সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০৬ পি.এম
সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প, জামদানি এবং শাঁখা-ঝিনুক শিল্পসহ বিচিত্র লোকজ কুটির শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় একটি যুগোপযোগী ‘লোক ও কারুশিল্প নীতিমালা’ প্রণয়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
আজ জাতীয় সংসদে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জীবনমান ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, এই শিল্পের ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ও দক্ষতার প্রজন্মান্তরে সফল হস্তান্তর এবং লোকজ কারুশিল্পের বৈশ্বিক বাজার প্রসারে প্রস্তাবিত এই নীতিমালা অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য খাতের জনবল সংকট, প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিরসনে সরকার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-২৫-এর সরকারি দলের সদস্য মোছা. সুরাইয়া জেরিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রাখতে স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করা হয়েছে। সিভিল সার্জনদের সঙ্গে প্রতি মাসে নিয়মিত তদারকি বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের উপস্থিতির হার ও নিয়মিত উপস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।
হাসপাতালের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে এম এ মুহিত বলেন, “শুধু হাসপাতাল প্রাঙ্গণই নয়, বরং দেশের সার্বিক পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।”
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের হাসপাতালগুলোর পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছেন। গতকাল অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের স্বাস্থ্য বিষয়ক সভায়ও তিনি এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা ও অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এর ধারাবাহিকতায় আজই দেশের সব সিভিল সার্জনের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিটি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা অভিযান আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “কেবল ডেঙ্গু প্রতিরোধেই নয়, বরং সার্বিকভাবে দেশের হাসপাতালগুলোর অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পরিবেশের টেকসই রূপান্তরে আমরা কাজ করছি। স্বাস্থ্য খাতের প্রতিটি সংকট চিহ্নিত করে সমাধান করা হচ্ছে; আশা করি খুব শিগগিরই নাগরিকেরা দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে পাবেন।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্ধ্যা নামার পর সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ যেখানে অন্ধকারে ডুবে থাকত, সেখানে এখন আলোকবাতি জ্বলছে। এই আলোতেই সন্ধ্যার পর খেলাধুলার আয়োজন জমে উঠছে। একসময় মাদকসেবীদের দখলে থাকা রাতের মাঠকে খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের করে নিয়েছেন সাংবাদিক, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।
‘নাইট ফুটবল ক্লাব’ গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা সময় টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক মো. সোহেল বলেন, প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা রেলওয়ে মাঠে ফুটবল খেলা হয়। কাজের ব্যস্ততার কারণে ব্যায়াম বা জিম করার সুযোগ পাওয়া যায় না। তাই শরীর সুস্থ ও ফিট রাখতে রাতের ফুটবল খেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, তাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়; বরং মাদকসেবীদের আড্ডা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপরিসরকে ফিরিয়ে এনে সেখানে সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ তৈরি করা। এই উদ্যোগের ফলে মাঠের রাতের চেহারা বদলে গেছে। একসময় সন্ধ্যা নামলেই যেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসত, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ত নেশাগ্রস্তদের আনাগোনা। এখন সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ ফুটবলের উচ্ছ্বাসে মুখরিত।
সময় টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক আশিকুর রহমান আশিক বলেন, সারাদিন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার পর রাতে ফুটবল খেলার মাধ্যমে শরীরচর্চা করা হচ্ছে। এতে শরীর ভালো থাকার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার অভ্যাসও গড়ে উঠছে। দিনভর কর্মব্যস্ততা শেষে সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গাড়িচালকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সেখানে জড়ো হন। শুরুতে মাত্র আটজনকে নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এখন নিয়মিত খেলোয়াড়ের সংখ্যা প্রায় ৩৫ জন। ইতোমধ্যে মাঠের চারপাশে বাতিও লাগানো হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, মাদক প্রতিরোধে শুধু অভিযান বা সচেতনতামূলক প্রচারণাই নয়, তরুণদের জন্য বিকল্প সুস্থ বিনোদনের জায়গা তৈরি করাও জরুরি। সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠের এই উদ্যোগ যেন তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। যেখানে মাদকের আড্ডা সরিয়ে জায়গা করে নিয়েছে ফুটবল।
উদ্যোগটির আরেকটি বড় অর্জন হলো মাদকের আড্ডা কমে যাওয়া। রেলওয়ে মাঠে একসময় মাদকের আড্ডা ছিল। তাই ওই জায়গাতেই নাইট ফুটবল শুরু করা হয়। খেলাধুলা শুরু হওয়ার পর মাদকসেবীদের আনাগোনা অনেকটাই কমে গেছে। এখন আরও অনেক মানুষ মাঠে খেলতে আসছেন। এমনকি অন্যান্য এলাকায়ও রাতে ফুটবল খেলার উদ্যোগ শুরু হয়েছে।
ব্যবসায়ী কাইয়ুম খান ডলফিন ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তানভির বলেন, আগে মাঠে বিভিন্ন মাদকসেবী ও নেশাগ্রস্তদের আনাগোনা ছিল। সেই পরিস্থিতি বদলাতে তারা এই উদ্যোগ নেন। এখন নিয়মিত খেলাধুলার কারণে মাঠের পরিবেশ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। এতে একদিকে শরীরচর্চা হচ্ছে, অন্যদিকে সমাজে মাদকের প্রভাবও কমছে।
মাঠের পাশের মাইক্রোস্ট্যান্ডের গাড়িচালক সেলিম, রেজাউলসহ কয়েকজন জানান, আগে রাত হলেই মাঠের বিভিন্ন অংশে মাদকের আড্ডা বসত। এখন রাত হলেই সেখানে ফুটবল খেলতে আসা মানুষজনের দেখা মেলে। খেলাধুলার কারণে আগের সেই পরিবেশ আর নেই।
দিনভর যার যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত থাকা মানুষগুলো রাতের এক ঘণ্টায় একত্রিত হচ্ছেন, খেলছেন, গল্প করছেন। শরীরচর্চার পাশাপাশি কমছে মানসিক চাপ, বাড়ছে পারস্পরিক বন্ধন। আর সবচেয়ে বড় কথা, একটি মাঠকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সামাজিক পরিবেশ।
স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, আগে সন্ধ্যার পর মাঠ অন্ধকার থাকত। সন্তানদের মাঠে পাঠাতে ভয় লাগত। এখন মাঠে আলো থাকায় তারা খেলাধুলা করতে পারছে। এতে তারা মোবাইল ফোনে সময় না দিয়ে খেলাধুলায় সক্রিয় হচ্ছে।
তাদের এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার তত্ত্বাবধায়ক ও সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসন।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফরি বলেন, সাংবাদিকদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে এখন মাঠটি যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। যে মাঠ একসময় রাতের অন্ধকারে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আলোচনায় আসত, সেই মাঠেই এখন আলো জ্বলছে, চলছে খেলাধুলা। মাঠজুড়ে তরুণদের উচ্ছ্বাস আর খেলাধুলার শব্দে বদলে গেছে পরিবেশ।
তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে মাঠে রেলওয়ের পক্ষ থেকে বাতি লাগানো হয়েছে। মাঠে আলো জ্বালিয়ে নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তরুণদের ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, এটি অত্যন্ত ভালো একটি উদ্যোগ। খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি গোলবার ও একটি ফুটবল উপহার দেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিক নেতাদের দাবি, শুধু আলো স্থাপন করলেই হবে না। মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালু করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান যুদ্ধের পর জ্বালানি রপ্তানি নির্বিঘ্ন রাখতে বিকল্প পরিবহন ও বাণিজ্যিক করিডোর গড়ে তুলছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির পূর্ব উপকূলে বন্দর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পাইপলাইন, রেলপথ ও বিকল্প বাণিজ্যপথ সম্প্রসারণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ইউএই প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ।
আবুধাবিতে এক ফোরামে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ও রপ্তানির ক্ষেত্রে ঝুঁকি কমাতেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
গারগাশ বলেন, ইরানের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলেও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে আস্থা পুনর্গঠনে অনেক বেশি সময় লাগতে পারে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলার কারণে যে অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে কয়েক দশকও লেগে যেতে পারে।
তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি কার্যকর সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব এবং তা করতেই হবে। তবে প্রতিবেশীদের মধ্যে হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
ইউএই গত আগস্টে ইরানের সঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন স্থগিত করেছে বলে জানান গারগাশ।
উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের হামলার প্রেক্ষাপটে ওই দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিক্রিয়াও সমালোচনা করেছেন গারগাশ।
তিনি বলেন, বহু বছর ধরে ইরান থেকে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জের ধরন নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে মোটামুটি অভিন্ন ধারণা ছিল। সমস্যা ছিল না পরিস্থিতি বোঝার ক্ষেত্রে; বরং সেই অভিন্ন উপলব্ধিকে যথেষ্ট ঐক্যবদ্ধ ও কৌশলগত পদক্ষেপে রূপ দিতে ব্যর্থ হয়েছে দেশগুলো।
গারগাশের মতে, ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আরও সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রয়োজন।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেট্রোরেলের লাইনে একটি কিশোর নেমে পড়ার কারণে দুই পাশের ট্রেন চলাচল প্রায় ২০ মিনিটের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে নিরাপত্তাকর্মীরা ওই কিশোরকে উদ্ধার করে মেট্রোরেলের লাইন থেকে বের করে আনলে ট্রেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।এটি সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার পরে ঘটে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কিশোরটির বয়স আনুমানিক ১২ থেকে ১৩ বছর। দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সে উত্তরা উত্তর স্টেশনের উত্তর পাশে ডিপোর দিকে যাওয়ার লাইনে নেমে পড়ে। পরে জানা যায়, কিশোরটি মেট্রোরেলের লাইনকে সাধারণ রেললাইনের মতো মনে করেছিল।
তার উদ্দেশ্য ছিল এই পথে হেঁটে টঙ্গীর দিকে যাওয়া। বিষয়টি নজরে আসার পর মেট্রোরেলের নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুততার সাথে তাকে লাইন থেকে সরিয়ে আনেন।
কিশোরটি লাইনে অবস্থান করায় নিরাপত্তার স্বার্থে ওই সময় মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পরে তাকে নিরাপদে উদ্ধার করার পর প্রায় ২০ মিনিটের মধ্যে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়। এদিকে, মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় দুই পাশে যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ