প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ফুটপাতের টাকা আদায় নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে গুলি এবং তাঁর ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বসিলা সড়কের ময়ূরভিলার সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. সুমন (৪৫) ও তাঁর ছেলে ফাহিম (১৮)। তাঁরা ওই এলাকায় ভ্যানে করে আলু-পেঁয়াজ বিক্রি করেন। ঘটনার পর তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুটপাত থেকে টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে সুমন ও তাঁর ছেলের সঙ্গে কয়েকজনের বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন নির্ধারিত টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে বলা হলে তাঁরা তাতে রাজি হননি। এর জেরেই তাঁদের ওপর হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, রাব্বি নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে। রাব্বি স্থানীয় চিহ্নিত চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত বাদল শরীফ ওরফে বাদলের গ্রুপের সদস্য বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ময়ূরভিলার সামনের ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে দোকান বসানোর জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করা হয়। জায়গার অবস্থান অনুযায়ী টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে টাকা আদায়কারীদের বিরোধ তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, রাত ৮টার পর মামুন নামের এক ব্যক্তি ওই এলাকায় টাকা তোলেন। এ ছাড়া ফুটপাতটি নিয়ন্ত্রণে বাদলের অনুসারীরা সক্রিয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বাদল শরীফ ওরফে বাদল গ্রেপ্তার হলেও তাঁর অনুসারীদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ ও এতে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেননি তিনি।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন