ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে পাশে থাকতে চায় ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক


বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে পাশে থাকতে চায় ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক

ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। উভয়পক্ষ দেশের সড়ক, রেল এবং নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আল জাসেরের (H.E. Dr. Mohammad Al Jasser) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা করে।

বৈঠকে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, চলমান প্রকল্প, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, "দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে উন্নত, নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলাকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।" সড়ক, রেল ও নৌপথের সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে মুসলমানদের উপস্থিতি সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: খাদ্যমন্ত্রী

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। জনগণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ, যানজট নিরসন, পরিবহন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামোর আধুনিক ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়ন, অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সড়কমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং এটি পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের অগ্রাধিকারভিত্তিক অবকাঠামো প্রকল্পে ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আল জাসের বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও অবকাঠামো খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল।" তিনি বলেন, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকতে চায়। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন খাতের সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে দক্ষ পরিবহনব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক ইতিবাচকভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একমত পোষণ করে। বৈঠকের ফলাফল নিয়ে উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ ও ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের উন্নয়ন অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন নাসের রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন নাসের রহমান

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই স্থায়ী কমিটিটি গঠন করা হয় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে।

 

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। পরবর্তীতে উক্ত প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

প্রস্তাব উত্থাপনকালে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মো. নূরুল ইসলাম (১১০, বরগুনা-২), বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, প্রস্তাব করছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসারে উক্ত বিধিসমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত সংসদ-সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‘ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’ গঠন করা হোক।”

নাসের রহমান ছাড়াও ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন, সরদার সরফ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, এরশাদুল্লাহ, সুলতানা আহমেদ, মাহবুবুর রহমান বেলাল ও মাহমুদুল্লাহ।

 

জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং সংসদের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই কমিটির মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমিসংক্রান্ত নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সংসদীয় নজরদারি ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসিফ মাহমুদের অপরাধের এক ভাগও উদ্ঘাটন হয়নি : রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


আসিফ মাহমুদের অপরাধের এক ভাগও উদ্ঘাটন হয়নি : রাশেদ খান

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে যেসব অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখনো তার ১০০ ভাগের এক ভাগ তথ্যও উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়নি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্টনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

 

রাশেদ খান জানান, আসিফ মাহমুদ একসময় তাদের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন এবং গণ-অভ্যুত্থানের সময় তার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজও করেছেন। এ কারণে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের খবর তাকে ব্যক্তিগতভাবে কষ্ট দেয়।

তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যেসব অভিযোগ শোনা গেছে, তার কিছুটা সত্যতা দুদকের তদন্তে পাওয়া গেছে।

 

দুদক ১৮৮ জন কর্মকর্তার বদলি ও পদায়নসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে। এ ঘটনায় চার কোটি ২৬ লাখ টাকা অবৈধভাবে আয়ের অভিযোগও রয়েছে।’

রাশেদ খান দাবি করেন, এসব তথ্য তার নিজের বক্তব্য নয়; দুদক সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়গুলো জানিয়েছে। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তার কাছে আরো কিছু তথ্য রয়েছে বলে দাবি করে রাশেদ খান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এ কারণেই তিনি বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন।

 

তিনি দাবি করেন, আসিফ মাহমুদ একজনকে ২০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন—এমন তথ্যও তিনি পেয়েছেন। আসিফ মাহমুদের তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ও সমন্বয়ক মোয়াজ্জেমকে নিয়েও বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ ও নথি পাওয়ার দাবি করেন রাশেদ খান। তার ভাষ্য, মোয়াজ্জেম একসময় ছাত্র অধিকার পরিষদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে ওই এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা করার চেষ্টা করেছিলেন।

গণ-অভ্যুত্থানে আসিফ মাহমুদের ভূমিকার প্রশংসা করে রাশেদ খান বলেন, আন্দোলনে তিনি সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। তবে ছাত্র উপদেষ্টা হওয়ার পর তার বিতর্কিত ভূমিকার জন্য ধিক্কার জানাতেও হয়।

 

নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের ছাত্র উপদেষ্টা হওয়াকে ‘সবচেয়ে বড় ভুল’ হিসেবে উল্লেখ করেন রাশেদ খান। তার মতে, তারা ছাত্র উপদেষ্টা না হয়ে জনগণের প্রতিনিধি হলে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনে মনোযোগ দিলে অনেক বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হতো। তাদের ‘ওয়াচডগ’-এর ভূমিকায় থাকা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদ খান দাবি করেন, পদত্যাগের আগে আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তবে আসিফ মাহমুদকে ঘিরে বিতর্কের কারণে বিএনপি সাড়া দেয়নি বলে তার দাবি। পরে আসিফ মাহমুদ জামায়াতের হয়ে ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে জামায়াতের আমির তাকে ওই আসনে মনোনয়ন দেননি।

রাশেদ খান বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কার। বর্তমানে তিনি জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে এমন দাবি উঠলেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

সর্বশেষে তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদ যে ধরনের অপরাধ করেছেন বলে তিনি দাবি করছেন, তার ১০০ ভাগের এক ভাগ তথ্যও এখনো দুদক উদ্ঘাটন করতে পারেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কার্বন বাণিজ্যে বাংলাদেশের সম্ভাবনা দেখছে সিঙ্গাপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


কার্বন বাণিজ্যে বাংলাদেশের সম্ভাবনা দেখছে সিঙ্গাপুর

ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার মিচেল লি মন্তব্য করেছেন যে, আন্তর্জাতিক কার্বন বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য একটি বড় সুযোগ রয়েছে। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্বন বাণিজ্যের পাশাপাশি পানি ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় সিঙ্গাপুর হাইকমিশনে ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশনের (সিএজেএফ) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে জলবায়ু কার্যক্রম ও ন্যায়বিচার, কার্বন বাণিজ্য, নবায়নযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, পানি ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু প্রযুক্তি, টেকসই নগরায়ণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

হাইকমিশনার মিচেল লি বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্বন বাণিজ্য বাংলাদেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।"

 

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ যদি নিজের সম্ভাবনাকে কাজে লাগায়, তবে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুবিধাও অর্জন করতে সক্ষম হবে। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

সিঙ্গাপুরের উল্লম্ব কৃষি এবং সীমিত ভূমিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, পানি ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি দক্ষতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই নগর উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে কার্যকর হতে পারে। সীমিত ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেও প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়েছে বলেও তিনি জানান।

 

সিএজেএফের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তন এখন শুধু পরিবেশগত সংকট নয়; এটি অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা, পানি, স্বাস্থ্য, নগরায়ণ এবং মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।" তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন একসঙ্গে কাজে লাগানোর প্রয়োজন রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশে কার্বন প্রকল্পের সম্ভাবনা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে সবজি, সামুদ্রিক খাদ্যসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগ এবং সিঙ্গাপুরের আধুনিক খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রযুক্তি থেকে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

 

ভবিষ্যতে জলবায়ু, পরিবেশ, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, খাদ্য নিরাপত্তা, নগর ব্যবস্থাপনা এবং কার্বন বাণিজ্যে দুই দেশের বেসরকারি ও নাগরিক পর্যায়ের অংশীদারত্ব বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি আওয়ামী লীগ দখল করেছিল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি আওয়ামী লীগ দখল করেছিল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দখল করেছিল।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার মাত্র ছয় মাস অতিক্রম করেছে। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে কেউ গুমের শিকার হননি। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হননি। রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হননি কেউ।

 

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে এবং এটি চর্চা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে ধর্মীয় পরিচয়ে কাউকে কখনো কোনো বিষয়ে বঞ্চিত করা হবে না।

 

আমরা সবাই নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশে সাংবিধানিক অধিকারকে নিশ্চিত করব। সেটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এখানে সবাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলেছেন। কেউ বলেননি, ধর্মীয় সংখ্যালঘু। সবাই বাংলাদেশে নাগরিক।

 

আমাদের সংবিধান তাই স্বীকার করে। এখানে কেউ সংখ্যাগুরু নয়, কেউ সংখ্যালঘু নয়। আমরা সবাই নাগরিক, সবাই সিটিজেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘গণ-অভুত্থানের পর আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছি। এই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করব।’

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দখল করেছিল বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘১৯৯৬ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলাম। তখন আমরা ভিজিট করেছিলাম। তখন দেখা গেল, আড়াই একর সম্পত্তি সরকারের হাতে রয়েছে। বাকি সম্পত্তি যে দলের নাম উল্লেখ করতে শরম করে বললেন না সেই আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।’

তিনি জানান, যে আড়াই একর পাওয়া গিয়েছিল সেটি ছিল শশ্মান। তা না হলে তাও দখল হয়ে যেত। এখন তা ফেরত কার কাছ থেকে নেওয়া হবে? দশ-বারো হাত বদল হয়ে গেছে। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%