রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪২ পি.এম
বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য কিরিত সোমাইয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপাল করপোরেশন (বিএমসি) নির্দেশ দিয়েছে যে, মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ সংলগ্ন একটি মসজিদের পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
সোমাইয়া অভিযোগ করেছেন যে, মসজিদটির পানি সংযোগটি অনুমোদিত নয় এবং এটি পানি চুরির শামিল। তিনি আরও বলেন যে, বিমানবন্দরের জমিতে এই কাঠামোটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে জমা দেওয়া অভিযোগে বিএমসি জানিয়েছে যে, ১৫ মিলিমিটার ব্যাসের একটি পাইপের মাধ্যমে ওই মসজিদে পানি সরবরাহ করা হচ্ছিল।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, "১৫ মিলিমিটার ব্যাসের পাইপ দিয়ে মসজিদে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু এই অফিসের নথিপত্র অনুযায়ী এটি অন্তর্ভুক্ত নয়।" পৌর কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে যে, তারা অথবা পানি সংযোগের অনুমোদনপত্র জমা দিতে হবে অথবা সংযোগটি অননুমোদিত প্রমাণিত হলে তা বিচ্ছিন্ন করতে হবে। এই নির্দেশ পালনের জন্য সাত দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিএমসি সতর্ক করেছে যে, এই নির্দেশিকা অমান্য করলে মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের (এএআই) চেয়ারপারসন বিপন কুমারের কাছে পাঠানো অন্য একটি চিঠিতে সোমাইয়া অভিযোগ করেছেন যে, জিভিকে বা মুম্বাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের (এমআইএএল) কর্মকর্তারা প্রায় ৫,০০০ বর্গফুট এএআই জমি এবং একটি ৩,০০০ বর্গফুটের মসজিদ সদৃশ কাঠামো জালিয়াতি করে এক কর্মীর নামে হস্তান্তর করেছেন।
সোমাইয়া এই বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং এফআইআর নথিভুক্ত করারও দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিমানবন্দরের জমিতে অবৈধভাবে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং এই পুরো বিষয়টিকে বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি ‘ল্যান্ড জিহাদ’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
সোমাইয়া জানান, মসজিদ এবং মুম্বাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট লিমিটেডের এক কর্মীর বিরুদ্ধে জমি দখল ও অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ নিয়ে তিনি সাহার থানায় যাবেন। তবে এই অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ এমএমআরডিএ-র
এদিকে, মুম্বাই মেট্রোপলিটন রিজিয়ন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এমএমআরডিএ) এএআই-এর জমিতে এই অননুমোদিত ধর্মীয় নির্মাণের অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সাহার থানাকে নির্দেশ দিয়েছে।
এমএমআরডিএ এই কাঠামোটিকে একটি অননুমোদিত ধর্মীয় নির্মাণ হিসেবে চিহ্নিত করে জানিয়েছে যে, বিমান বন্দরের অন্তর্বর্তীকালীন উন্নয়ন পরিকল্পনায় (ইন্টারিম ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান) জনসাধারণের উপাসনার জন্য কোনো স্থান নির্দিষ্ট করা নেই।
টার্মিনাল-২ এর কাছের এই মসজিদটি সরানোর দাবি জানিয়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর সোমাইয়া যে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই সাম্প্রতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এই তদন্তের মাধ্যমে জমির প্রকৃত আইনি স্থিতি, নির্মাণকাজ এবং পানি সংযোগের বৈধতা পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে ৫৩ তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে রাজশাহী জেলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় জাতীয় ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং বেলুন উড়ানো হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন।
প্রধান অতিথি উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, "বর্তমান সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি ইউনিয়ন ও স্কুল পর্যায় থেকে প্রায় ২২ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীকে ফুটবল খেলার মাঠে হাজির করা হয়েছে, যা তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "শুধু ফুটবল বা ক্রিকেট নয়, বরং দাবা, হ্যান্ডবলসহ অন্যান্য খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি শিশু ও কিশোরের আলাদা আলাদা মেধা ও দক্ষতা রয়েছে। তাদের সেই দক্ষতা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে।"
'তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ'-এর মতো আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রতিভা অন্বেষণের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "আজকের এই খেলার মাঠ থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়রাই আগামীতে দেশ ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করবে।"
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আশিক সাঈদ, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শামীম আরা চৌধুরী।
এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মো. মোস্তফা ফিরোজকে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে সৈয়দপুর শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে সৈয়দপুর থানা পুলিশ। তিনি সৈয়দপুর কলেজের সাবেক ভিপি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন।
মোস্তফা ফিরোজ কুন্দল এলাকার আলহাজ্ব জহির উদ্দিনের পুত্র। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন ইটভাটা ও সার ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘নাশকতার মামলায় সম্পৃক্ততা থাকায় আওয়ামী যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও উনার বিরুদ্ধে সিআর মামলা রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ৪ বছর ধরে প্রেমের অভিনয়ে বিয়ের নামে প্রতারণা করে ৫০ হাজার টাকা নানা অজুহাতে হাতিয়ে নেয় প্রেমিক ইকবাল হাসান । টাকা হাতিয়ে নেবার বিষয়টি প্রেমিকের বাবা সামচুল হক ও তার পরিবার সম্পৃক্ত ছিল বলে প্রেমিকা আমিনা খাতুন ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে গভীর আন্তরিকতা থাকার পরও বিয়ে না করে নানা তালবাহানা শুরু করে প্রেমিক প্রতারক ইকবাল হাসান।
বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়ে পক্ষের মুরুব্বীদের চাপে পড়ে গ্রাম্য বৈঠকে গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ ইং বুধবার কাজী দ্বারা ৪ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ের রেজিষ্ট্রী করা হয়। রেজিষ্ট্রী করার পর নববধুকে স্বামীর বাড়িতে না নিয়ে মেয়ের বাড়ি কামারখন্দ উপজেলা নববধুকে পাঠিয়ে দেয়।
নববধু আমিনাকে খাতুন কামারখন্দ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের আসাব উদ্দিন মোল্লার মেয়ে ।
স্ত্রীর সাথে ঘর সংসার না করে প্রতারক স্বামী পড়াশুনার ছলনায় ঢাকায় অবস্থান করতে থাকে।
বিয়ের পর স্ত্রী তার স্বামীর অধিকারের দাবী করে। স্ত্রীকে স্বামীর অধিকার থেকে বঞ্চিত করলে আমিনা খাতুন ও তার পরিবার হতাশায় পড়ে যায় । বিয়ের পর স্বামী বউকে স্ত্রীর মর্যাদা না দিয়ে তারই মামা লম্পট প্রতারক ও চতুর্বাজ অভিভাবক চর সাচালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মল্লিকের কু-পরামর্শে ইকবাল হাসান তার স্ত্রীকে বিয়ে করা সত্ত্বেও গ্রহন করছে না বলে এলাকাবাসির অভিযোগ।
অবশেষে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ সময় পার হলে ছেলের পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করে স্থানীয়রা।
কিন্তু ছেলের মুল অভিভাবক মামা চর সাচালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো.নজরুল ইসলাম মল্লিক বিষয়টি কর্ণপাত না করে কোন সুরাহা করতে রাজী হয়নি। তিনি বিষয়টি আমুলে না নিয়ে গোপনে সম্পর্ক বিচ্ছেদের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে।
লম্পট ইকবাল হাসানের মামা চর সাচালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো.নজরুল ইসলাম মল্লিক একজন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক। তিনি প্রতি দিন ক্লাসে উপস্থিত থাকেন না। কিন্তু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ঠিকই রয়েছে।
প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মল্লিক স্কুলে অনিয়মিত উপস্থিত হন। স্কুলে গেলেও অফিশিয়াল কাজের কথা বলে ক্লাশ ত্যাগ করেন।
স্কুলের সরকারী বরাদ্দ্ আত্বসাত প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মান হলে পুরাতন ঘরের টিন আসবাবপত্র নিয়ম বহির্ভুত ভাবে বিক্রি করে সে টাকা আত্মসাত করেছেন বলে এলাকার একাধিক সুত্রে অভিযোগ উঠেছে। সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে তার খুটির জোর কোথায়! ।
ইন্দনদাতা মামা নজরুল ইসলাম মল্লিকের পরামর্শে
শেষে ১০.০৬ ২০২৬ ইং তারিখে আমিনা খাতুনকে ডিভোর্স লেটার দেওয়া হয়।
ডিভোর্স লেটার (তালাক) এর আগের দিনও পোষাক ক্রয় ও সিরাজগঞ্জে আসার নাম করে স্ত্রীকে পোটিয়ে ৫০০০/ টাকা দাবী করে স্বামী ইকবাল। সহজ সরল স্ত্রী আমিনা খাতুন বিকাশে ৩৭৫০/ টাকা পাঠিয়ে দেয় । এরপর স্ত্রী আমিনা খাতুনকে ১৫.০৬.২৬ ডিভোর্স লেটারের কাগজ পিয়ন হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন।
স্বামী -স্ত্রী সংসার বিচ্ছেদ করার অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলার মেছড়া ইউনিয়নের সাচালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমানে গোটিয়া গ্রামে বসবারত মো. সামচুল হকের ছেলে ডুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইকবাল হাসানের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় স্ত্রী আমিনা খাতুন নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেছেন।
সংসার না করেও বিনা কারনে বিচ্ছেদের ঘটনাটি এলাকাবাসি ও আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতারক স্বামী ইকবাল হাসানের নিকটতম আত্মীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন -প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মল্লিক আমিনা খাতুনের সংসার ভাঙ্গার মুল নায়ক।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান , সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক হয়ে প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিত পাঠদান, স্কুলের সরকারী টাকা আত্মসাত পুরাতন টিনের ঘর বিক্রি করে টাকা আত্মসাতসহ সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতির চরমে পৌছে গেলেও তিনি একটুও অনুতপ্ত না হয়ে সামাজিকতায় এলাকাবাসির সাথে অসৎ আচরনে এলাকাবাসি অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। এরই বহি: প্রকাশে গত সোমবার সকাল ৯ টার স্থলে ১০ টায় স্কুলে যান এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে স্কুল থেকে সিরাজগঞ্জ আসার পথে যমুনা নদীর পুর্ব পাড়ে নৌকা ঘাটে মাষ্টারকে দেখতে পান কতিপয় যুবকেরা। এ সময় স্যারকে জিঞ্জাসা করেন স্যার আপনি ক্লাশ বাদ দিয়ে চলে যাচ্ছেন কেন। স্যার বলেন অফিশিয়াল কাজ আছে। কিন্তু অফিশিয়াল কাজের কোন প্রমান দেখাতে ব্যর্থ হলে স্যার স্কুলে না গিয়ে হাসেমের চা - স্টলে বসেন। এ সময় এলাকার ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ও ওয়ার্ড বিএনপির নেতা কর্মিরা তাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে বলেন কিন্তু তিনি স্কুলে যেতে নারাজ। স্যার স্কুলে যাবেন না এলাকাবসি তাকে প্রতিষ্ঠানে নেবার চেষ্টা করেন। এইভাবে সারাদিন কেটে গেলে নজরুল ইসলাম মল্লিক নির্বাহী অফিসারের সহযোগীতায় এলাকা ত্যাগ করেন। এরই জের ধরে তিনি সিরাজগঞ্জ এসে নির্বাহী অফিসার বরাবর ও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন এই মর্মে যে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে মেছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহীদ। এ ঘটনায় গত বুধবার দৈনিক যুগের কথা পত্রিকায় ''প্রধান শিক্ষককে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ মেছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে '' শিরোনামে একটি মিথ্যা ভিত্তিহীন বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছেন। উক্ত মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মেছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহীদ ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম। এ বিষয়ে সরজমিনে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছে সচেতন মহল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ১নং পাংগাশিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বারেক মেম্বারকে ঘিরে নারীসংক্রান্ত একটি অভিযোগ ও আটকের বিষয়কে কেন্দ্র করে পাংগাশিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বিভিন্ন বক্তব্য দেন। এ সময় পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে আপত্তিকর ও কটূক্তিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় পটুয়াখালীর সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা, শালীনতা ও তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বারেক মেম্বারকে ঘিরে নারীসংক্রান্ত অভিযোগ ও আটকের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বা মামলার নথি যাচাই করে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ