প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর শ্যামলীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের জন্য ৫০০ শয্যার নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে, পাশাপাশি চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ পূরণের উদ্যোগও নেওয়া হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ববি হাজ্জাজ। শ্যামলীর টিবি হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, হাসপাতালটিকে ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করা হলে রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি যক্ষ্মা শনাক্তকরণ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালটিকে আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া প্রয়োজন।
সভায় হাসপাতালের জনবল সংকটের বিষয়েও আলোচনা হয়। ববি হাজ্জাজ বলেন, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে হাসপাতালটিতে ২৫০টি শয্যা রয়েছে। রোগীর চাপ কমাতে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এতে যক্ষ্মা রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ আরো বৃদ্ধি পাবে।
হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশনাও দেন ববি হাজ্জাজ। রোগী, স্বজন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে কোনো বাধা না থাকে, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি বলেন।
সভায় যোগ দেওয়ার আগে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি রোগীদের চিকিৎসা, ওষুধ সরবরাহ ও হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনার খোঁজ নেন। রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও শোনেন তিনি।
পরে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ববি হাজ্জাজ। চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা প্রতিটি রোগীর সঙ্গে মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কোনো রোগী যেন চিকিৎসা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে গুরুত্ব দিতে হবে।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিষয়ক সাংবাদিক এবং হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও সভায় অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন