সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৯ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালা থেকে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি অপসারণের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন থেকে শুরু হয় এই বিক্ষোভ মিছিল। মিছিলটি পরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রদক্ষিণ করে এবং শেষে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য প্রদান করেন।
বিক্ষোভের সময় ‘ডাকসুতে জিন্নাহ, ছি ছি ঘৃণা’ এবং ‘রাজাকারের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’—এমন নানা স্লোগান দেন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এর আগে, আজ দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি ভেঙে ও ছিঁড়ে ফেলেন এক প্রবীণ শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থীর নাম আবু তৈয়ব হাবিলদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিসেবে পরিচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য়) পর্যায় প্রকল্পের আওতায়, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনের মাধ্যমে সোমবার ( ১৪ সেপ্টেম্বর ) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভার উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের ন্যায় বিচার প্রাপ্তির পথকে সহজ করা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক সুমাইয়া মমিন। সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মোসাঃ লায়লা আঞ্জুমান বানু।
এছাড়া, সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: সেলিম মিঞা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ শাখা, এনজিও শাখা, মোঃ নাজমুস সাকিব এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের (ইএসডিও) জেলা ম্যানেজার সাইয়্যেদ আহমদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর)। সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফল সফরের কথা স্মরণ করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে— বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, মানব উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীনের অব্যাহত সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অংশীদার ও বন্ধু হিসেবে চীনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরেন।
উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এর মধ্যে রয়েছে— বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর, চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, মোংলা বন্দরের উন্নয়ন, রংপুরে প্রস্তাবিত ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ জ্বালানি খাতের সহযোগিতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন।
রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তাদের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে সুবিধাজনক সময়ে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রতিমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং এমন উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন পৌর নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিএনপি নেতার ব্যানার অপসারণের পর দা দিয়ে কুপিয়ে কাটার একটি ঘটনা স্যোসাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। কারণ, ওই ব্যানারে বিএনপি নেতার ছবি ছাড়াও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের ছবিও ছিল। ভিডিওটি দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং জেলা বিএনপি নেতারা পৌর প্রশাসককে এ ধরনের ঘটনার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিদ্বেষমূলক আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিকেলে বাংলাদেশ কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পৌর কার্যালয়ে গিয়ে প্রশাসক হাফিজুল ইসলামের কাছে প্রতিবাদ জানান।
পৌর প্রশাসক আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র পদের প্রত্যাশী শাহিন খান জনগণের দোয়া চেয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার লাগিয়েছেন। শহরের অন্যান্য ব্যক্তিরাও একইভাবে পোস্টার এবং ব্যানার স্থাপন করেছেন। শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ পিলারসহ বিভিন্ন স্থানে লাগানো ব্যানার অপসারণের অভিযান শুরু করেছে।
রবিবার অপসারিত ব্যানারের উপর এক পরিচ্ছন্নতা কর্মীর দা দিয়ে কোপানোর ঘটনাটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ওই ব্যানারে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের ছবিও ছিল।
বিএনপি নেতা শাহিন খান মন্তব্য করেন, "নোটিশ ও মাইকিং করলেই আমরা ব্যানার নামানোর ব্যবস্থা করতাম। কিন্তু এভাবে ব্যানার অপসারণের পর ব্যানারের উপর দা দিয়ে কোপানোর ঘটনা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের সামিল।" তিনি আরও জানান, ঘটনাটি স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক হাফিজুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, যত্রতত্র পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণের বিষয়টি বিধি অনুযায়ী চলমান কার্যক্রম। তবে অপসারিত ব্যানারে দা দিয়ে কাটার ঘটনায় মাস্টার রোলে কর্মরত সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতা কর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নেতা শাহিন খানের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হানি ট্রাপ চক্রের দুই সক্রিয় সদস্য, গণধর্ষণ মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত দলের সদস্য, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, চোর ও বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি'সহ মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ফেনী মডেল থানা পুলিশ।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেনী জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)-এর দিকনির্দেশনায় এবং ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানা এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশসূত্রে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে ফেনী শহরের বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে একটি চক্র ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজনকে কৌশলে হানি ট্রাপের ফাঁদে ফেলত। পরবর্তীতে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় মামলা রুজুর পর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে হানি ট্রাপ চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য খালেদা আক্তার রুনা ওরফে ফারাজানা (৪০) এবং হাজেরা আক্তার জেবু (৩৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। মহিপাল, চাড়ীপুরসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়াও অভিযানে গণধর্ষণ মামলার আসামি আব্দুল রাজ্জাক (৬২), সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত দলের সদস্য ও সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি দিলবাহার ঝর্না, অন্যান্য পরোয়ানাভুক্ত আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী ও চোরসহ সর্বমোট ১৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ফেনী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় মাদক নির্মূলে ফেনী সদর থানা এলাকার বিভিন্ন মাদক স্পটে নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ