মোঃ সজিব হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৬ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পাবনা পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাবনা শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় পূজামণ্ডপে আগত ভক্ত, পূজারি ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎসব চলাকালে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
বিশেষ করে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং দর্শনার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেন।
এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ এবং ধর্মীয় উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পাবনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার।
ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনে সবার সহযোগিতা কামনা করেছে জেলা পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে আগামী ১৬ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। তবে, পুলিশের পক্ষ থেকে বিক্ষোভের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস আদালত নথিভুক্ত করেছে।
বৃহস্পতিবার, ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নীতিন বাসুদেও সামব্রে এবং বিচারপতি সঞ্জয় শর্মার বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি করেন। কনট প্লেসের একজন ব্যবসায়ীর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওই আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের প্রতি নির্দেশনা চাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
আবেদনকারীর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে বক্তব্য রাখেন, তিনি বলেন, উৎসবের মৌসুমে মধ্য দিল্লিতে বিক্ষোভের কারণে যদি আরো এক সপ্তাহ দোকানপাট বন্ধ থাকে, তাহলে ব্যবসায়ী ও হকারদের রাস্তায় বসতে হবে।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা আদালতকে জানান যে, ককরোচ জনতা পার্টির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আবেদনকারীর উদ্বেগের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দেন। আদালত পুলিশের এই আশ্বাসকে নথিভুক্ত করে।
আবেদনকারীর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সিজেপির বিক্ষোভ ঠেকাতে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়ার অনুরোধ জানালে বেঞ্চ বলেন, ‘জোর করবেন না। আমরা আদেশ দিয়েছি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে জরুরি ভিত্তিতে আবেদনটির শুনানি করতে সম্মত হন আদালত। তখন আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, কনট প্লেসের কেন্দ্রীয় সেন্ট্রাল পার্কে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও তাদের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। দশেরার ছুটির সপ্তাহের শেষে এ ধরনের কর্মসূচির কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ শুক্রবার দিল্লির বাণিজ্যিক কেন্দ্র কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা হাতে ‘দেশপ্রেমিকদের’ সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, দলের সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর কারণে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশ এবং শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা ভঙ্গের অভিযোগে বুধবার সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে তাদের তিহার কারাগারে নেওয়া হয়। যন্তর মন্তরকে ইতোমধ্যে বিক্ষোভস্থলের স্বীকৃতি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের জুন-জুলাই থেকে মধ্য দিল্লিতে বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী দল, ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা বড় আকারের বিক্ষোভ করে আসছেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ও রয়েছে।
সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাঁচটি কন্টিনজেন্টের অগ্রবর্তী দলের ৫০ জন সদস্য আজ হাইতির উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেছেন, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদিত গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে (জিএসএফ) অংশগ্রহণের জন্য।
আজ সকালে সেনাসদরে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান মিশনে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তিনি মিশন এলাকায় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, সতর্কতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এই সেনা মোতায়েন আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদান এবং বিশ্বশান্তির প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জাহাঙ্গীর আলম রংপুরের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে তার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এছাড়া, রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. শহিদুল ইসলামকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি প্রদান করে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কন্যা মেহেরিন মুনজারিন রত্নাকে ভারত সফরের জন্য অনুমতি প্রদান করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত মেহেরিনকে ১৬ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভারত যাওয়ার জন্য ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তার ভারত সফরের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আবদুল করিমের স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে ছুটি মঞ্জুরের তথ্য প্রকাশ করা হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২০১১ সালের ১৯ জুনের একটি চিঠির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, মেহেরিন মুনজারিন রত্না ভারত সফরের সকল খরচ নিজেই বহন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ সফরের জন্য কোনো আর্থিক দায়বদ্ধতা থাকবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এই সময়ে মেহেরিনের ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। গুঞ্জন রয়েছে যে, তার বাবা আ ক ম মোজাম্মেল হক ভারতে অবস্থান করছেন। এ কারণে, বাবার সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে মেহেরিন ভারতে যাচ্ছেন কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেহেরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের যুগ্ন পরিচালক মো. আবদুল করিম যুগান্তরকে জানান, মেহেরিন মুনজারিন রত্না তার স্বামীর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারত যাওয়ার জন্য ছুটির আবেদন করেছেন। তবে তিনি কী ধরনের চিকিৎসা বা নির্দিষ্ট কোনো রোগের কথা উল্লেখ করেছেন, তা এই মুহূর্তে জানানো সম্ভব নয়। নথি না দেখে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা সম্ভব নয়।
এদিকে, ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন মেহেরিন মুনজারিন রত্না।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, তার বাবার ওপর আস্থা রেখে শেখ হাসিনা তাকে চতুর্থবারের মতো নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছেন এবং তৃতীয়বারের মতো মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ