রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৯ পি.এম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। এই সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ছয় মাসে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনার পাশাপাশি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে আরও জনমুখী ও কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি, দীর্ঘদিন স্থবির থাকা প্রকল্প পুনরায় চালু এবং জেলা পরিষদের সম্পদ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের মাসিক সভায় এসব তথ্য তুলে ধরেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি।
ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের কার্যালয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে গত ছয় মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে পরিষদের প্রশাসক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কাজে গতি আনার পাশাপাশি জনগণের কল্যাণ ও সেবার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমকে আরও সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, “জেলা পরিষদের কার্যক্রম কাগজে-কলমে নয়, জনগণের কাছে দৃশ্যমান হতে হবে।”
অতীতে সিদ্ধান্তহীনতা, প্রশাসনিক জটিলতা বা অন্যান্য কারণে স্থবির হয়ে থাকা কয়েকটি প্রকল্প ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছয় মাসে তিন শতাধিক নতুন এবং পুরাতন প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। জেলা পরিষদের বেহাত হওয়া সম্পত্তি চিহ্নিত করে তা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, “জেলা পরিষদের সম্পদ সংরক্ষণ ও জনস্বার্থে এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।”
সভায় জনসেবা ও প্রশাসনিক গতিশীলতায় গুরুত্ব দিয়ে তিনি জনগণের সেবা, দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক বলেন, সেবা নিতে আসা মানুষ যেন অযথা হয়রানি বা দীর্ঘসূত্রতার শিকার না হন। আবেদন ও অভিযোগ যথাযথভাবে বিবেচনা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি বলেন, “প্রশাসনকে আরও গতিশীল এবং জনগণের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।”
মাসিক সভাকে শুধু আলোচনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ এবং পরবর্তী সভায় অগ্রগতি পর্যালোচনার কথা বলা হয়।
জেলা পরিষদের স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা সভায় জেলা পরিষদের কার্যালয়, ডাকবাংলোসহ অন্যান্য উপযুক্ত স্থাপনায় সৌর প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি জেলা পরিষদের নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদার একটি অংশ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণ করা এর উদ্দেশ্য বলে সভায় জানানো হয়।
প্রশাসক বলেন, “নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।”
তিনি জানান, অল্প সময়ের মধ্যে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর আগে স্থাপনাগুলোর উপযোগিতা, সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা, প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ ও কারিগরি বিষয় যাচাই করা হবে। জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নীতিমালা, কারিগরি সক্ষমতা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদনের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলা পরিষদ নিজস্ব সক্ষমতার মধ্যে সহায়ক ভূমিকা রাখতে চায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শুধু নিজস্ব স্থাপনা নয়, গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে সোলার প্যানেল স্থাপনের পাইলট প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।
সভায় দেশ পুনর্গঠনের চলমান কার্যক্রমের সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক এমরান সালেহ প্রিন্স।
তিনি বলেন, “দেশ পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে গতিতে কাজ করছেন, আমাদেরও সেই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।”
জাতীয় পর্যায়ে গৃহীত পরিকল্পনা ও কর্মসূচির সুফল স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক সক্ষমতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সময়মতো বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রশাসক বলেন, “পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি এর বাস্তবায়ন এবং জনগণের কাছে সুফল পৌঁছানোই গুরুত্বপূর্ণ।”
সভায় জেলা পরিষদের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, প্রশাসনিক কার্যক্রম, স্থবির প্রকল্প পুনরায় চালু, সম্পত্তি সংরক্ষণ ও উদ্ধারের উদ্যোগ, সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা, জনসেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাশসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন দফতরের জেলা প্রধান এবং ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অবস্থিত হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার শরীফের পাশে একটি ভাঙা মসজিদ থেকে ঐতিহাসিক পাথর চুরির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ, যারা পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার মো. শহিদুল ইসলাম (৬০), সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার মো. জেলহক (৪৭) এবং মোছা. তুলি পারভীন (৩৬)।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তারা তিনজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
তবে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাড়াাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাম জাফর জানিয়েছেন, আটককৃত তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে চুরি হওয়া ঐতিহাসিক পাথর উদ্ধার করার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার শরীফের পাশে একটি পুরোনো ভাঙা মসজিদ রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি ঐতিহাসিক পাথর সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে তারা সন্দেহ প্রকাশ করে এবং পরে তিনজনকে আটক করে পুলিশকে অবহিত করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল খালেক, রাশিদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলামসহ অনেকের মতে, মাজার শরীফ ও পুরনো মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সকল স্থাপনা ও প্রত্ন নিদর্শন সংরক্ষণে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন।
এ বিষয়ে হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.)-এর মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য ঐক্যের রূপরেখা চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি গঠনের আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শেখ সাজিদুর রহমান। প্রতিটি দল থেকে তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় এই কমিটি।
রোববার চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে সাত দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এর আগে সকালে ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত সাত দলের প্রতিটি থেকে পাঁচজন করে প্রতিনিধি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। হেফাজতে ইসলামের আমির ও মহাসচিবের পাশাপাশি ঐক্যের রূপরেখা প্রণয়নে গঠিত উপকমিটির সদস্য এবং সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ নেতারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সাত দলের পক্ষ থেকে পূর্বে প্রদত্ত পৃথক প্রস্তাবগুলো সমন্বয় করে উপকমিটির তৈরি খসড়া রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়। এরপর খসড়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজন সম্পর্কেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঐক্য প্রক্রিয়ায় থাকা সাতটি দল হলো—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আজকের বৈঠকে সাতটি ইসলামি দলের ঐক্য প্রক্রিয়ায় সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। প্রত্যেক দলের লিখিত ফর্মুলা আলোচনা-পর্যালোচনা করে হেফাজতের আমিরের পরামর্শে একটি খসড়া রূপরেখা সাত দলের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক দল থেকে তিনজন সদস্য নিয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়েছে। হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমান এই লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক থাকবেন। ২২ অক্টোবর লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির মুফতি জসিম উদ্দিন, নায়েবে আমির মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন ইজহার।
দলীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারি মাসউদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালাল উদ্দীন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নাসির উদ্দীন মুনির, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মুফতি মুছা বিন ইযহার, নায়েবে আমির মাওলানা মুখলেচুর রহমান, নায়েবে আমির শেখ হুসাইন মুহাম্মদ শাহজাহান ইসলামাবাদী, সাংগঠনিক সচিব মাওলানা এনামুল হক কুতুবী, অর্থ সচিব মাওলানা এরশাদ বিন জালাল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসূফী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মহাসচিব মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দি, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মুনির হোসেন কাসেমী, ইসলামী ঐক্যজোটের আমির মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি, মাওলানা আব্দুল কাদের, খেলাফত মজলিশের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজি এবং সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী।
কওমি ঘরানার সাত ইসলামি দলের ঐক্য প্রক্রিয়ার যাত্রা শুরু হয় ১৬ জুলাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৭ : ‘হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এই সেমিনারের আয়োজন করে। এটি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (এনইটিপি) আওতায় অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। এই খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা প্রয়োজন। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্ব অপরিসীম।
তিনি আরও বলেন, এই খাতে অনেক মানুষ জড়িত এবং এই সেক্টরকে টিকিয়ে রাখতে আমাদের কাজ করতে হবে। মৎস্য সেক্টরে যারা কাজ করেন, তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সম্পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে সকলের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ স্বাগত বক্তৃতা প্রদান করেন।
সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ) আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম জহীর এবং সহ-সভাপতি এস কে কামরুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মূলপ্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য খাতের ওপর ১৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নির্ভরশীল। ইইউ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য এই সাতটি দেশে রপ্তানির উপস্থিতি রয়েছে।
মৎস্য সেক্টরের জিডিপিতে অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, কৃষিতে অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ, মোট উৎপাদন ৫০ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন এবং মাথাপিছু মাছ গ্রহণ ২৪ দশমিক ৭৪ কেজি।
মোট উৎপাদন ২৩৫ মিলিয়ন টন, জলজ ১০৩ মিলিয়ন টন, সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ ৯২ মিলিয়ন এবং বাণিজ্যিক ১৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশ নিয়ন্ত্রণ করে।
সেমিনারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, মৎস্য সেক্টরের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ