প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তামিলনাড়ুর বিধানসভা অধিবেশনের সময় রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় একটি মানবিকতার উদাহরণ স্থাপন করেন। বিধানসভায় চলমান হট্টগোলের মাঝে বিরোধী ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরনকে সাহায্য করে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করছেন।
চেয়ার থেকে উঠতে অক্ষম বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন থালাপতি। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া বিজয় স্পিকারের আসনের সামনে ডিএমকে বিধায়কদের অবস্থান ধর্মঘটের সময় এই মানবিক এবং সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক পদক্ষেপ দেখে শাসক ও বিরোধী উভয় দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তা স্বাগত জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতারা বিজয়ের এই আচরণের প্রশংসা করছেন।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে আইনসভার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও এমন মানবিক আচরণ একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
ডিএমকে বিধায়কেরা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন। কিন্তু কথা বলার সুযোগ না পেয়ে তারা বিধানসভা কক্ষ থেকে ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই প্রতিবাদের মাঝেও তিরুভাইয়ারুর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন নিজের আসনে বসে থাকেন।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চন্দ্রশেখরন ওয়াকআউটে যোগ না দেওয়ায় বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নজরে আসে। তিনি তখন ওই বিধায়কের কাছে জানতে চান কেন তিনি অন্য ডিএমকে নেতাদের সঙ্গে বাইরে যাচ্ছেন না। জবাবে চন্দ্রশেখরন জানান, তিনি আসন থেকে উঠতে পারছেন না।
বিজয় তখন অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, "‘আপনি উঠতে পারছেন না মানে কী?’" এরপর মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিজের আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং চন্দ্রশেখরনকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিক সহায়তার পর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন হাত জোড় করে বিজয়কে ধন্যবাদ জানান এবং পরে অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ওয়াকআউটে যোগ দেন।
এই কথোপকথনটি বিধানসভার মন্ত্রী ও অন্যান্য সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যাঁরা টেবিলে চাপড়ে বিজয়ের এই সৌজন্যের প্রশংসা করেন বলে জানা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এই কথোপকথনের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় চন্দ্রশেখরকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করার পর নিজের আসনে ফিরে যাচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন