ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা


কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে খালেদা আক্তার (৭০) এবং মনজুরুল আলম টিটু (৩৫) নামে ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।

এটি ঘটেছে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দড়ানীপাড়া গ্রামে।

নিহত খালেদা আক্তার ওই গ্রামের একজন বাসিন্দা। নিহত টিটু তার ভাইয়ের ছেলে। জানা গেছে, পারিবারিক জমি নিয়ে খালেদা আক্তার ও তার ভাই বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে তাদের আরেক ভাই আবু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় জমি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে আবু মিয়া দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে খালেদা আক্তার ও টিটুকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাইমা হক রিফাত বলেন, "সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। তাদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।"

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল পার্শ্ববর্তী মুরাদনগর উপজেলায় হওয়ায় মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবু মিয়া পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই বছর পর মাতৃভূমিতে ফিরলেন ১৮ বম সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


দুই বছর পর মাতৃভূমিতে ফিরলেন ১৮ বম সদস্য

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ভারতের মিজোরামে আশ্রয় নেওয়ার পর বান্দরবানের থানচি উপজেলার মাতৃভূমিতে ফিরেছেন বম সম্প্রদায়ের ১৮ সদস্য, যারা তিনটি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীর বাকলাই সাব-জোন ক্যাম্পের সহযোগিতায় তাদের নিজ গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়।

দেশে ফিরে আসা বম সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন থানচি সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেরকর পাড়ায় দুই পরিবারের ১৫ সদস্য এবং একই ওয়ার্ডের প্রাতা পাড়ায় ১ পরিবারের তিন সদস্য। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শিশু ও কিশোরও রয়েছে।

বাকলাই সাব-জোন ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন সাফকাত মুবাররাত চৌধুরী প্রতিটি পরিবারকে নগদ ১৫ হাজার টাকা, ৫০ কেজি চাল, ১০ কেজি ডাল, ৫ লিটার তেল, ৫ কেজি পেঁয়াজ, ৫ কেজি আলু, ৫ কেজি লবণ, একটি সোলার প্যানেল, একটি ব্যাটারি, বালতি-মগ, পাতিল, প্লেট ও গ্লাসসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করেন।

এ সময় তিনি শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের আদর করেন। শেরকর পাড়ার কারবারি তুমথন বম ও প্রাতা পাড়ার কারবারি পার্কেল বম উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের প্রধান ভানরৌখম বম ও লালচম বম জানান, ২০২৪ সালে থানচি ও রুমা উপজেলায় সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার কারণে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে তারা পরিবার নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মিজোরামে আশ্রয় নেন। দীর্ঘদিন পর মাতৃভূমিতে ফিরে এসে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন।

ভানরৌখম বম বলেন, "মাতৃভূমি ও স্বদেশ ছেড়ে অন্য দেশের কখনো নিজের বাড়ির মতো লাগে না। মাতৃভূমি গ্রামে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। নিজের মাটি ও মানুষের কাছে ফিরে এসেছি এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দ।"

রুয়াতখুপ বম জানান, "বাড়িঘর, আত্মীয়-স্বজন ও নিজের পাড়ার কথা সবসময় মনে পড়ত। মিজোরামে থাকলেও মন পড়ে থাকত স্বদেশে। অনেকদিন পর আবার নিজের জায়গায় ফিরেছি।"

লালচম বম বলেন, "স্বদেশ ও মাতৃভূমি ছেড়ে সুখে ছিলাম না। নানা কষ্টের মধ্যে সময় পার করেছি। এখন নিজের পাড়ায় ফিরে এসেছি। পরিবার নিয়ে শান্তিতে থাকতে চাই।"

জানা গেছে, ২০২২-২৩ সালের দিকে এলাকায় নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে তারা বিভিন্ন সময় জঙ্গলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। পরে ২০২৪ সালে থানচি ও রুমা উপজেলায় ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার পর নিরাপত্তার কারণে সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরামে চলে যান।

তারা জানান, চলতি বছর বম সোশ্যাল কাউন্সিলের নেতা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে মিজোরামে অবস্থানরত পরিবারগুলোর কাছে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নিরাপদে ফিরে আসার বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। বম সমাজের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে আস্থা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত তারা স্বদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিজোরাম হয়ে হরিণা ও রাঙামাটি দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। রোববার সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাঙামাটি থেকে তাদের বাকলাই পাড়া সাব-জোন ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। সেখানে সেনা সদস্যরা তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারগুলোকে নিজ নিজ পাড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

বাকলাই সাব-জোন ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন সাফকাত মুবাররাত চৌধুরী বলেন, "দীর্ঘ দুই বছর পর পরিবারগুলো স্বদেশে ফিরে স্বস্তি প্রকাশ করেছে। শিশুদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। তাদের নিরাপদ বসবাস ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।"

তিনি আরও বলেন, "তিন পরিবারের এই প্রত্যাবর্তন শুধু ঘরে ফেরার ঘটনা নয়; এটি শেকড়ের টান, স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা এবং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয়ের প্রতীক।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান : শামার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান : শামার

ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম কানাডার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাংলাদেশে বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন।

আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব কানাডা (বিবিসিসি)’র সহসভাপতি ফেরদৌস আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বিবিসিসি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ সুরক্ষার জন্য একটি উপযুক্ত আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।

প্রতিনিধিদলটি কানাডার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর বিভিন্ন সুযোগের কথাও তুলে ধরেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবার রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বিবিসিসি প্রতিনিধিরা কানাডা চীন ও ভিয়েতনাম থেকে বিপুল পরিমাণ পোশাক আমদানি করে উল্লেখ করে বলেন, কানাডার পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তারা কানাডার বৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি আউটসোর্সিং বাজারের কথাও উল্লেখ করেন। দক্ষ জনবল থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বর্তমানে এ বাজারের সামান্য অংশ দখল করে আছে বলে প্রতিনিধিরা জানান, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগার সুবিধা না থাকার কারণে কানাডায় বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানিতে যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, তা প্রতিনিধিদলটি তুলে ধরেছে।

আলোচনায় শ্যামা বাংলাদেশে আরও বেশি কানাডীয় এফডিআই আকর্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে নেওয়া উদ্যোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।

বিবিসিসি প্রতিনিধিরা প্রতিমন্ত্রীকে জানান, বাংলাদেশের পণ্য কানাডার বাজারে তুলে ধরার জন্য চেম্বারটি আগামী বছর কানাডায় একটি রোডশো আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এ উদ্যোগে তারা বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চান।

উদ্যোগটির প্রশংসা করে শ্যামা প্রতিনিধিদলকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়ার জন্য বিবিসিসিকে অনুরোধ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনালে ঘণ্টায় ৫৮ কনটেইনার ওঠানো-নামানোর নতুন রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনালে ঘণ্টায় ৫৮ কনটেইনার ওঠানো-নামানোর নতুন রেকর্ড

চট্টগ্রাম, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড স্থাপন করেছে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) বাংলাদেশ। সম্প্রতি, এমভি ওয়ানেন নামের সিএমএ-সিজিএমের একটি জাহাজে শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেনের মাধ্যমে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৮টি কনটেইনার (৮২ টিইইউ) হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড গড়েছে সৌদিআরব-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।

১০ সেপ্টেম্বর, পতেঙ্গা টার্মিনালে প্রথমবারের মতো গিয়ারলেস জাহাজ ‘এমভি ওয়ানেন’-এ নতুন চালু হওয়া শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন ব্যবহার করে কনটেইনার ওঠানামার সময় এই উৎপাদনশীলতা অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে আরএসজিটি বাংলাদেশ।

আরএসজিটি বাংলাদেশ দাবি করেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৩০টি কনটেইনার (৪৮ টিইইউ) হ্যান্ডলিং হয়ে থাকে। নতুন এই উৎপাদনশীলতা প্রচলিত গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে টার্মিনালটিতে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে গিয়ারলেস জাহাজ পরিচালনাও করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উন্নত প্রযুক্তির সরঞ্জাম, আন্তর্জাতিক টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা, আধুনিক পরিচালন পদ্ধতি এবং দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে এ উৎপাদনশীলতা অর্জন সম্ভব হয়েছে। এর ফলে জাহাজের বন্দরে অবস্থানের সময় কমবে, জেটি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়বে এবং জাহাজ-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও কমতে পারে। পাশাপাশি, দেশের সামুদ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থার সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও বৈশ্বিক নৌবাণিজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সামুদ্রিক প্রবেশদ্বারে রূপান্তরের লক্ষ্যে আধুনিক অবকাঠামো, প্রযুক্তি, পরিচালন দক্ষতা ও জনবল উন্নয়নে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে তারা।

এক বিবৃতিতে আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরউইন হাযে মন্তব্য করেন, ‘ঘণ্টায় ৫৮টি মুভ বা ৮২ টিইইউ অর্জনের এই সাফল্য কেবল উৎপাদনশীলতার কোনো সাধারণ অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার অপার সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।’

তিনি আরও বলেন, বিশ্বমানের প্রযুক্তির সংযোজন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সুশৃঙ্খল পরিচালন পদ্ধতি এবং একটি দক্ষ জনবলের যৌথ প্রয়াসেই এই মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

হাযে বলেন, ‘আমরা আমাদের পরিচালনাগত মানকে ক্রমাগত উন্নত করতে এবং গ্রাহক ও অংশীদারদের নিরাপদ, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রদান অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

চট্টগ্রাম বন্দরের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল বা আরএসজিটি চিটাগংয়ের (সাবেক নাম পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল) বহরে সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় টার্মিনালটির সেবার আওতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে এটির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সৌদি প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালের জুনে, এ টার্মিনাল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় সৌদি আরবের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আরএসজিটির হাতে দেওয়া হয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম টার্মিনাল, যা প্রথমবার সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির আওতায় দীর্ঘ মেয়াদে পরিচালনার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে শুরুতে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে টার্মিনালটির সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর হারও ছিল কম। তবে নতুন সুবিধা যুক্ত হওয়ায়, টার্মিনালটি ব্যবহার করে পণ্য ওঠানো-নামানোর হার দ্রুত বেড়েছে।

অত্যাধুনিক চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেন টার্মিনালের বহরে যুক্ত হওয়ার আগে সনাতন পদ্ধতিতে, অর্থাৎ জাহাজের ক্রেন দিয়ে কনটেইনার ওঠানো-নামানো হতো টার্মিনালটিতে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টিইইউ (২০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনারের একক)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশিক্ষণের পর নারীর কর্মসংস্থানের পথও দেখাতে হবে: চট্টগ্রামের ডিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


প্রশিক্ষণের পর নারীর কর্মসংস্থানের পথও দেখাতে হবে: চট্টগ্রামের ডিসি

চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নারীদের প্রশিক্ষণ প্রদানই শেষ নয়, প্রশিক্ষণের পর তারা কীভাবে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারবেন, সেই কর্মসংস্থানের পথও নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

আজ সোমবার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ‘জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’র আওতায় সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে জেলা প্রশাসক এসব মন্তব্য করেন।

জাহিদুল ইসলাম মিঞা উল্লেখ করেন, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি না রেখে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে সরকারি অর্থ ও প্রশিক্ষণার্থীদের সময় ব্যয়ের পরও কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন সম্ভব হবে না। সুতরাং, প্রশিক্ষণ দেওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট খাতের চাহিদা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং প্রশিক্ষণের পর সম্ভাবনা নিয়ে পরিকল্পনা ও গবেষণা করা আবশ্যক।

তিনি আরও বলেন, "শুধু আমাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমি ২০ জনকে প্রশিক্ষণ দিলাম"—এমন মানসিকতা আমাদের মধ্যে থাকা উচিত নয়। প্রশিক্ষণের পর যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন, তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি আমাদের চিন্তায় রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত দক্ষতার পরিধি বৃদ্ধি ও নতুন প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তন সম্পর্কে নিয়মিত অবহিত থাকার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%