তে মিশে আছে। সুতরাং দল আমাকে খুঁজবে এমন প্রত্যাশা তার।
মনোনয়ন প্রত্যাশী রায়েন্দা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোল্লা ইসহাক আলী জানান, দল আমাদের মত ত্যাগীদের বাদ দিয়ে প্রবাসী ও বসন্তের কোকিলদের মনোনয়ন দিলে সেটা হবে রহস্য জনক ও অনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ।
ওই ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন শতভাগ নিশ্চিত দাবি করে জামাল হাসেন হাওলাদার জানান, দেশে ও দেশের বাইরে মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতা ও দলের জন্য আমার অবদান দল মুল্যয়ন করবে বলে আমি অশাবাদী।
দল মত নির্বিশেষে সাধারন ভোটাররা আমার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ওই ইউনিয়নের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুস সবুর আকন।
একই ইউনিয়নের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রভাবশালী হেভিওয়েট প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন মানিক জানান, ২০১৬ সালে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এই ইউনিয়নে ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে ভোট যুদ্ধ করেছি। তাই দল আমার এই অবদান অবমুল্যয়ন করবেনা।
খোন্তাকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবির জানান, দলে দূর্দিনের ত্যাগ, স্বচ্ছ কর্মী ও জনপ্রিয়তা বিবেচনায় আমার বিকল্প নেই। আমি বিশ্বাস করি দল কোন ত্যাগহীন ও ৫ আগষ্টের তারিখের পরের কোন পয়সাওয়ালা প্রবাসীকে নমিনেশন দিবেনা। আর যদি এমনটি হয় তাহলে সেটা হবে দলের জন্য আত্নঘাতী।
ধানসাগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও মনোনয়ন প্রত্যাশী আমিনুল ইসলাম লিটন জানান, আমি দলের দূঃসময়ে সর্বস্ব হারিয়েছি। তাই দল আমাদের মত আত্নোৎসর্গকারী কাউকে নমিনেশন না দিলে আমি নীরব ভুমিকা পালন করব।
একই ইউনিয়নের মনোনয়ন প্রত্যাশী, মহিউদ্দিন বাদল, আসাদুজ্জামান আসাদ, রফিকুল ইসলাম, জাকির খাঁন, তারা সকলে দলের প্রতি শতভাগ অনুগত ও সর্বোচ্চ ত্যাগী দাবি করে বলেন, দল আমাদের নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিবে আমরা তা মাথা পেতে নিব।
অন্যদিকে সাধারণ ভোটারদের মতে, বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকাটা নির্বাচনের পরিবেশ শান্ত রাখার জন্য ইতিবাচক। তবে এতে প্রতিদ্বন্দিতার আমেজ কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
"বিদ্রোহীশূন্য" এই নির্বাচনী হাওয়া আগামী দিনগুলোতে এলাকার দলীয় রাজনীতির ওপর কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। দলগুলো তাদের একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর মাঠের প্রকৃত পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে নজর রাখছে এলাকাবাসী।
জানতে চাইলে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি, এ টি এম আকরাম হোসেন তালিম জানান, এবারে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে চুলচেরা বিশ্লেষন করা হবে। সকল অনৈতিকতা উপেক্ষা করে, জন-সম্প্রিক্ততা ও জন-কল্যান মুলক কাজে যার অবদান বেশি তাকে আমরা প্রধান্য দিব। এক্ষেত্রে দলের বড় কোন পদধারী হতে হবে এমনটি নয়। দলের একজন সমর্থকও জন-প্রিয়তা বিবেচনায় দলের সমর্থন পতে পারে বলে জানান, জেলার এই সর্বোচ্চ নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঋতু বদলের মেজাজে চায়ের রাজ্যে কড়া নাড়ছে হেমন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


ঋতু বদলের মেজাজে চায়ের রাজ্যে কড়া নাড়ছে হেমন্ত

ভোরের ঘাসে শিশির জমে থাকা, বিকেল আসার সঙ্গে কুয়াশার মিহিন পর্দা, ধানক্ষেতের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঠাণ্ডা বাতাস এবং চা-বাগানের সবুজ পাতায় মুক্তোর মতো ঝলমলে জলকণা দেখা যাচ্ছে।

এমন পরিবর্তনশীল দৃশ্য প্রকৃতির ঋতুবদলের আবহ জানান দিচ্ছে, মৌলভীবাজারের চায়ের রাজ্যে হেমন্তের আগমন ঘটতে চলেছে।

কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের গ্রামীণ জনপদ, চা-বাগান, পাহাড়ি এলাকা এবং মেঠোপথে ঋতু পরিবর্তনের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। শেষরাত ও ভোরে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। অনেক পরিবারে হালকা কম্বল, চাদর ও শীতের পোশাক বের করা হচ্ছে।

ভোরের আলো ফুটতেই চা-বাগানের সারি সারি পাতায় জমে থাকা শিশির বিন্দু সূর্যের আলোয় ঝিকমিক করতে থাকে। দূর থেকে মনে হয়, মাঠজুড়ে মুক্তোদানা ছড়িয়ে রয়েছে। কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্যের উঁকি দেওয়া এবং ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে মিশে থাকা রোদ একটি মায়াবী পরিবেশ তৈরি করছে।

কমলগঞ্জের মাধবপুর, রহিমপুর, বালিগাঁও, মাগুরছড়া এবং বিভিন্ন খাসিয়া পুঞ্জি এলাকায় স্থানীয়রা জানান, এখানে কুয়াশা তুলনামূলকভাবে আগে নামছে। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধানক্ষেত ও মেঠোপথে হালকা কুয়াশা নেমে আসছে। গঙ্গা ফড়িংয়ের উড়াউড়ি, ভোরের পাখির ডাক এবং শিশিরভেজা ঘাস মিলিয়ে গ্রামীণ প্রকৃতি নতুন সাজে সজ্জিত হয়েছে।

ঋতুর এই পরিবর্তনের লক্ষণ শুধু প্রকৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, কৃষকের মাঠেও এর প্রভাব পড়েছে। কমলগঞ্জের আদমপুর, ইসলামপুর, রানীবাজার, ঘোড়ামারা, মাধবপুর, মাঘমাড়া, বালিগাঁও, পতনঊষার এবং শমসেরনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতকালীন সবজি চাষের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জমি প্রস্তুতির পাশাপাশি কোথাও বীজ বপন করা হচ্ছে, কোথাও আবার চারা পরিচর্যায় কৃষক ব্যস্ত রয়েছেন।

শিম, লালশাক, টমেটো, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং মূলাসহ নানা সবজির আবাদ নিয়ে কৃষকের চোখ এখন ভালো ফলনের দিকে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থী মো. জিল্লুর রহমান তামিম বলেন, ‘প্রকৃতিতে শীত শীত ভাব এসে গেছে। ভোরে ঘাস ভেজা থাকে, বাতাস ঠাণ্ডা লাগে। চাদর গায়ে দিতে হয়।’

শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের চা-বাগানগুলোতে ঋতুর সৌন্দর্য আরো বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পাহাড়ের ঢাল, সবুজ চা-গাছের সারি এবং কুয়াশা ঢাকা পথ মিলিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া দৃশ্য তৈরি হয়েছে। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে কুয়াশা সরে গেলেও প্রকৃতিতে সতেজতার ছাপ রয়ে যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে এখন হেমন্ত ও শীতের সন্ধিক্ষণ। একদিকে শিশিরভেজা ঘাস ও কুয়াশার কোমলতা, অন্যদিকে মাঠে কৃষকের ব্যস্ততা-সবকিছু মিলিয়ে প্রকৃতি যেন নীরবে বলে দিচ্ছে, সামনেই হেমন্ত; তার হাত ধরেই শীত নামবে চায়ের রাজ্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো আসামি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় হাই-সিকিউরিটি কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. বাহাদুর মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বাহাদুর মিয়া চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার কাঞ্চননগর (বাদামতলা কাজীবাড়ি) এলাকার সিরাজ মিয়ার পুত্র।

র‌্যাবের নাম পরিবর্তন করা এসআরবির সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কাশিমপুর কেন্দ্রীয় হাই-সিকিউরিটি কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. বাহাদুর মিয়া পালিয়ে যান। শুক্রবার দুপুরের দিকে চট্টগ্রাম নগরের ফয়’স লেক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে জিএমপি কোনাবাড়ী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, হাসপাতালে রোগীর উপচেপড়া ভিড়'জনসচেতনতা বাড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, হাসপাতালে রোগীর উপচেপড়া ভিড়

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের পাশাপাশি মেঝেতেও রোগীদের চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ায় বাজারে ডাব সরবরাহ কমে দাম বেড়েছে। বর্তমানে একটি ডাব ১৫০ থেকে ২০০ টাকা এবং মালটা বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৩৯০ টাকা কেজি দরে। তবে স্থানীয় জাতের মালটা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডের বাইরে মেঝেতেও রোগীদের ভিড়। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অনেককেই শয্যার বাইরে অবস্থান করতে দেখা যায়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. কামাল হোসেন জানান, গত কয়েক দিনে প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। কোনো কোনো দিন এ সংখ্যা ৭০ জনে পৌঁছাচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতর রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালের দৈনন্দিন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ৪৬৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৩১ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৭ জন।

এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এডিস মশার লার্ভার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা ও পৌরসভাসহ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

জনসচেতনতা বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে প্রতিদিন সভা ও সেমিনার করা হচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারীদের জরিমানার আওতায় আনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইব্রাহীম মোল্লা জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। রোগীর চাপে হাসপাতালের মেঝেতেও জায়গা হচ্ছে না। ডেঙ্গুর চারটি ধরন রয়েছে। বর্তমানে ডেঙ্গু-ই বেশি দেখা যাচ্ছে। ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোনো সমস্যা নেই। তবে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও টেকনিশিয়ানসহ প্রয়োজনীয় জনবল সংকট রয়েছে।

তিনি বলেন, “জনবল সংকট থাকলেও কর্মরত সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। কিছুটা কষ্ট হলেও স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা রোগীদের সর্বাত্মক সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।”

ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ও পৌর প্রশাসক ইউএনও মো. হাসিবুল হাসান জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত জনসচেতনতা বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে প্রতিদিন পৃথকভাবে আলোচনা সভা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%