ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সংযোগে বাড়বে কর্মসংস্থান ও পেশাগত সম্ভাবনা : মাহ্দী আমিন


শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সংযোগে বাড়বে কর্মসংস্থান ও পেশাগত সম্ভাবনা : মাহ্দী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা খাতে সংযোগ উভয় দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব, কর্মসংস্থান এবং পেশাগত সম্ভাবনার ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।

আজ বৃহস্পতিবার চীনের গুয়াংডংয়ে অনুষ্ঠিত ‘কারিগরি শিক্ষা সেতুবন্ধন ও চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক-বাণিজ্য মেধা উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সিম্পোজিয়ামে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করা সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। ক্লাসরুমের তাত্ত্বিক শিক্ষাকে কর্মক্ষেত্রের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সরকারের পরিকল্পনা হলো সবার জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা।” তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশি তরুণদের এগিয়ে রাখতে মান্দারিন (চীনা ভাষা) চর্চাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুন: সদরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা সভা

মাহ্দী আমিন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে টেকসই করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স, ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ও ফিনান্সিয়াল টেকনোলজি-এর মতো উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা জরুরি।

তিনি চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় আধুনিক কারিগরি পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, যৌথ সার্টিফিকেশন এবং এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সিম্পোজিয়ামে বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ও মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চীনের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষক-গবেষক, শিক্ষার্থী ও চীনের শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ অনুষ্ঠান চীনের ১১টি শীর্ষ কারিগরি ও প্রযুক্তিগত কলেজের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। কলেজগুলো হলো- এনপিং ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন সেন্টার, গুয়াংডং লিটারেচার অ্যান্ড আর্ট ভোকেশনাল কলেজ, গুয়াংডং নানহুয়া ভোকেশনাল কলেজ অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড কমার্স, গুয়াংডং পলিটেকনিক অব সায়েন্স অ্যান্ড ট্রেড, গুয়াংডং টিচার্স কলেজ অব ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজেস অ্যান্ড আর্টস, গুয়াংডং ইঞ্জিনিয়ারিং পলিটেকনিক, গুয়াংডং কান্ট্রি গার্ডেন ভোকেশনাল কলেজ, গুয়াংডং জিয়াংমেন প্রিস্কুল এডুকেশন কলেজ, কিংইয়ুয়ান পলিটেকনিক, গুয়াংডং লিংনান ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ এবং গুয়াংঝু প্রিস্কুল এডুকেশন কলেজ।

আরও পড়ুন: ‘যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে’- আনোয়ার

এ সময় বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ও উপদেষ্টা ‘বেইডৌ+’ ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ল্যাবরেটরি ঘুরে দেখেন এবং রোবোটিক্স, রোবট ডগের প্রোগ্রামিং এবং চীনা চা সংস্কৃতির প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ করেন।

বিশ্বব্যাপী কারিগরি শিক্ষার প্রসারে গুয়াংডং ‘চায়নিজ + ভোকেশনাল স্কিলস’ ইন্ডাস্ট্রি-এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন অ্যালায়েন্স চালু করা এ আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল। এটি কারিগরি শিক্ষা, ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-শিক্ষার সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতার এক নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

উভয় পক্ষই এই আলোচনাকে বাস্তবসম্মত ও টেকসই অংশীদারিত্বে রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ করেন, যা কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্পের সাথে সংযুক্ত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান শাহ ডনের কারণেই জনপ্রিয় হয়েছিলেন: আদালতে ডনের আইনজীবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০১ পি.এম


সালমান শাহ ডনের কারণেই জনপ্রিয় হয়েছিলেন: আদালতে ডনের আইনজীবী

চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন, যিনি সালমান শাহ নামে পরিচিত, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।

রিমান্ড শুনানির সময় ডনের পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল কালাম খান, ফরিদুল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন।

আইনজীবী আবুল কালাম খান রিমান্ডের বিরোধিতা করে মন্তব্য করেন, ‘ডনের জনপ্রিয়তার কারণেই সালমান শাহ এত জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ডন একজন খল অভিনেতা এবং দেশের মানুষের জন্য তিনি অনেক শিক্ষণীয় কাজ করেছেন, তার অবদান রয়েছে।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

পিপি বলেন, মামলার ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে সালমান শাহকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল এবং কত লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্য উঠে এসেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আত্মগোপনে থাকা আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ডন কার ইন্ধনে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, যা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন।

প্রায় ৩০ বছর আগে জনপ্রিয় এই নায়কের মৃত্যু ঘটে। ১৯৯৬ সালের পর অনেক নায়ক এলেও সালমান শাহর মতো জনপ্রিয়তা অর্জন করতে কেউ সক্ষম হয়নি।

পিপি বলেন, “সম্প্রতি একটি হোটেলে নাশতা করতে গেলে ২২ বছরের এক তরুণ আমাকে জিজ্ঞেস করেছে, ‘স্যার, সালমান শাহর বিচারটা কি হবে?’” সঠিক তদন্তের স্বার্থে ডনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেন।

গত ২০ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান ডনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে শুনানির জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক শাহ আলম।

এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গেলে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই দিন বিকেলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ১২ আগস্ট তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এটি একটি আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, আসামির সহযোগী অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার এবং বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ডন কার ইন্ধনে ও কিভাবে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন—এসব বিষয়ে জানতে তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তা পাঠাবে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তা পাঠাবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ নেপালে ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।

বিজ্ঞপ্তিটি সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিনের স্বাক্ষরিত। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, নেপালে ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী প্রেরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে তাঁবু, মশারি, শুকনা খাবারের প্যাকেট, টর্চ লাইট, বেলচা, স্লিপিং ব্যাগ, ওয়াটার কনটেইনার, বডি ব্যাগ প্রভৃতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তায় বেড়েছে পানি, সুরমার পানিও বাড়তে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


তিস্তায় বেড়েছে পানি, সুরমার পানিও বাড়তে পারে

বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি। তবে বন্যাপ্রবণ তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। বাড়তে পারে সুরমা নদীর পানিও।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি সমতল কমেছে। আগামী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী তিন দিন পানি বাড়তে পারে।

অন্যদিকে, গঙ্গা নদীর পানি সমতল বেড়েছে এবং পদ্মার পানি স্থিতিশীল রয়েছে।

আগামী দুই দিন গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে এসব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।
 
চট্টগ্রামের নদীগুলোতে পানি কমছে

পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। হালদা নদীর পানি সমতল অপরিবর্তিত রয়েছে। এসব নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আগামী এক দিন এসব নদীর পানি আরও কমতে পারে। পরবর্তী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।

তিস্তা-দুধকুমারে পানি বাড়ছে

উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। বিপরীতে ধরলা নদীর পানি কমেছে। তিনটি নদীর পানিই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আগামী দুই দিন তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বাড়তে পারে। তৃতীয় দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারায়ও বাড়তে পারে পানি

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। তবে আগামী এক দিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট উজান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তৃতীয় দিনে চট্টগ্রাম বিভাগেও বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট নদ-নদীর পানি সমতলে পরিবর্তন আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক জানিয়েছেন, নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা, বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দক্ষ কর্মী পাঠানো, প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক লোক বিদেশে কর্মসংস্থানে রয়েছে। সরকার প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তাদের সম্পদের সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, নতুন নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা, বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দক্ষ কর্মী পাঠানো, বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে প্রবাসীদের সেবার পরিধি বাড়ানো এবং প্রতারণা বন্ধে কঠোর নজরদারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনেক কাজ খুব অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করা সম্ভব নয়। নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, একাধিক ফলোআপ বৈঠক, সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় প্রয়োজন হয়। ফলে ছয় মাসে গৃহীত অনেক উদ্যোগের সুফল এখনো দৃশ্যমান না হলেও আগামী দিনে এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে সকল দেশে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য কাজ করি, সেখানে বাইল্যাটারাল মিটিং, ফলোআপ মিটিং, এমইউসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। এজন্য সময় লাগে। সেই দিক থেকে হয়তো অনেক কাজ ছয় মাসে দৃশ্যমান হয়নি। কিন্তু সামনে এগুলোর সুফল দেখা যাবে।’

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টি ছয় মাসে সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন মো: নুরুল হক। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে একক দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দেশটির শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। আগামী মাসের শুরু থেকেই সেখানে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া শুরু হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হওয়া বাংলাদেশের কর্মপ্রত্যাশী মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নানা জটিলতা ছিল। সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে সেই জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পথ তৈরি হয়েছে।

দুবাইয়ের শ্রমবাজার নিয়েও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১২ সাল থেকে দুবাইয়ে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে গিয়েছিল। তবে নতুন করে সেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই দুবাই ট্যাক্সি নামের একটি কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬ হাজার চালক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালকের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু সংখ্যার বিচারে বেশি কর্মী বিদেশে পাঠানো নয়, বরং দক্ষতা অনুযায়ী উপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এতে কর্মীরা যেমন ভালো আয় করতে পারবেন, তেমনি দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণও বাড়বে।

কাতারের সঙ্গেও বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। কাতারের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইলেকট্রিক্যাল, এসি ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কারিগরি খাতে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার।

তিনি জানান, কাতারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কর্মী তৈরি করা এবং সেখান থেকে কর্মী নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

মো: নুরুল হক বলেন, দক্ষ কর্মী তৈরির ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদেশি শ্রমবাজারে এখন আগের মতো অদক্ষ কর্মীর চাহিদা নেই। ফলে যে দেশের যে ধরনের কর্মীর প্রয়োজন, সেই চাহিদা অনুযায়ী দেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মী পাঠানোই হবে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

সৌদি আরবের শ্রমবাজার নিয়েও আশা প্রকাশ করেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হবে বলে আশা করছে সরকার।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক বছরে সৌদি আরবে একাধিক বড় আন্তর্জাতিক আয়োজন রয়েছে। বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান ও প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সেখানে বিপুলসংখ্যক কর্মীর প্রয়োজন হবে। নির্মাণ, পরিবহন, সেবা, পর্যটন, প্রযুক্তি ও অন্যান্য খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের যুবরাজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর সফর অনুষ্ঠিত হলে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েও উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করা সম্ভব হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বাহরাইনের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান মো: নুরুল হক। তিনি বলেন, বাহরাইনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়েছে এবং একটি মন্ত্রণালয় পর্যায়ের সফরের মাধ্যমে বাজারটি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও নতুন শ্রমবাজার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের যাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতা ও আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, থাইল্যান্ডের শ্রমবাজার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলে সেখানে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে থাইল্যান্ডে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত কর্মীর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রবাসীদের জন্য সরকারের সবচেয়ে আবেগঘন ও মানবিক উদ্যোগগুলোর একটি হলো বিদেশে মারা যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মন্ত্রণালয়ে যেসব আবেদন এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়। বিদেশে কর্মরত একজন বাংলাদেশি মারা গেলে তার পরিবার যেন আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অসহায় হয়ে না পড়ে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিদেশ থেকে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার পর পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগে যেখানে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও ফ্রিজিং ব্যবস্থা ছিল, দায়িত্ব নেওয়ার পর সেখানে আরও দুটি যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবাসীদের মরদেহ দ্রুত ও সম্মানের সঙ্গে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। এ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার জন্য ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সরকারের অন্যতম বড় উদ্যোগ হিসেবে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর কথা জানান মো: নুরুল হক।

তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তাদের সম্পদের সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং ও পেমেন্ট গেটওয়ের সঙ্গে যুক্ত করে আগামী মাসেই প্রবাসীদের কার্ড দেওয়া হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা ১১টি বিশেষ সেবায় অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এতে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সময় ও হয়রানি কমবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, এতে কিছুটা হলেও প্রবাসীদের মর্যাদা আগের চেয়ে সমুন্নত থাকবে। প্রবাসী কার্ডের সঙ্গে ডিজিটাল অ্যাপ যুক্ত থাকার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। এর মাধ্যমে কোন প্রবাসী কোন দেশে অবস্থান করছেন এবং তিনি দূতাবাস বা মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো সেবার জন্য আবেদন করেছেন কি না, তা অনুসরণ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, একজন প্রবাসী সেবা চাওয়ার পর সেটি পেয়েছেন কি না, তার একটি আপডেটও ডিজিটাল ব্যবস্থায় সংরক্ষিত থাকবে। ফলে কোনো আবেদন দীর্ঘদিন পড়ে থাকলে তা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর সেবা নিয়েও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের প্রতি সরকারের সমান দায়িত্ব রয়েছে। তার পেশা, আয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে প্রয়োজনের সময় তাকে সেবা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকার প্রচলিত কূটনীতির পাশাপাশি ‘কালচারাল ডিপ্লোমেসি’ ও ‘লেবার মাইগ্রেশন ডিপ্লোমেসি’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণা বন্ধে ডিমান্ড লেটার বা কর্মী চাহিদাপত্র যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোন কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে চাচ্ছে, সেই কোম্পানি বাস্তবে আছে কি না, সেখানে কর্মপরিবেশ কেমন এবং বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কী ধরনের সুযোগ রয়েছেÑএসব বিষয় সরেজমিন পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমবাজারের নামে কোনো ধরনের প্রতারণা বা সিন্ডিকেট যাতে প্রবাসী কর্মীদের ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

মো: নুরুল হক বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের পাশাপাশি বিদ্যমান বাজারগুলোতে বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল সেবা, দূতাবাসের জবাবদিহিতা এবং প্রবাসীদের সম্পদের সুরক্ষার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান আরও বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের প্রথম ছয় মাসে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তব ফলাফল শিগগিরই দৃশ্যমান হবে। নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আরও অগ্রগতি অর্জিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%