ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নে ১ ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী হচ্ছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঢালী


মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নে ১ ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী হচ্ছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঢালী

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের মেম্বর পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাবেক যুবদল নেতা ও কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঢালী। তিনি ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং কুশল বিনিময় করেছেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঢালীর পরিচিতি রয়েছে। অতীতে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঢালী মন্তব্য করেন, "আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে এবার নির্বাচনের মাধ্যমে সরাসরি তাদের সেবা করতে চাই। এলাকার মানুষের মৌলিক সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখাই আমার প্রধান লক্ষ্য।"

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

তিনি আরও বলেন, "নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এলাকার রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখতে সামাজিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করব।"

স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, মেম্বর পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঢালীকে নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর সমর্থকরা জানান, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চান।

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ঢালী আরও বলেন, "জনপ্রতিনিধি হওয়া আমার কাছে শুধু একটি পদ নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে দল-মত ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে সকলের জন্য কাজ করব।" তিনি মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লাইহুইল গবেষণা নিয়ে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


ফ্লাইহুইল গবেষণা নিয়ে বিতর্ক

দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটের আলোচনা যখন চরমে, তখন বগুড়ার শেরপুরের পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর (আরডিএ) ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি সফলতার খবর দিচ্ছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা এবং প্রতি ইউনিটের খরচ মাত্র দেড় টাকা বলে জানা গেছে। দীর্ঘ গবেষণার পর আরডিএ দাবি করেছে, তারা পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।

আরডিএর তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ সদস্যের একটি গবেষক দল ২০১৪ সাল থেকে এই গবেষণা পরিচালনা করে আসছে। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আরডিএর উপপরিচালক ড. মনিরুল ইসলাম। দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন আরডিএর মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক এবং পরিচালক মো. ফেরদৌস হোসেন খান। বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের বানদীঘী গ্রামের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বিগ চিক ইনকিউবেটর অ্যান্ড এগ্রো. ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর স্বত্বাধিকারী মতিয়ার রহমান সরকার ও মিজানুর রহমানও দলের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। তাদের ১২ বছরের গবেষণার ফলস্বরূপ ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘জলবায়ু-সংকটাপন্ন অঞ্চলে টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহে সাশ্রয়ী ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে অনুসন্ধানে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। আলোচিত গবেষণার শুরু, কৃতিত্ব ও মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মতিয়ার রহমান সরকার ও মিজানুর রহমান দাবি করেছেন, এই উদ্ভাবনের সাথে আরডিএর কোন সম্পর্ক নেই। তারা জানিয়েছেন, গবেষণার ফলস্বরূপ আলোচিত প্রযুক্তির কাজটি বহু আগে, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুরু হয়েছিল। তাদের আরডিএর সাথে কোনো লিখিত চুক্তিও নেই।

মতিয়ার রহমান সরকার বলেন, পোলট্রি ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকার সময় তিনি নিজেই ইনকিউবেটর তৈরি করেন। বড় আকারের ইনকিউবেটরে হাজার হাজার ডিম একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থায় অল্প শক্তিতে ঘুরতে দেখে তার মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল যে, বড় ভরকে তুলনামূলক কম শক্তিতে ঘোরানো বা গতিশক্তি সঞ্চয় করে পরে অন্য কাজে ব্যবহার করা যায় কি না। এরপর ২০০৪ সালে তিনি ফ্লাইহুইলের একটি ছোট প্রোটোটাইপ তৈরির কাজ শুরু করেন। পরে মিজানুর রহমান এ কাজে যুক্ত হন। মিজানুর রহমান বিদ্যুৎ কৌশলে ডিপ্লোমাধারী এবং মোটর ও জেনারেটর তৈরির কাজের অভিজ্ঞতা ছিল। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় গবেষণাটি ধীরে ধীরে এগোতে থাকে।

আরডিএর সাথে যৌথ গবেষণার বিষয়ে মতিয়ার রহমান বলেন, মনির সাহেবের সাথে পরিচয় হলেও ফ্লাইহুইল নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি। তিনি জানান, এই বছরের মে মাসের ১৮ তারিখে তিনি তার অফিসে গিয়ে ফ্লাইহুইল গবেষণায় সরকারি সহায়তার জন্য প্রফাইল তৈরি করে দিতে বলেন। এরপর আরডিএর কর্মকর্তারা কয়েকবার তাদের গবেষণাগার পরিদর্শন করেন। প্রযুক্তিটির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয় এবং বড় পরিসরে একটি প্রকল্প নেওয়ার কথাও ওঠে। তবে উদ্যোক্তাদের দাবি, গবেষণার কারিগরি উন্নয়ন বা যন্ত্রপাতি কেনার জন্য আরডিএ এখন পর্যন্ত কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়নি। বর্তমানে বড় পরিসরে প্রযুক্তিটির পরীক্ষা ও ১ মেগাওয়াটের একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের সরকারি অর্থায়নের জন্য আরডিএ চেষ্টা করছে। উদ্ভাবনের কাজে সম্পৃক্ততার বিষয়ে মিজানুর রহমানও একই কথা বলেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তারা এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এতে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, এখন আরডিএর কৃতিত্ব দাবি করা দুঃখজনক।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বলেন, মতিয়ার ও মিজান ২০০৪ সাল থেকে গবেষণার কাজ করে আসছেন। এর আগে তিনি কম খরচে মুরগির ইনকিউবেটর তৈরি করেছেন এবং দই তৈরির একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন। পরবর্তীকালে অল্প খরচে কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা নিজেদের সময়, শ্রম, অর্থ এবং ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যয় করে বছরের পর বছর গবেষণা চালিয়ে গেছেন। যতদূর তিনি জানেন, এই গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি কোনো আর্থিক সহযোগিতা ছিল না। পরবর্তীকালে প্রকল্পটিকে কারিগরি ও বাণিজ্যিকভাবে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সহযোগিতা চেয়েছেন।

এদিকে, আরডিএর উপপরিচালক ড. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০১৪ সাল থেকে তারা যৌথ উদ্যোগে গবেষণা পরিচালনা করছেন। উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কোনো লিখিত চুক্তি নেই। গবেষণা পরিচালনা, অর্থায়ন কিংবা প্রযুক্তির মালিকানা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক দলিলও করা হয়নি। তারা মতিয়ার ও মিজানুরকে মৌখিক নির্দেশনার মাধ্যমে গবেষণা পরিচালনা করেছেন। তাই তাদের কাছে গবেষণার কোন নথি নেই। এখন যেহেতু তাদের গবেষণা সফল হয়েছে, তারা গবেষণাপত্র তৈরির কাজ করছেন।

উভয় পক্ষই তাদের গবেষণাকে সফল বলে দাবি করেছেন। গবেষকদের দেওয়া কারিগরি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান পরীক্ষামূলক ব্যবস্থায় ৫২ কিলোওয়াট ক্ষমতার একটি প্রাইম মুভার দিয়ে ৬০০ ও ১ হাজার কেজি ওজনের দুটি ফ্লাইহুইল প্রায় ১ হাজার ৪০০ আরপিএম গতিতে ঘোরানোর কথা বলা হয়েছে। এরপর গিয়ারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গতি কমিয়ে প্রায় ২৫০ আরপিএমে আনা হয়। এই যান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে একটি ২৪-পোল স্থায়ী চুম্বক জেনারেটর যুক্ত করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দাবি করা হয়েছে। গবেষকদের দাবি, পরীক্ষায় প্রায় ৬০০ ভোল্ট ও ৫০ হার্জ বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে এবং ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে ৪০০ ভোল্টে রূপান্তর করে প্রায় ১১৯ কিলোওয়াট বাস্তব লোড সরবরাহ করা হয়েছে। অর্থাৎ মাত্র ৫২ কিলোওয়াট ইনপুট দিয়ে দ্বিগুণেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি আরও বহুগুণে বৃদ্ধি করা যাবে।

গত ১৬ আগস্ট বগুড়ার এরুলিয়ার বানদিঘী এলাকায় পরীক্ষামূলক প্ল্যান্টে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করা হয়। সেখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে দুটি পাম্প ও একটি ওয়েল্ডিং মেশিন চালিয়ে দেখানো হয়। এরপরই বিষয়টি ব্যাপকভাবে গণমাধ্যমের আলোচনায় আসে। দাবি করা হয়, তাদের এই প্ল্যান্টের মাধ্যমে মাত্র দেড় টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

কথিত গবেষণার সাফল্যের বিষয়ে আরডিএর উপপরিচালক ড. মনিরুল ইসলাম জানান, তাদের এই বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি পদার্থ বিজ্ঞানের স্বীকৃত শক্তির নিত্যতা সূত্রের সাথে সাংঘর্ষিক হলেও তারা বাস্তবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। চীন, আমেরিকা, আয়ারল্যান্ড, জাপান সহ পৃথিবীর অনেক দেশ এই প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তাদের জাতীয় গ্রীডে যুক্ত করছে বলে তিনি দাবি করেছেন।

গবেষক দলের আরেক সদস্য আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আব্দুল মজিদ বলেন, ১২ বছর ধরে চলা এই গবেষণায় সরকারের কোন অর্থ ব্যয় হয়নি। দুই উদ্যোগক্তা ব্যক্তিগতভাবে খরচ করেছেন। আমাদের গবেষক দল তাদেরকে সার্বিক সহযোগীতা করেছে। আমরা স্বল্পব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলেছি। তবে কোন কোন মিডিয়া ভুলভাবে জ্বালানী ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলেছে। বিষয়টা তেমন নয়। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্প অনুমোদন হলে দেশের জ্বালানী খাতে আমরা অবদান রাখতে পারব।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারসিম মান্নান মোহাম্মদী বলেন, “যেকোনো যান্ত্রিক ব্যবস্থায় মোট আউটপুট শক্তি কখনো মোট ইনপুট শক্তির চেয়ে বেশি হতে পারে না-কোথাওই নয়। তাই এ ধরনের প্রযুক্তির কার্যকারিতা যাচাই করতে হলে ইনপুট ও আউটপুট উভয় দিকের ভোল্টেজ, কারেন্ট, পাওয়ার এবং সময় হিসাব করে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা ও পরিমাপ করা প্রয়োজন। আর উদ্যোক্তারা যদি মনে করেন যে প্রযুক্তিটি বাস্তবেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ সাশ্রয় করছে, তাহলে প্রথমে গ্রামপর্যায়ে ছোট পরিসরে এটি প্রয়োগ করে দেখা যেতে পারে। কমিউনিটি পর্যায়ে বাস্তব ব্যবহারে এর অর্থনৈতিক ও কারিগরি সুবিধা প্রমাণিত হলে পর্যায়ক্রমে বড় পরিসরে বা স্কেল আপ করা সম্ভব। শুরুতেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রয়োজন কেন-সেই প্রশ্নেরও একটি বাস্তবসম্মত উত্তর থাকা দরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের ভাগ্যন্নোয়নে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: সেলিম রেজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


নারীদের ভাগ্যন্নোয়নে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: সেলিম রেজা

পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডঃ এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব মন্তব্য করেছেন যে নারীদের ভাগ্যন্নোয়নে বর্তমান বিএনপির সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কারণ, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই অর্ধেক জনগণের উন্নয়ন ছাড়া দেশের কাঙ্খিত অগ্রগতি সম্ভব নয়। এই কারণে সরকার ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড এবং পিঙ্কি বাস বা মহিলা বাস সার্ভিস চালু করার পাশাপাশি নারীদের উন্নয়নে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে পাবনার সুজানগর উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা মহিলাদলের সভাপতি হাজারী লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে স্থানীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু, পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাস, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, উপজেলা মহিলাদলের সহ-সভাপতি লাভলী আক্তার ও শিল্পী খাতুন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন উপজেলা ছাত্রদল নেতা গাজী মাজহারুল ইসলাম। সভায় মহিলাদলের ৪শতাধিক মহিলা নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার মানোন্নয়নে মাঠে এমপি ইলিয়াস মোল্লা, শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


শিক্ষার মানোন্নয়নে মাঠে এমপি ইলিয়াস মোল্লা, শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়

শিক্ষার পরিবেশের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্লা আলফাডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে তিনি আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। সেখানে বিদ্যালয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশে (অ্যাসেম্বলি) অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের পড়াশোনা ও সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

সমাবেশ শেষে, সংসদ সদস্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রধান শিক্ষক আজাদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের বিষয় তুলে ধরেন। সংসদ সদস্য সমস্যাগুলো মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

পরে, আলফাডাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্লা। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, নৈতিক শিক্ষা এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে অভিভাবকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

এরপর দুপুরে বাঁকাইল বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ পরিদর্শন করেন। এ সময় কলেজের অধ্যক্ষ শেখ ফাতেমা অনন্যা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনের বিষয় সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরেন। তিনি দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সঙ্গে ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এস এম হাফিজুর রহমান, নায়েবে আমির এস এম রিদওয়ানুন্নবী, পৌর আমির ওয়াহিদুল ইসলাম, আলফাডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মুন্সি বিল্লাল হোসাইন, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. মনিরুজ্জামান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জিয়াউল হাসান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি মো. জাবেদ হোসেন, পৌর সভাপতি মো. ইউসুফসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ সময় অধ্যাপক ড. ইলিয়াস মোল্লা মন্তব্য করেন, "একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের জন্য মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। শিক্ষাই জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল ভিত্তি।" তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আলফাডাঙ্গার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফটিকছড়িতে মাদক-সন্ত্রাস ও অবৈধ বালু উত্তোলনে ছাড় নয় : সরোয়ার আলমগীর এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


ফটিকছড়িতে মাদক-সন্ত্রাস ও অবৈধ বালু উত্তোলনে ছাড় নয় : সরোয়ার আলমগীর এমপি

চট্টগ্রাম, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস, মব ভায়োলেন্স ও অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন।

ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক হলরুমে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও সমন্বয় সভায় মুখ্য উপদেষ্টার বক্তব্যে তিনি আজ এসব কথা বলেন। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম।

সরোয়ার আলমগীর বলেন, ফটিকছড়ির কোনো স্থান থেকেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা যাবে না। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ফটিকছড়িতে আরও তিনটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

এ সময় তিনি মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, সংসদীয় এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্লাহ, ফটিকছড়ি থানা ওসি রবিউল আলম খান, ভুজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে, নাজিরহাট হাইওয়ে থানার এস আই মো. আজিজ, চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি সরোয়ার উদ্দীন চৌধুরী শাহীন, ভুজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান চৌধুরী শিফন, আব্দুল্লাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল আলম, প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম মোরশেদ মুন্না প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%