ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেনীতে হানি ট্রাপ চক্রের সক্রিয় সদস্য'সহ ১৮ আসামি গ্রেফতার


ফেনীতে হানি ট্রাপ চক্রের সক্রিয় সদস্য

ফেনীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হানি ট্রাপ চক্রের দুই সক্রিয় সদস্য, গণধর্ষণ মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত দলের সদস্য, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, চোর ও বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি'সহ মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ফেনী মডেল থানা পুলিশ।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেনী জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)-এর দিকনির্দেশনায় এবং ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানা এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশসূত্রে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে ফেনী শহরের বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে একটি চক্র ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজনকে কৌশলে হানি ট্রাপের ফাঁদে ফেলত। পরবর্তীতে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় মামলা রুজুর পর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে হানি ট্রাপ চক্রের অন্যতম সক্রিয় সদস্য খালেদা আক্তার রুনা ওরফে ফারাজানা (৪০) এবং হাজেরা আক্তার জেবু (৩৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। মহিপাল, চাড়ীপুরসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়াও অভিযানে গণধর্ষণ মামলার আসামি আব্দুল রাজ্জাক (৬২), সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত দলের সদস্য ও সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি দিলবাহার ঝর্না, অন্যান্য পরোয়ানাভুক্ত আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী ও চোরসহ সর্বমোট ১৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ফেনী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় মাদক নির্মূলে ফেনী সদর থানা এলাকার বিভিন্ন মাদক স্পটে নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে

আরও পড়ুন: মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, মাদারীপুরে ৭ বাড়িতে আগুন, ৪০ ঘরে ভাঙচুর-লুটপাট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন নিয়ন্ত্রণে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন নিয়ন্ত্রণে

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

আগুনটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের আটতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি স্টেশনের ১০টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর অতিরিক্ত ইউনিটগুলো সরিয়ে নেওয়া হলেও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে রাখা হয়েছে।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনের লিফটের কন্ট্রোল রুমে থাকা কন্ট্রোলার মেশিনের সঙ্গে যুক্ত বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুনের প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, কন্ট্রোল রুমে আগুন লাগার ফলে ভবনের বিভিন্ন তলায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। যদিও আগুনের পরিমাণ বড় ছিল না, তবে ধোঁয়ার কারণে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

হাসপাতালের উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম জানান, নতুন ভবনের ১১ নম্বর লিফটের বাইরের প্লাস্টিকের কাভারিংয়ের নিচের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন কাভারিং বেয়ে ওপরের দিকে উঠতে থাকে। ওই সময় লিফটটি চালু ছিল না, তবে পাশের অন্যান্য লিফট চালু ছিল।

আগুন ও ধোঁয়া দেখে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে থাকেন। এ সময় দু-একজন আহত হয়ে থাকতে পারেন বলে জানান তিনি। তবে সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে হাসপাতালের কোনো ওয়ার্ডের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আগুনের প্রকৃত কারণ এবং বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে বন্যার্তদের পাশে আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


রাজশাহীতে বন্যার্তদের পাশে আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট

 

রাজশাহীর তালাইমারী এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মধ্যে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তালাইমারী এলাকায় এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এ সময় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এক শতাধিক পরিবারের মধ্যে খাবার ও বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, তালাইমারী এলাকায় বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় বেশ কিছু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকের ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট।

ত্রাণ বিতরণকালে আবুল কালাম আজাদ সুইট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন। সংকটের সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় মহানগর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বন্যাকবলিত মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণে সহযোগিতা করেন।

ত্রাণ বিতরণকালে আবুল কালাম আজাদ সুইট খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে খালেদা আক্তার (৭০) এবং মনজুরুল আলম টিটু (৩৫) নামে ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।

এটি ঘটেছে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দড়ানীপাড়া গ্রামে।

নিহত খালেদা আক্তার ওই গ্রামের একজন বাসিন্দা। নিহত টিটু তার ভাইয়ের ছেলে। জানা গেছে, পারিবারিক জমি নিয়ে খালেদা আক্তার ও তার ভাই বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে তাদের আরেক ভাই আবু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় জমি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে আবু মিয়া দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে খালেদা আক্তার ও টিটুকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাইমা হক রিফাত বলেন, "সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। তাদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।"

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল পার্শ্ববর্তী মুরাদনগর উপজেলায় হওয়ায় মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবু মিয়া পলাতক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই বছর পর মাতৃভূমিতে ফিরলেন ১৮ বম সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


দুই বছর পর মাতৃভূমিতে ফিরলেন ১৮ বম সদস্য

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ভারতের মিজোরামে আশ্রয় নেওয়ার পর বান্দরবানের থানচি উপজেলার মাতৃভূমিতে ফিরেছেন বম সম্প্রদায়ের ১৮ সদস্য, যারা তিনটি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীর বাকলাই সাব-জোন ক্যাম্পের সহযোগিতায় তাদের নিজ গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়।

দেশে ফিরে আসা বম সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন থানচি সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেরকর পাড়ায় দুই পরিবারের ১৫ সদস্য এবং একই ওয়ার্ডের প্রাতা পাড়ায় ১ পরিবারের তিন সদস্য। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শিশু ও কিশোরও রয়েছে।

বাকলাই সাব-জোন ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন সাফকাত মুবাররাত চৌধুরী প্রতিটি পরিবারকে নগদ ১৫ হাজার টাকা, ৫০ কেজি চাল, ১০ কেজি ডাল, ৫ লিটার তেল, ৫ কেজি পেঁয়াজ, ৫ কেজি আলু, ৫ কেজি লবণ, একটি সোলার প্যানেল, একটি ব্যাটারি, বালতি-মগ, পাতিল, প্লেট ও গ্লাসসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করেন।

এ সময় তিনি শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের আদর করেন। শেরকর পাড়ার কারবারি তুমথন বম ও প্রাতা পাড়ার কারবারি পার্কেল বম উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের প্রধান ভানরৌখম বম ও লালচম বম জানান, ২০২৪ সালে থানচি ও রুমা উপজেলায় সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার কারণে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে তারা পরিবার নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মিজোরামে আশ্রয় নেন। দীর্ঘদিন পর মাতৃভূমিতে ফিরে এসে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন।

ভানরৌখম বম বলেন, "মাতৃভূমি ও স্বদেশ ছেড়ে অন্য দেশের কখনো নিজের বাড়ির মতো লাগে না। মাতৃভূমি গ্রামে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। নিজের মাটি ও মানুষের কাছে ফিরে এসেছি এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দ।"

রুয়াতখুপ বম জানান, "বাড়িঘর, আত্মীয়-স্বজন ও নিজের পাড়ার কথা সবসময় মনে পড়ত। মিজোরামে থাকলেও মন পড়ে থাকত স্বদেশে। অনেকদিন পর আবার নিজের জায়গায় ফিরেছি।"

লালচম বম বলেন, "স্বদেশ ও মাতৃভূমি ছেড়ে সুখে ছিলাম না। নানা কষ্টের মধ্যে সময় পার করেছি। এখন নিজের পাড়ায় ফিরে এসেছি। পরিবার নিয়ে শান্তিতে থাকতে চাই।"

জানা গেছে, ২০২২-২৩ সালের দিকে এলাকায় নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে তারা বিভিন্ন সময় জঙ্গলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। পরে ২০২৪ সালে থানচি ও রুমা উপজেলায় ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার পর নিরাপত্তার কারণে সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে চলে যান।

তারা জানান, চলতি বছর বম সোশ্যাল কাউন্সিলের নেতা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মিজোরামে অবস্থানরত পরিবারগুলোর কাছে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নিরাপদে ফিরে আসার বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। বম সমাজের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে আস্থা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত তারা স্বদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিজোরাম হয়ে হরিণা ও রাঙামাটি দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। রোববার সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাঙামাটি থেকে তাদের বাকলাই পাড়া সাব-জোন ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। সেখানে সেনা সদস্যরা তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারগুলোকে নিজ নিজ পাড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

বাকলাই সাব-জোন ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন সাফকাত মুবাররাত চৌধুরী বলেন, "দীর্ঘ দুই বছর পর পরিবারগুলো স্বদেশে ফিরে স্বস্তি প্রকাশ করেছে। শিশুদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। তাদের নিরাপদ বসবাস ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।"

তিনি আরও বলেন, "তিন পরিবারের এই প্রত্যাবর্তন শুধু ঘরে ফেরার ঘটনা নয়; এটি শেকড়ের টান, স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয়ের প্রতীক।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%