ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গাজা ও লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব অনুভূতিহীন : ইরান


গাজা ও লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব অনুভূতিহীন : ইরান

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মন্তব্য করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তাহীনতার প্রধান কারণ হলো ইসরাইল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গাজা ও লেবাননে ইসরাইল তাদের নৃশংসতার মাত্রা বৃদ্ধি করেছে।

সোমবার অনুষ্ঠিত একটি সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘শীতকাল এগিয়ে আসছে। অথচ বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীগুলোর প্রবেশও বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে, যা ফিলিস্তিনের বাস্তুচ্যুত মানুয়ের পরিস্থিতিকে এক বিপর্যয়কর পর্যায়ে নিয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং ইউরোপীয় দেশগুলো এই পরিস্থিতির প্রতি ‘অনুভূতিহীন’ হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: জেলেনস্কির জন্য মস্কোর দরজা খোলা: ক্রেমলিন

বাঘাই আরও বলেন, ‘মানুষের জীবনকে কেবল পরিসংখ্যানের পর্যায়ে নামিয়ে আনা এবং নৃশংসতাকে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে গণ্য করা—এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি প্রবণতা, যা মানব বিবেককে হুমকির মুখে ফেলে।’

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যখন ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করছে, তখন আদালত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তীব্র চাপের সম্মুখীন হচ্ছে।

 

 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সুরে পরিবর্তন ভালো লক্ষণ: ইরান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এখন আর শ্রমিক অসন্তোষ নেই, এটি রাজনৈতিক: নাজমা আক্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


এখন আর শ্রমিক অসন্তোষ নেই, এটি রাজনৈতিক: নাজমা আক্তার

সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার মন্তব্য করেছেন যে, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে যে অসন্তোষ ও নাশকতার ঘটনা ঘটছে, তা শ্রমিকদের আন্দোলন নয় বরং রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই আন্দোলনে প্রকৃত শ্রমিকদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

গার্মেন্টস খাতের নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন নিয়ে আজ প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি এসব কথা বলেন। নাজমা আক্তার বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও কারখানা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। তবে, এসব ঘটনার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিকদের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে তিনি মনে করেন।

সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আরও বলেন, মিরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নানা ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। গাজীপুরেও বিভিন্ন পক্ষের সংশ্লিষ্টতায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। তিনি এসব ঘটনাকে রাজনৈতিক ইন্ধন হিসেবে দেখছেন।

নাজমা আক্তার শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে নাশকতা ও শিল্পকারখানা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘শিল্প-কারখানা ধ্বংস করে তো লাভ নেই।’

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও নতুন মজুরি নির্ধারণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এই অবস্থায় শিল্পকারখানা ভাঙচুর এবং আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

নতুন মজুরি নির্ধারণে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন উল্লেখ করে নাজমা আক্তার বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তিনি সরকারকে দ্রুততম সময়ে বোর্ড গঠন করায় ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, সরকারকে সহযোগিতা করা হবে এবং দ্রুত নতুন মজুরি ঘোষণা করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রক্তস্বল্পতা: ৭ কারণে দেখা দেয়, লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৬ পি.এম


রক্তস্বল্পতা: ৭ কারণে দেখা দেয়, লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয়

‎‎বাংলাদেশে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিভিন্ন বয়সের মানুষ, যেমন নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর-কিশোরী এবং গর্ভবতী নারীরা এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। শরীরে আয়রনের ঘাটতি রক্তস্বল্পতার অন্যতম কারণ, যা Iron Deficiency Anaemia (IDA) নামে পরিচিত।

‎হিমোগ্লোবিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আয়রন কাজ করে। এটি রক্তের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সেল বা টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। শরীরে আয়রনের অভাব হলে হিমোগ্লোবিন তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়, যা ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং কর্মক্ষমতা হ্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

‎আয়রনের ঘাটতি অনেক সময় ধীরে ধীরে কয়েক মাস বা বছর ধরে তৈরি হয়। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে রোগটি বুঝতে পারেন না। যদি সময়মতো রোগটি শনাক্ত ও চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, কর্মজীবন এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

‎নারী ও পুরুষের মধ্যে কারা বেশি ঝুঁকিতে?

‎বাংলাদেশে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যেই বিদ্যমান। তবে প্রজননক্ষম নারীদের ক্ষেত্রে মাসিকের মাধ্যমে রক্তক্ষরণ, অতিরিক্ত মাসিক, গর্ভাবস্থায় আয়রনের চাহিদা বৃদ্ধি এবং ঘন ঘন গর্ভধারণের কারণে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

‎কিশোরীদের দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি, মাসিক শুরু হওয়া এবং পুষ্টিকর খাবারের ঘাটতি আয়রনের চাহিদা ও ঘাটতির মধ্যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় গুরুতর রক্তস্বল্পতা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

‎অন্যদিকে, পুরুষদের মধ্যেও আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা দেখা যায়। অপর্যাপ্ত আয়রন গ্রহণ, পরিপাকতন্ত্রে দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ, পাকস্থলী বা অন্ত্রের আলসার, কিছু অন্ত্রের রোগ এবং আয়রন শোষণে সমস্যা এর সম্ভাব্য কারণ।

‎বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের আয়রন ঘাটতি শনাক্ত হলে শুধু আয়রন ট্যাবলেট দেওয়াই যথেষ্ট নয়; বরং রক্তক্ষরণ বা অন্য কোনো অন্তর্নিহিত রোগ রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করা জরুরি।

‎বাংলাদেশের ২০১১–১২ সালের জাতীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট জরিপে ১৫–৪৯ বছর বয়সী গর্ভবতী নন ও স্তন্যদান করছেন না—এমন নারীদের মধ্যে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার হার ছিল ৪.৮ শতাংশ। তবে পুরুষ ও নারীর বর্তমান অবস্থার তুলনা করতে সমসাময়িক, প্রতিনিধিত্বশীল তথ্য প্রয়োজন।

‎‎আয়রন ঘাটতির প্রধান কারণ

‎আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো—

‎১. আয়রনসমৃদ্ধ খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ না করা।

‎২. অতিরিক্ত মাসিক বা অন্য কোনো কারণে দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ।

‎৩. গর্ভাবস্থা ও শৈশব-কৈশোরে আয়রনের চাহিদা বৃদ্ধি।

‎৪. হুকওয়ার্মসহ কিছু পরজীবীর সংক্রমণের কারণে রক্তক্ষরণ।

‎৫. পাকস্থলী ও অন্ত্রের রোগের কারণে আয়রন শোষণে সমস্যা।

‎৬. দীর্ঘদিনের অপুষ্টি এবং খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্যের অভাব।

‎৭. কিছু ক্ষেত্রে পরিপাকতন্ত্রের গুরুতর রোগ, এমনকি ক্যানসারের কারণে গোপন রক্তক্ষরণ।

‎‎‎লক্ষণগুলো কী?

‎আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার সাধারণ লক্ষণ হলো—

অল্পতেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা।

মাথা ঘোরা বা মাথাব্যথা।

অল্প পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট।

বুক ধড়ফড় করা।

ত্বক ও চোখের নিচের অংশ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।

মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া।

চুল পড়া এবং নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া।

কখনো বরফ, মাটি বা অখাদ্য বস্তু খাওয়ার অস্বাভাবিক আকাঙ্ক্ষা।

‎তবে এসব লক্ষণ অন্য রোগেও দেখা দিতে পারে। তাই শুধুমাত্র লক্ষণের ভিত্তিতে আয়রন ঘাটতি নির্ণয় করা উচিত নয়।

‎কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?

‎আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা নির্ণয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কয়েকটি পরীক্ষা করা হয়।

‎১. Complete Blood Count (CBC): হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, MCV, MCH এবং অন্যান্য রক্তকণিকার সূচক মূল্যায়ন করা হয়। আয়রন ঘাটতিতে MCV ও MCH কম থাকতে পারে, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এগুলো স্বাভাবিকও থাকতে পারে।

‎২. Serum Ferritin: শরীরে সঞ্চিত আয়রনের পরিমাণ বোঝার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। ফেরিটিন কম থাকলে আয়রন ঘাটতির পক্ষে জোরালো প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে সংক্রমণ বা প্রদাহের কারণে ফেরিটিন স্বাভাবিক কিংবা বেশি থাকতে পারে।

‎৩. অন্যান্য পরীক্ষা: প্রয়োজন অনুযায়ী Transferrin Saturation (TSAT), CRP, রেটিকুলোসাইট কাউন্ট, পেরিফেরাল ব্লাড ফিল্ম এবং রক্তক্ষরণের সম্ভাব্য উৎস অনুসন্ধানের পরীক্ষা করা হতে পারে।

‎রোগীর বয়স, লিঙ্গ, উপসর্গ ও চিকিৎসার ইতিহাস বিবেচনা করে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

‎প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা

‎আয়রন ঘাটতি প্রতিরোধে সুষম ও বৈচিত্র্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন খাবারে রাখা যেতে পারে—

মাছ, মাংস ও উপযুক্ত ক্ষেত্রে কলিজা।

ডাল, ছোলা, মটরশুঁটি ও অন্যান্য ডালজাতীয় খাবার।

গাঢ় সবুজ শাকসবজি।

আয়রনসমৃদ্ধ বা আয়রন দিয়ে সমৃদ্ধ করা খাবার।

ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল, যেমন পেয়ারা, লেবু ও কমলা।

প্রাণিজ উৎসের আয়রন সাধারণত উদ্ভিজ্জ উৎসের আয়রনের তুলনায় সহজে শোষিত হয়। উদ্ভিজ্জ উৎসের আয়রনের সঙ্গে ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রন শোষণ বাড়তে পারে। খাবারের সঙ্গে চা বা কফি পান করলে আয়রন শোষণ কমতে পারে; তাই খাবারের কিছুটা আগে বা পরে এগুলো পান করা ভালো।

‎শুধু আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেলেই সব ধরনের রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করা যায় না। ভিটামিন বি১২, ফলেটের ঘাটতি, থ্যালাসেমিয়া এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণেও রক্তস্বল্পতা হতে পারে।

‎চিকিৎসা ও করণীয়

‎আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার চিকিৎসায় সাধারণত মুখে খাওয়ার আয়রন দেওয়া হয়। রোগীর অবস্থা, আয়রনের ঘাটতির মাত্রা, সহনশীলতা এবং শোষণক্ষমতা বিবেচনা করে চিকিৎসক ওষুধের ধরন ও মাত্রা নির্ধারণ করেন।

‎যাঁরা মুখে আয়রন সহ্য করতে পারেন না, যাঁদের আয়রন শোষণে সমস্যা রয়েছে অথবা যাঁদের দ্রুত আয়রন পূরণের প্রয়োজন, তাঁদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিরায় আয়রন দেওয়া যেতে পারে।

‎চিকিৎসার পাশাপাশি আয়রন ঘাটতির মূল কারণ খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ চলতে থাকলে শুধু আয়রন গ্রহণ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

‎চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন আয়রন ট্যাবলেট খাওয়া উচিত নয়। সব ধরনের রক্তস্বল্পতায় আয়রন উপকারী নয়, আর অতিরিক্ত আয়রন শরীরের ক্ষতি করতে পারে।

‎জনসচেতনতা বাড়াতে হবে

‎একই সঙ্গে পুরুষদের রক্তস্বল্পতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের আয়রন ঘাটতি দেখা দিলে সম্ভাব্য গোপন রক্তক্ষরণ বা অন্য কোনো রোগের কারণ অনুসন্ধান করা জরুরি।

‎উপসংহার

‎আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য একটি স্বাস্থ্যসমস্যা। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, সময়মতো রোগ শনাক্তকরণ, যথাযথ চিকিৎসা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এর ক্ষতিকর প্রভাব কমানো সম্ভব।

লেখক: ‎ডা. শারমিন ইয়াসমিন

‎রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান মুক্তাদিরের বাংলাদেশে বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত, স্টুডিও ভাঙচুরের পর অসন্তোষ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৬ পি.এম


সালমান মুক্তাদিরের বাংলাদেশে বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত, স্টুডিও ভাঙচুরের পর অসন্তোষ প্রকাশ

বাংলাদেশে কাজের পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ এবং নিজের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনার পর কনটেন্ট নির্মাতা ও ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির নতুন করে বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি দেশে নিজের স্টুডিও পরিচালনার পরিকল্পনা থেকেও সরে এসেছেন।

সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’-এর বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে সালমান তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। শনিবার রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে তিনি আলোচনা করেন।

বাংলাদেশে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সালমান জানান, দেশে থাকার পরিকল্পনা তার আগে থেকেই ছিল না। তবে স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনার পর তিনি বাংলাদেশে আর স্টুডিও পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশে নতুন করে কোনো বিনিয়োগও করবেন না।

সালমান আরও জানান, সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের বক্তব্য ও কিছু প্রস্তাব তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাননি। তার ধারণা, সংশ্লিষ্টদের কাছে নিজের কথা পৌঁছানোর মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন এই কনটেন্ট নির্মাতা। তার মতে, এ বিষয়ে যাদের কথা বলা প্রয়োজন, তাদেরই মন্তব্য করা উচিত। সাধারণ মানুষ মূলত নিজেদের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই পরিস্থিতি বুঝতে পারে।

এদিকে ব্যক্তিগত জীবনেও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন সালমান। স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বড় ধরনের সংকট মোকাবিলা করছেন বলে তিনি জানান। তবে অতীতের ক্ষতি নিয়ে পড়ে না থেকে প্রতিকূলতা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছেন এই তারকা।

উল্লেখ্য, সালমান মুক্তাদিরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’ ইতোমধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক শামসুর রহমান ও স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক শামসুর রহমান ও স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও সম্পাদক এম শামসুর রহমান এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে থাকা সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ প্রদান করেন।

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শামসুর রহমানের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য আবেদন করে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ এবং হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।

এই অভিযোগের পরবর্তী সময়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও সম্পাদক এম শামসুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ যুক্ত করা হয়।

দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানের সময় অভিযোগসংশ্লিষ্ট এম শামসুর রহমানের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবগুলোর তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তিনি এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব ব্যাংক হিসাবের অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের চেষ্টা করছেন।

আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, এসব অর্থ সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হলে অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় মামলা দায়ের, আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং বিচার শেষে অপরাধলব্ধ আয় থেকে অর্জিত সম্পদ সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হতে পারে।

এ কারণে সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে এম শামসুর রহমান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে আবেদন করে দুদক। শুনানি শেষে আদালত ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%