সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৭ পি.এম
আজ সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নামতেই পশ্চিম আকাশে ভেসে উঠলো এক অপূর্ব ও বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য। মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশে সরু চাঁদের একদম গা-ঘেঁষে জ্বলজ্বল করতে দেখা যায় একটি অতি উজ্জ্বল তারা। নান্দনিক এই মহাজাগতিক মেলবন্ধন নজর কেড়েছে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সচরাচর রাতের আকাশে চাঁদ ও তারার অবস্থান দেখা গেলেও আজকের দৃশ্যটি ছিল একবারে ব্যতিক্রমী ও নয়নাভিরাম। চাঁদের খুব কাছাকাছি উজ্জ্বল এই জ্যোতিষ্কের অবস্থান পুরো আকাশজুড়ে এক অনন্য সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে। পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সব বয়সের কৌতুহলী দর্শক মুহূর্তের মধ্যেই এই রূপ দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। সুন্দর এই মুহূর্তটি স্মরণে রাখতে অনেকেই মুঠোফোনে ছবি ও ভিডিও বন্দি করেন, যা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ও ব্যাপক সাড়া ফেলে।
উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, ও রংপুরসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিরল মুহূর্তটি প্রত্যক্ষ করতে মানুষের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো ছিল। সুন্দর এই দৃশ্য এক নজর দেখতে বাড়ি-ঘরের ছাদ, খোলা মাঠ ও রাস্তার মোড়ে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। একসাথে চাঁদ ও তাঁর মহাকাশের এমন মনোরম দৃশ্য স্থানীয়দের মাঝে বেশ চাঞ্চল্য ও আনন্দের সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা, বঙ্গোপসাগর এবং উপকূলীয় সম্পদকে কেন্দ্র করে শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে 'ব্লুইকনোমী সাইন্স এন্ড টেকনোলজী' নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্যাডে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখা চিঠিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলে বিপুল সম্ভাবনাময় সামুদ্রিক সম্পদকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানোর জন্য বিশেষায়িত উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন।" তিনি বলেন, কক্সবাজারে UBEST-ইউবিইএসটি নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জাতীয় স্বার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হতে পারে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় শূন্য থেকে প্রতিষ্ঠা করতে দীর্ঘ সময়, বিপুল অর্থ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রয়োজন হয়। বাস্তবতার প্রেক্ষিতে কক্সবাজারে অবস্থিত 'বাংলাদেশ ওশানগ্রাফিক রিচার্স ইনস্টিটি- Bangladesh Oceanographic Research Institute (BORI)-এর বিদ্যমান অবকাঠামো, ল্যাবরেটরি, গবেষণা-সুবিধা, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষণ পরিবেশ এবং উপকূলভিত্তিক গবেষণার কাঠামো ব্যবহার করে UBEST-ইউবিইএসটি -এর প্রাথমিক একাডেমিক ও ব্যবহারিক কার্যক্রম দ্রুত চালু করা সম্ভব হবে।
এতে উল্লেখ করা হয়, BORI-কে একটি জাতীয় সামুদ্রিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কক্সবাজারে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। এর বিদ্যমান সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রাথমিক পর্যায়ে সমুদ্রবিজ্ঞান, মৎস্য ও অ্যাকোয়াকালচার, সামুদ্রিক পরিবেশ, উপকূলীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ব্লু ইকোনমি, সামুদ্রিক তথ্য (Data), পর্যটন ও হসপিটালিটি-সংক্রান্ত বিষয়ে পাঠদান, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অপেক্ষা না করেই একটি গবেষণামুখী, ব্যবহারিক ও বাস্তবতাভিত্তিক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে ব্লু ইকোনমি-সংক্রান্ত বিদ্যমান গবেষণা অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং দেশের ব্লু ইকোনমি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে।
এই লক্ষ্যে কক্সবাজারে BORI-এর বিদ্যমান একাডেমিক ও গবেষণা-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে University of Blue Economy Sciences and Technology (UBEST) নামে বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি কামনা করা হয়েছে।
আনন্দ-উচ্ছ্বাস কক্সবাজারবাসীর
কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি বিষয়ে বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের খবর স্থানীয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক, ব্যবসায়ী, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সচেতন মহলে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। তারা মনে করছেন, কক্সবাজারে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে সমুদ্র ও উপকূলীয় সম্পদভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণায় দেশের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
স্থানীয়দের মতে, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত, বিশাল সমুদ্রসীমা, মৎস্যসম্পদ, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, পর্যটন এবং উপকূলীয় অর্থনীতির কারণে কক্সবাজার একটি প্রাকৃতিক ‘ব্লু ইকোনমি হাব’। এখানে সমুদ্রভিত্তিক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় তরুণদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে এবং সমুদ্রসম্পদ, মৎস্য, পর্যটন, পরিবেশ ও সামুদ্রিক প্রযুক্তি নিয়ে দেশি-বিদেশি গবেষণার ক্ষেত্রও বিস্তৃত হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, BORI-এর বিদ্যমান গবেষণা অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করা গেলে একদিকে যেমন সময় ও ব্যয় কমবে, অন্যদিকে কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে শিক্ষা, গবেষণা এবং নীল অর্থনীতির একটি আন্তর্জাতিক মানের কেন্দ্র গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশা, প্রস্তাবটি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে UBEST প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবে রূপ নেবে এবং সমুদ্রসম্পদনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কক্সবাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শ্যামলীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের জন্য ৫০০ শয্যার নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে, পাশাপাশি চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ পূরণের উদ্যোগও নেওয়া হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ববি হাজ্জাজ। শ্যামলীর টিবি হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, হাসপাতালটিকে ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করা হলে রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি যক্ষ্মা শনাক্তকরণ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালটিকে আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া প্রয়োজন।
সভায় হাসপাতালের জনবল সংকটের বিষয়েও আলোচনা হয়। ববি হাজ্জাজ বলেন, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে হাসপাতালটিতে ২৫০টি শয্যা রয়েছে। রোগীর চাপ কমাতে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এতে যক্ষ্মা রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ আরো বৃদ্ধি পাবে।
হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশনাও দেন ববি হাজ্জাজ। রোগী, স্বজন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে কোনো বাধা না থাকে, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি বলেন।
সভায় যোগ দেওয়ার আগে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি রোগীদের চিকিৎসা, ওষুধ সরবরাহ ও হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনার খোঁজ নেন। রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও শোনেন তিনি।
পরে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ববি হাজ্জাজ। চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা প্রতিটি রোগীর সঙ্গে মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কোনো রোগী যেন চিকিৎসা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে গুরুত্ব দিতে হবে।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিষয়ক সাংবাদিক এবং হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালা থেকে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি অপসারণের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন থেকে শুরু হয় এই বিক্ষোভ মিছিল। মিছিলটি পরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রদক্ষিণ করে এবং শেষে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য প্রদান করেন।
বিক্ষোভের সময় ‘ডাকসুতে জিন্নাহ, ছি ছি ঘৃণা’ এবং ‘রাজাকারের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’—এমন নানা স্লোগান দেন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এর আগে, আজ দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি ভেঙে ও ছিঁড়ে ফেলেন এক প্রবীণ শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থীর নাম আবু তৈয়ব হাবিলদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিসেবে পরিচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য়) পর্যায় প্রকল্পের আওতায়, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনের মাধ্যমে সোমবার ( ১৪ সেপ্টেম্বর ) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের ন্যায় বিচার প্রাপ্তির পথকে সহজ করা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সুমাইয়া মমিন। সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোসাঃ লায়লা আঞ্জুমান বানু।
এছাড়া, সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: সেলিম মিঞা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ শাখা, এনজিও শাখা, মোঃ নাজমুস সাকিব এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের (ইএসডিও) জেলা ম্যানেজার সাইয়্যেদ আহমদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ