বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:১৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বপ্ন উৎসবে সাশ্রয়ের বাজার করে দেখান আপনার মুন্সিয়ানা!
🛒 উৎসবের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকায় থাকুক পছন্দের সব ব্র্যান্ড। আর পছন্দের এসব পণ্যে বিশেষ ছাড় নিয়ে হাজির স্বপ্ন উৎসব!
তাই পছন্দের পণ্যে বাজার করুন, সাশ্রয় করুন আরও বেশি—কারণ উৎসবের বাজারেও চাই মুন্সিয়ানা!
দেশজুড়ে স্বপ্নের ১,০০১টিরও বেশি আউটলেটে এই সাশ্রয়ের অফার চলবে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।
*শর্ত প্রযোজ্য।
#Shwapno #মাসেরবাজারেমুন্সিয়ানা #উৎসবেআনন্দে #স্বপ্নউৎসব
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. আরিফুল ইসলামকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা দায়েরের পর তদন্তের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিচার শাখা-৩ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা, ২০১৭-এর বিধি ২(ক) ও ২(চ) অনুযায়ী যথাক্রমে অদক্ষতা ও অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা নম্বর ০২/২০২৬ রুজু করা হয়েছে।
তিনি এর আগে শরীয়তপুরের সিনিয়র সহকারী জজ এবং পরবর্তী সময়ে ঢাকার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি লালমনিরহাটের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করার পরামর্শ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালা, ২০১৭-এর বিধি ১১ অনুযায়ী তাঁকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. খাদেম উল কায়েস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ফুটপাতের টাকা আদায় নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে গুলি এবং তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বসিলা সড়কের ময়ূরভিলার সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. সুমন (৪৫) ও তাঁর ছেলে ফাহিম (১৮)। তাঁরা ওই এলাকায় ভ্যানে করে আলু-পেঁয়াজ বিক্রি করেন। ঘটনার পর তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুটপাত থেকে টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে সুমন ও তাঁর ছেলের সঙ্গে কয়েকজনের বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন নির্ধারিত টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে বলা হলে তাঁরা তাতে রাজি হননি। এর জেরেই তাঁদের ওপর হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, রাব্বি নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে। রাব্বি স্থানীয় চিহ্নিত চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত বাদল শরীফ ওরফে বাদলের গ্রুপের সদস্য বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ময়ূরভিলার সামনের ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে দোকান বসানোর জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করা হয়। জায়গার অবস্থান অনুযায়ী টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে টাকা আদায়কারীদের বিরোধ তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, রাত ৮টার পর মামুন নামের এক ব্যক্তি ওই এলাকায় টাকা তোলেন। এ ছাড়া ফুটপাতটি নিয়ন্ত্রণে বাদলের অনুসারীরা সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বাদল শরীফ ওরফে বাদল গ্রেপ্তার হলেও তাঁর অনুসারীদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ ও এতে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পাবনা পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনা শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় পূজামণ্ডপে আগত ভক্ত, পূজারি ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎসব চলাকালে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
বিশেষ করে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং দর্শনার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেন।
এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ এবং ধর্মীয় উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পাবনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার।
ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনে সবার সহযোগিতা কামনা করেছে জেলা পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ