সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০২ পি.এম
তামিলনাড়ুর বিধানসভা অধিবেশনের সময় রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় একটি মানবিকতার উদাহরণ স্থাপন করেন। বিধানসভায় চলমান হট্টগোলের মাঝে বিরোধী ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরনকে সাহায্য করে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করছেন।
চেয়ার থেকে উঠতে অক্ষম বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন থালাপতি। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া বিজয় স্পিকারের আসনের সামনে ডিএমকে বিধায়কদের অবস্থান ধর্মঘটের সময় এই মানবিক এবং সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক পদক্ষেপ দেখে শাসক ও বিরোধী উভয় দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তা স্বাগত জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতারা বিজয়ের এই আচরণের প্রশংসা করছেন।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে আইনসভার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও এমন মানবিক আচরণ একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
ডিএমকে বিধায়কেরা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন। কিন্তু কথা বলার সুযোগ না পেয়ে তারা বিধানসভা কক্ষ থেকে ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই প্রতিবাদের মাঝেও তিরুভাইয়ারুর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন নিজের আসনে বসে থাকেন।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চন্দ্রশেখরন ওয়াকআউটে যোগ না দেওয়ায় বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নজরে আসে। তিনি তখন ওই বিধায়কের কাছে জানতে চান কেন তিনি অন্য ডিএমকে নেতাদের সঙ্গে বাইরে যাচ্ছেন না। জবাবে চন্দ্রশেখরন জানান, তিনি আসন থেকে উঠতে পারছেন না।
বিজয় তখন অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, "‘আপনি উঠতে পারছেন না মানে কী?’" এরপর মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিজের আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং চন্দ্রশেখরনকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিক সহায়তার পর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন হাত জোড় করে বিজয়কে ধন্যবাদ জানান এবং পরে অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ওয়াকআউটে যোগ দেন।
এই কথোপকথনটি বিধানসভার মন্ত্রী ও অন্যান্য সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যাঁরা টেবিলে চাপড়ে বিজয়ের এই সৌজন্যের প্রশংসা করেন বলে জানা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এই কথোপকথনের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় চন্দ্রশেখরকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করার পর নিজের আসনে ফিরে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এখন পর্যন্ত সিনেমাটির সেট থেকে প্রকাশিত হয়েছে রণবীরের বেশ কিছু ঝলক। এই ছবি ও ভিডিওগুলো সামনে আসার পর, রণবীরের লুক সম্পর্কে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।রণবীরকে দেখা গেছে লম্বা চুল, গালভর্তি দাড়ি এবং কালো পোশাকে। তার এই লুক ‘ধুরন্ধর’-এর লুকের সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ।এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে, ‘প্রলয়’-এও কি রণবীরকে সেই রাফ অ্যান্ড টাফ অবতারে দেখা যাবে?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে অভিনেতার শুটিংয়ের একটি ভিডিও। সেখানে রঙিন চশমা সামান্য নামিয়ে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এবং রুক্ষ চেহারা অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।‘প্রলয়’-এ রণবীরের সহ-অভিনেত্রী হিসেবে রয়েছেন কল্যাণী প্রিয়দর্শন।
এই সিনেমার মাধ্যমে দক্ষিণী অভিনেত্রীর বলিউডে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে। শুটিংয়ের একটি দৃশ্যে রণবীরকে পিঠে একটি শিশুকে নিয়ে হেঁটে আসতে দেখা গেছে। ধুলো-কাদায় ভরা পথ ধরে শিশুটিকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
রণবীরের এই নতুন লুক দেখে অনেকের ধারণা, ‘ধুরন্ধর’-এর পর আবারও বড় কোনো চমক দিতে চলেছেন তিনি। প্রকাশ্যে আসা শুটিংয়ের ঝলক অন্তত তেমনই ইঙ্গিত করছে।
জানা গেছে, ‘প্রলয়’-এর গল্পে ভয়াবহ এক পরিস্থিতির চিত্রায়ণ করা হবে। জম্বি আক্রমণের পাশাপাশি মারাত্মক মহামারীর প্রেক্ষাপটে এগোবে সিনেমার কাহিনি। ফলে রণবীরের এই নতুন সিনেমা নিয়ে ইতিমধ্যে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এর আগে শোনা গিয়েছিল, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের পাশে থাকার জন্য রণবীর অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতি নিতে পারেন। এমনকি ২০২৭ সালে নতুন করে কাজে ফেরার কথাও শোনা যায়। তবে তার আগেই ‘প্রলয়’-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প, জামদানি এবং শাঁখা-ঝিনুক শিল্পসহ বিচিত্র লোকজ কুটির শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় একটি যুগোপযোগী ‘লোক ও কারুশিল্প নীতিমালা’ প্রণয়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
আজ জাতীয় সংসদে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জীবনমান ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, এই শিল্পের ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ও দক্ষতার প্রজন্মান্তরে সফল হস্তান্তর এবং লোকজ কারুশিল্পের বৈশ্বিক বাজার প্রসারে প্রস্তাবিত এই নীতিমালা অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য খাতের জনবল সংকট, প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিরসনে সরকার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-২৫-এর সরকারি দলের সদস্য মোছা. সুরাইয়া জেরিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রাখতে স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করা হয়েছে। সিভিল সার্জনদের সঙ্গে প্রতি মাসে নিয়মিত তদারকি বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের উপস্থিতির হার ও নিয়মিত উপস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।
হাসপাতালের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে এম এ মুহিত বলেন, “শুধু হাসপাতাল প্রাঙ্গণই নয়, বরং দেশের সার্বিক পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।”
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের হাসপাতালগুলোর পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছেন। গতকাল অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের স্বাস্থ্য বিষয়ক সভায়ও তিনি এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা ও অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এর ধারাবাহিকতায় আজই দেশের সব সিভিল সার্জনের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিটি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা অভিযান আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “কেবল ডেঙ্গু প্রতিরোধেই নয়, বরং সার্বিকভাবে দেশের হাসপাতালগুলোর অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পরিবেশের টেকসই রূপান্তরে আমরা কাজ করছি। স্বাস্থ্য খাতের প্রতিটি সংকট চিহ্নিত করে সমাধান করা হচ্ছে; আশা করি খুব শিগগিরই নাগরিকেরা দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে পাবেন।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্ধ্যা নামার পর সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ যেখানে অন্ধকারে ডুবে থাকত, সেখানে এখন আলোকবাতি জ্বলছে। এই আলোতেই সন্ধ্যার পর খেলাধুলার আয়োজন জমে উঠছে। একসময় মাদকসেবীদের দখলে থাকা রাতের মাঠকে খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের করে নিয়েছেন সাংবাদিক, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।
‘নাইট ফুটবল ক্লাব’ গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা সময় টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক মো. সোহেল বলেন, প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা রেলওয়ে মাঠে ফুটবল খেলা হয়। কাজের ব্যস্ততার কারণে ব্যায়াম বা জিম করার সুযোগ পাওয়া যায় না। তাই শরীর সুস্থ ও ফিট রাখতে রাতের ফুটবল খেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, তাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়; বরং মাদকসেবীদের আড্ডা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপরিসরকে ফিরিয়ে এনে সেখানে সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ তৈরি করা। এই উদ্যোগের ফলে মাঠের রাতের চেহারা বদলে গেছে। একসময় সন্ধ্যা নামলেই যেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসত, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ত নেশাগ্রস্তদের আনাগোনা। এখন সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ ফুটবলের উচ্ছ্বাসে মুখরিত।
সময় টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক আশিকুর রহমান আশিক বলেন, সারাদিন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার পর রাতে ফুটবল খেলার মাধ্যমে শরীরচর্চা করা হচ্ছে। এতে শরীর ভালো থাকার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার অভ্যাসও গড়ে উঠছে। দিনভর কর্মব্যস্ততা শেষে সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গাড়িচালকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সেখানে জড়ো হন। শুরুতে মাত্র আটজনকে নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এখন নিয়মিত খেলোয়াড়ের সংখ্যা প্রায় ৩৫ জন। ইতোমধ্যে মাঠের চারপাশে বাতিও লাগানো হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, মাদক প্রতিরোধে শুধু অভিযান বা সচেতনতামূলক প্রচারণাই নয়, তরুণদের জন্য বিকল্প সুস্থ বিনোদনের জায়গা তৈরি করাও জরুরি। সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠের এই উদ্যোগ যেন তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। যেখানে মাদকের আড্ডা সরিয়ে জায়গা করে নিয়েছে ফুটবল।
উদ্যোগটির আরেকটি বড় অর্জন হলো মাদকের আড্ডা কমে যাওয়া। রেলওয়ে মাঠে একসময় মাদকের আড্ডা ছিল। তাই ওই জায়গাতেই নাইট ফুটবল শুরু করা হয়। খেলাধুলা শুরু হওয়ার পর মাদকসেবীদের আনাগোনা অনেকটাই কমে গেছে। এখন আরও অনেক মানুষ মাঠে খেলতে আসছেন। এমনকি অন্যান্য এলাকায়ও রাতে ফুটবল খেলার উদ্যোগ শুরু হয়েছে।
ব্যবসায়ী কাইয়ুম খান ডলফিন ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তানভির বলেন, আগে মাঠে বিভিন্ন মাদকসেবী ও নেশাগ্রস্তদের আনাগোনা ছিল। সেই পরিস্থিতি বদলাতে তারা এই উদ্যোগ নেন। এখন নিয়মিত খেলাধুলার কারণে মাঠের পরিবেশ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। এতে একদিকে শরীরচর্চা হচ্ছে, অন্যদিকে সমাজে মাদকের প্রভাবও কমছে।
মাঠের পাশের মাইক্রোস্ট্যান্ডের গাড়িচালক সেলিম, রেজাউলসহ কয়েকজন জানান, আগে রাত হলেই মাঠের বিভিন্ন অংশে মাদকের আড্ডা বসত। এখন রাত হলেই সেখানে ফুটবল খেলতে আসা মানুষজনের দেখা মেলে। খেলাধুলার কারণে আগের সেই পরিবেশ আর নেই।
দিনভর যার যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত থাকা মানুষগুলো রাতের এক ঘণ্টায় একত্রিত হচ্ছেন, খেলছেন, গল্প করছেন। শরীরচর্চার পাশাপাশি কমছে মানসিক চাপ, বাড়ছে পারস্পরিক বন্ধন। আর সবচেয়ে বড় কথা, একটি মাঠকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সামাজিক পরিবেশ।
স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, আগে সন্ধ্যার পর মাঠ অন্ধকার থাকত। সন্তানদের মাঠে পাঠাতে ভয় লাগত। এখন মাঠে আলো থাকায় তারা খেলাধুলা করতে পারছে। এতে তারা মোবাইল ফোনে সময় না দিয়ে খেলাধুলায় সক্রিয় হচ্ছে।
তাদের এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার তত্ত্বাবধায়ক ও সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসন।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফরি বলেন, সাংবাদিকদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে এখন মাঠটি যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। যে মাঠ একসময় রাতের অন্ধকারে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আলোচনায় আসত, সেই মাঠেই এখন আলো জ্বলছে, চলছে খেলাধুলা। মাঠজুড়ে তরুণদের উচ্ছ্বাস আর খেলাধুলার শব্দে বদলে গেছে পরিবেশ।
তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে মাঠে রেলওয়ের পক্ষ থেকে বাতি লাগানো হয়েছে। মাঠে আলো জ্বালিয়ে নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তরুণদের ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, এটি অত্যন্ত ভালো একটি উদ্যোগ। খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি গোলবার ও একটি ফুটবল উপহার দেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিক নেতাদের দাবি, শুধু আলো স্থাপন করলেই হবে না। মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালু করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ